1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
অন্তর্বর্তী সরকারের ২০টি অধ্যাদেশের ক্লারিফিকেশন দরকার: জয়নুল আবেদীন - আদালত বার্তা
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাস্তা পারাপারে আইন না মানলে পথচারীর জেল-জরিমানা মোঘল দরবার থেকে আজকের বৈশাখ খাজনা আদায়ের দিনটি কীভাবে প্রাণের উৎসবে রূপ নিল তাপপ্রবাহ: আইনজীবীদের কালো কোট-গাউন পরা লাগবে না সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে বিচারকরা ঐক্যবদ্ধ। হত্যাচেষ্টা মামলায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন বিচার বিভাগ এখন জনগণকে ‘নির্যাতনের’ জায়গা: মাসদার হোসেন যৌন নির্যাতন যেন ‘রাষ্ট্রীয় নীতি’ ইসরায়েলের কারাগারে শিকল দিয়ে বেঁধে পালাক্রমে চলে ধর্ষন ঐতিহাসিক ১০ এপ্রিল  মুজিবনগর সরকার গঠন দিবস রোব-মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে, বাকি দিন অফলাইনে ক্লাস। আমেরিকা ও ইরান যুদ্ধে “পাল্টাপাল্টি শর্ত” প্রভাবে কি হবে?

অন্তর্বর্তী সরকারের ২০টি অধ্যাদেশের ক্লারিফিকেশন দরকার: জয়নুল আবেদীন

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে
  1. অন্তর্বর্তী সরকারের ২০টি অধ্যাদেশের ক্লারিফিকেশন দরকার: জয়নুল আবেদীন
    ‎নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ২৬ মার্চ ২০২৬
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বলেছেন, ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে মোট ২০টি বিষয়ের ব্যাপারে ক্লারিফিকেশন দরকার। এ জন্য আগামী ২৯ তারিখ রাত সাড়ে ৮টায় বৈঠক হবে।
    আজ বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।
    কমিটির সভাপতি বলেন, ‘আমরা আলাপ-আলোচনা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে, আমরা যেগুলো মোটামুটিভাবে আমাদের পক্ষ থেকেও কিছু আলোচনার বিষয় আছে, জামায়াতের পক্ষ থেকেও এবং বিরোধী দলের পক্ষ থেকেও কিছু আলাপ-আলোচনা আছে। আমরা বলেছি– এটা আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছালে আমরা এটা প্লেস করব। অন্যথায় এটা বিল আকারে পরবর্তীতে আনার জন্য আইন রয়েছে, সেই আইন মোতাবেক ব্যবস্থা করব।’
    জয়নুল আবেদিন আরও বলেন, ‘কোন বিল গ্রহণ করব, কোনটা ল্যাপস হবে সবকিছু নির্ভর করবে সংসদের ওপর। সংসদে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্থাপন করতে না পারলে… যে সমস্ত বিষয়ে আপত্তি রয়েছে, প্রয়োজন হলে সংশোধনের জন্য বিল আকারে আনার সুযোগ আছে। আমরা সংবিধান মোতাবেক আগাতে চাই।’
    গণভোটের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশেষ এ কমিটির সভাপতি বলেন, ‘গণভোটের বিষয়ে বৈঠকে তেমন আলোচনা হয়নি। এটা নিয়ে ওই দিনই (২৯ মার্চ) আলোচনা করব। অথবা সংসদে আলাপ-আলোচনা হবে।’
    সরকারি দল কি অধ্যাদেশটি রহিত করার প্রস্তাব করেছেন কি না, এমন প্রশ্নে জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘আমরা এটাকে রহিত করাও প্রস্তাব করি নাই, রাখারও প্রস্তাব করি নাই। আমরা বলেছি এটা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। সংবিধানের আলোকে এগুলো আলোচনা করতে হবে। কারণ সংবিধান সকলের ঊর্ধ্বে। সংসদ সংবিধান মোতাবেক চলবে। সে জন্য গণভোটসহ সবকিছু আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাপ্ত করতে চাই।’
    অধ্যাদেশে কোনো সংশোধনী আনা হয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে কমিটির সভাপতি বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সংশোধনী আনি নাই। যেগুলো সংশোধনীর প্রয়োজন—পুলিশ কমিশন, দুদক, বিচারক নিয়োগ, মানবাধিকার কমিশনসহ কিছু আমরা রেখেছি। তা নিয়ে আলাপ-আলোচনা হবে।’
    জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে গণভোট বাতিল করতে আইন মন্ত্রণালয় কমিটিকে সুপারিশ করেছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমিতো বলতে পারি না ওনারা মিথ্যা কথা বলেছেন বা অসত্য কথা বলেছেন। এখন ওনারা ওনাদের মত বলেছেন। আজকে কোনো আপত্তি করে নাই। সংশোধনীর প্রস্তাব আনে নাই। আমরাও কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি নাই।’
    গণভোট অধ্যাদেশ নিয়ে বিএনপির অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘এটা সংসদের বিষয়। বিশেষ কমিটি এ বিষয়ে ঐকমত্য হতে না পারলে আমরা সংসদে আলোচনা করব।’
আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট