সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন
Title :
নতুন করে আলোচনায় বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি। ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন এসএনএ চার্জ ইউনিটপ্রতি আধা পয়সা—১,১৬০ মেগাওয়াটে বছরে সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা বাংলাদেশে বন্ধ হচ্ছে যুক্তরাজ্যের অর্থায়নে পরিচালিত জলবায়ু প্রকল্প। ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক সোহেল রানার বিরুদ্ধে নিজ সরকারি গাড়িচালক মো. আলী হোসেন বাচ্চুকে খাস কামরায় ডেকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহ রহস্য উন্মোচন ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় চারজনকে হত্যা, লাশের পাশেই গোসল-খেজুর-ইয়াবা; গ্রেপ্তার দুই চীনা দূতাবাসে হামলার হুমকি: কূটনৈতিক নিরাপত্তায় বাড়তি সতর্কতা, তৎপর গোয়েন্দারা যানজট নিয়ন্ত্রণে ড্রোন সার্ভিলেন্স, এআই ক্যামেরার পর ঢাকার ট্রাফিকে নতুন প্রযুক্তি গানভরের সঙ্গে এলএনজি চুক্তি: শুরুতে চড়া দাম, দীর্ঘমেয়াদে সস্তার আশ্বাস স্মার্টফোন, AI ও আইনজীবীর নতুন Drafting Assistant Junior Lawyer-এর Drafting দক্ষতায় আসছে নতুন পরিবর্তন নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন, মধ্যরাতে প্রজ্ঞাপন

কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের ৫৭ জন শহীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে তালিকাভুক্তিকরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০২২
  • ১১৪০ বার পড়া হয়েছে

কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের ৫৭ জন শহীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে তালিকাভুক্তিকরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সংবাদ সম্মেলন

১৯৭১ সনে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কেরানীগঞ্জের তারানগর ইউনিয়নে ২৫ নভেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার ৫৭ জন শহীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে তালিকাভুক্তিকরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সম্মেলনে শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি
উত্থাপনকারী হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহের আলী।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ৫৭ জন শহীদ পরিবারের ওয়ারিশদের পক্ষ থেকে যে দাবিগুলো তুলে ধরেন তিনি
—- ৫৭ জন শহীদের তালিকাভুক্ত করে শহীদের নাম সরকারি ভাবে গেজেট ভুক্ত করতে হবে।
—-শহীদের গণকবর নিশ্চিত জায়গাটি রাষ্ট্রীয় ভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
——শহীদ পরিবারের সদস্যগন/ ওয়ারিশগনকে রাষ্ট্রীয় ভাবে যে সমস্ত সুযোগ সুবিধা প্রাপ্ত হন তা প্রদানের ব্যবস্তা করতে হবে।
—— ২৫ নভেম্বর ঘাটারচর সংগঠিত নৃশংস হত্যা কান্ডের শিকার সেই সমস্ত শহীদের স্মরনে দিবসটি পালনে প্রশাসনের উদ্যোগে ও শহীদ পরিবারের সদস্য নিয়ে তাদের স্মরন করা।
—-শহীদের স্মরনে একটি পাঠাগার নির্মানের ব্যবস্তা করা।
——যে সমস্ত শহীদ পরিবারের সদস্যগন দুস্হ, আসহায় ও দারিদ্র্যপীরিত তাদেরকে আর্থিক ভাবে সহায়তা প্রদান করা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট