মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন
Title :
খালাস পাওয়ার পরও ৮ বছর কারাগারে: ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হাইকোর্টের রুল অনুমোদনহীন ২২ অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে লেনদেনে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কতা বণ্টন মামলায় পৃথক স্বত্ব ঘোষণার মামলা ছাড়াই স্বত্বের প্রশ্ন নির্ধারণ করা যায়: হাইকোর্ট বিচার্য বিষয় বা Fact in Issue কী? মামলার সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে যে প্রশ্ন সংবিধানে আসছে মৌলিক পরিবর্তন: জানুয়ারিতে বিল পাসের পর হবে গণভোট। আয়কর রিটার্নে তথ্য গোপন: কী বলছে আইন, কী হতে পারে শাস্তি? একাধিক মামলার সাজা একসঙ্গে চলবে না আদালতের নির্দেশ ছাড়া: হাইকোর্ট বিকাশ-রবি-বাংলালিংকসহ পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিক অনুমোদন শাখাহীন ব্যাংকিংয়ের নতুন যুগের পথে বাংলাদেশ ‘র’ এজেন্ট সন্দেহে ভারতীয় নাগরিক রিমান্ডে: আইনি প্রক্রিয়া, কূটনৈতিক অধিকার এবং আইনি বিশ্লেষণ দেশে বিচারকের স্বল্পতা একটি সুপরিচিত বাস্তবতা: অ্যাটর্নি জেনারেল

চাকরিতে মূল সার্টিফিকেট জমা রাখার বৈধতা কতটুকু চ্যালেঞ্জ করে রিট

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৯০৪ বার পড়া হয়েছে

চাকরিতে মূল সার্টিফিকেট জমা রাখার বৈধতা কতটুকু চ্যালেঞ্জ করে রিট
এডডোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক, আদালত বার্তাঃ ৫ ডিসেম্বর ২০২২।
 চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সনদ জমা রাখা অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে।

শাহেন শাহ নামের এক ব্যক্তির পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সেলিম মিয়া গত ২৯ নভেম্বর হাইকোর্টে এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

রোববার (৪ ডিসেম্বর) বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটি শুনানির জন্য কার্যতালিকার ১১৯ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) রিটকারীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সেলিম মিয়া এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মূল সার্টিফিকেট জমা রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ‘প্রোগ্রেস’ এর কাছে আবেদনকারীর আটকে থাকা সনদপত্র ফেরতের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

রিট আবেদনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের নির্বাহী সহ-সভাপতি ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘প্রোগ্রেস’ এর নির্বাহী পরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালে শাহেন শাহ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘প্রোগ্রেস’ এর ক্রেডিট অফিসার হিসেবে নিয়োগ পান। নিয়োগের সময় এনজিওটি তার কাছ থেকে এসএসসি, এইচএসসির মূল সনদ ও খালি চেক জমা রাখেন। চার বছর কাজ করার পর ২০২১ সালে তিনি চাকরিচ্যুত হন।

চাকরি হারানোর পর প্রতিষ্ঠানটি থেকে তিনি কোনো বেনিফিট পাননি। উপরন্তু অর্থ তসরুপের মিথ্যা অভিযোগ তুলে প্রায় দেড় বছর ধরে তার এসএসসি, এইচএসসির মূল সনদ ও জমা দেওয়া ব্ল্যাংক চেক ফেরত দেওয়া হচ্ছে না। তাই এসব সনদ ফেরত পেতে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট