1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
অভিভাবকের অসচেতনতা ও অতিরিক্ত ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারে হারাচ্ছে শিশুর চোখের আলো - আদালত বার্তা
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাজী নিয়োগে ৩ সদস্যের প্যানেল থেকে সিদ্ধান্তে গড়িমসি বেআইনি—হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ আবেগ নয়, আইনের পথে: মামলা করার আগে পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্ব বাড়ছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘চীন-বাংলাদেশ ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন’ উদ্বোধন: সমুদ্র গবেষণায় নতুন দিগন্ত বিয়ে করে অপরাধ করেননি নাসির-তামিমা: খালাসের রায়, আপিলের ঘোষণা বাদীপক্ষের। বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় আজ একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে নাসির-তামিমা-রাকিব মামলায় বিচারের রায় আজ। স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ’লীগ নেতাকর্মীরা: তথ্য উপদেষ্টা স্বাধীন বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠার হাইকোর্টের রায় স্থগিত: আপিল শুনানি ১৬ জুন শেখ হাসিনাসহ অনেকেরই আপিলের সময় শেষ, দণ্ডিতদের সামনে এখন কোন পথ? “আইন জানুন, সচেতন থাকুন” — অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে অধিকার রক্ষার আলোয় পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলা আসামি সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

অভিভাবকের অসচেতনতা ও অতিরিক্ত ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারে হারাচ্ছে শিশুর চোখের আলো

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

অভিভাবকের অসচেতনতা ও অতিরিক্ত ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারে হারাচ্ছে শিশুর চোখের আলো
বিশেষ প্রতিবেদন আদালত বার্তাঃ১৭মে ২০২৬
বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিশুদের হাতে বই-খাতার পরিবর্তে ক্রমেই বেশি দেখা যাচ্ছে স্মার্টফোন, ট্যাব ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস। অনলাইন ক্লাস, গেমস, কার্টুন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ সময় কাটানোর ফলে শিশুদের চোখের ওপর পড়ছে ভয়াবহ নেতিবাচক প্রভাব। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে অল্প বয়সেই অনেক শিশু চোখের বিভিন্ন জটিলতায় আক্রান্ত হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য ও চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ইখতিয়ার আহমেদ শাওনের মতে, দীর্ঘ সময় মোবাইল বা ট্যাবের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকলে শিশুদের চোখে শুষ্কতা, ঝাপসা দেখা, মাথাব্যথা, চোখে জ্বালাপোড়া এবং দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে অল্প বয়সেই শিশুদের চশমা ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে। এছাড়া রাত জেগে মোবাইল ব্যবহারের ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে, যা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশেও বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
তিনি আরও বলেন অধিকাংশ অভিভাবকই শিশুদের শান্ত রাখতে বা ব্যস্ত রাখার জন্য খুব সহজেই মোবাইল ফোন হাতে তুলে দেন। কিন্তু এই সাময়িক স্বস্তি ভবিষ্যতে শিশুর জন্য বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। শিশুদের স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ না করলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মারাত্মক দৃষ্টিজনিত সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে।
এ বিষয়ে সচেতন মহল মনে করছে, শিশুদের প্রযুক্তি ব্যবহারে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা জরুরি। একই সঙ্গে শিশুদের খেলাধুলা, বই পড়া ও প্রাকৃতিক পরিবেশে সময় কাটানোর প্রতি উৎসাহিত করতে হবে। পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একযোগে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে হবে।
তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের হাতে কোনো ধরনের ডিজিটাল স্ক্রিন না দেওয়াই উত্তম। বড় শিশুদের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময়ের বেশি স্ক্রিন ব্যবহার না করতে দেওয়া এবং নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।
প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিশুদের সুস্থ দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় এখনই সচেতন হওয়া সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট