1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
অধস্তন আদালত মনিটরিংয়ে দায়িত্ব পেলেন ১৩ বিচারপতি - আদালত বার্তা
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রাইব্যুনালে এলেই অসুস্থতা: বিচার এড়াতে ‘রোগের নাটক’, বলছে প্রসিকিউশন ঢাকায় সাংবাদিকতা সম্মেলনে স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের তাগিদ ঢাকা-ইসলামাবাদ সমঝোতা, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে ভারত ঘিরে পাকিস্তানের নতুন বার্তা, হাইকোর্টে একদিনে ৫ হাজারেরও বেশি মামলা নিষ্পত্তি চীন সফরে যাওয়ার আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী — তিস্তা সমস্যা নিয়ে ভারতের জন্য বসে থাকা চলবে না বাংলাদেশে কেমিক্যালমুক্ত আম: নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্যের প্রশ্ন সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা, হচ্ছে যাচাই-বাছাই প্রথম সফর নিয়ে জটিলতা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে ভারতের আস্থাহীনতায় সরকার ঢাকার রাস্তায়  ট্রাফিক সিস্টেমে নতুন  বাস্তবতা AI ক্যামেরা। সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের দীর্ঘ কারাবাস:আইনের অপব্যবহার নিয়ে আইনজীবীদের উদ্বেগ।

অধস্তন আদালত মনিটরিংয়ে দায়িত্ব পেলেন ১৩ বিচারপতি

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

অধস্তন আদালত মনিটরিংয়ে দায়িত্ব পেলেন ১৩ বিচারপতি
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ২ মে, ২০২৬
দেশের আটটি বিভাগের অধস্তন (নিম্ন) আদালতসমূহের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ১৩টি পৃথক মনিটরিং কমিটি পুনর্গঠন করেছেন প্রধান বিচারপতি। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, প্রধান বিচারপতি দেশের আটটি বিভাগের জন্য হাইকোর্ট বিভাগের একজন করে বিচারপতিকে প্রধান করে মোট ১৩টি ‘মনিটরিং কমিটি ফর সাবর্ডিনেট কোর্টস’ গঠন করেছেন। এই কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর বিচারিক কার্যক্রম, মামলার জট নিরসন এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কাজ করবে। প্রতিটি কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদানের জন্য একজন করে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকেও (জুডিশিয়াল অফিসার) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কোন বিভাগে কোন বিচারপতি দায়িত্বে (বিস্তারিত তালিকা)
দেশের ৬৪টি জেলাকে ১৩টি অঞ্চলে ভাগ করে দায়িত্ব বন্টন করা হয়েছে:
ঢাকা-১ বিভাগ: (ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী ও টাঙ্গাইল) – বিচারপতি জে বি এম হাসান।
ঢাকা-২ বিভাগ: (কিশোরগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর ও মাদারীপুর) – বিচারপতি ফাতেমা নজীব।
চট্টগ্রাম-১ বিভাগ: (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি) – বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান।
চট্টগ্রাম-২ বিভাগ: (নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চাঁদপুর) – বিচারপতি আহমেদ সোহেল।
রাজশাহী-১ বিভাগ: (রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও নাটোর) – বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর।
রাজশাহী-২ বিভাগ: (বগুড়া, জয়পুরহাট, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ) – বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি।
খুলনা-১ বিভাগ: (খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর ও নড়াইল) – বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া।
খুলনা-২ বিভাগ: (কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুরা) – বিচারপতি মো. জাফর আহমেদ।
বরিশাল বিভাগ: (পুরো বিভাগ) – বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন।
ময়মনসিংহ বিভাগ: (ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোণা) – বিচারপতি রাজিক আল জলিল।
সিলেট বিভাগ: (সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ) – বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ।
রংপুর-১ বিভাগ: (রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট) – বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার।
রংপুর-২ বিভাগ: (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও নীলফামারী) – বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম।
অধস্তন আদালত মনিটরিংয়ের এই প্রক্রিয়াটি ২০২২ সালের ২৭ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল, যখন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ৮ জন বিচারপতিকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে কাজের পরিধি বিবেচনায় ২০২৩ সালের অক্টোবরে এই সংখ্যা বাড়িয়ে ১৩ জন করা হয়। গত বছরের এপ্রিলে কমিটি পুনর্গঠনের পর বর্তমান বিচারিক বাস্তবতায় প্রধান বিচারপতি আবারও এই মনিটরিং কমিটিগুলো পুনর্গঠন করলেন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট