1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের ৫৭ জন শহীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে তালিকাভুক্তিকরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সংবাদ সম্মেলন - আদালত বার্তা
সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জামায়াতের সঙ্গে ‘বন্ধুত্ব করতে চায়’ যুক্তরাষ্ট্র আমলাতন্ত্র থেকে বেরিয়ে এল রাজউক বোর্ড ড্যাপের বিধি ভঙ্গ করলে জেলসহ ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা আট জেলা আদালতে চালু হচ্ছে ই-বেইলবন্ড, ২১ জানুয়ারি উদ্বোধন। সাংবাদিকদের রাজনৈতিক দল বা নেতাদের ‘পোষা কুকুর’ বলে তুলনা করেছেন সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার গণহারে বহিষ্কার, বিক্ষোভ আর বিতর্ক: ট্রাম্পের ডিপোর্টেশন রেকর্ড বনাম ওবামা-বাইডেন সৌদি, আরব আমিরাত ও তুরস্কে থাকা মার্কিন ঘাঁটি উড়িয়ে দেবে ইরান! লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট।  ঢাকার আবাসন সংকটের সমাধান হিসেবে নেওয়া পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প ৩১ বছরেও পুরোপুরি বাসযোগ্য হয়নি। সব দল না থাকলে নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক বলা যায় না’ নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়তে বললো যুক্তরাষ্ট্র

কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের ৫৭ জন শহীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে তালিকাভুক্তিকরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সংবাদ সম্মেলন

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০২২
  • ৯৩৪ বার পড়া হয়েছে

কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের ৫৭ জন শহীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে তালিকাভুক্তিকরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সংবাদ সম্মেলন

১৯৭১ সনে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কেরানীগঞ্জের তারানগর ইউনিয়নে ২৫ নভেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার ৫৭ জন শহীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে তালিকাভুক্তিকরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সম্মেলনে শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি
উত্থাপনকারী হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহের আলী।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ৫৭ জন শহীদ পরিবারের ওয়ারিশদের পক্ষ থেকে যে দাবিগুলো তুলে ধরেন তিনি
—- ৫৭ জন শহীদের তালিকাভুক্ত করে শহীদের নাম সরকারি ভাবে গেজেট ভুক্ত করতে হবে।
—-শহীদের গণকবর নিশ্চিত জায়গাটি রাষ্ট্রীয় ভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
——শহীদ পরিবারের সদস্যগন/ ওয়ারিশগনকে রাষ্ট্রীয় ভাবে যে সমস্ত সুযোগ সুবিধা প্রাপ্ত হন তা প্রদানের ব্যবস্তা করতে হবে।
—— ২৫ নভেম্বর ঘাটারচর সংগঠিত নৃশংস হত্যা কান্ডের শিকার সেই সমস্ত শহীদের স্মরনে দিবসটি পালনে প্রশাসনের উদ্যোগে ও শহীদ পরিবারের সদস্য নিয়ে তাদের স্মরন করা।
—-শহীদের স্মরনে একটি পাঠাগার নির্মানের ব্যবস্তা করা।
——যে সমস্ত শহীদ পরিবারের সদস্যগন দুস্হ, আসহায় ও দারিদ্র্যপীরিত তাদেরকে আর্থিক ভাবে সহায়তা প্রদান করা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট