সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
Title :
আয়কর নিরীক্ষায় পড়লে কী করবেন? ১০ প্রশ্নের উত্তর সংস্কৃতি কি নিরপেক্ষ থাকতে পারে—নাকি অনিবার্যভাবে মতাদর্শের বাহন? রাজনীতিঅবৈধ আদেশে হয়েছিল গণভোট, সাংবিধানিক ছিল না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্বাহী আদেশে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিবিদদের বক্তব্যের ভাষা ও রাজনীতির সংস্কৃতি কোথায় দাঁড়িয়ে আমরা? বন্দি পালানোর ঘটনায় কাশিমপুর মহিলা কারাগারের ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত ডা. মাহারাং বেলোচ: বেলুচ আন্দোলনের প্রতীক, নাকি রাষ্ট্রের চোখে বিতর্কিত নেতা? স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থিতা নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব জামায়াতের সংবিধানের মৌলিক কাঠামো অপরিবর্তনীয়, তবে সংস্কারের সুযোগ রয়েছে: তাজুল ইসলাম ৪৫ বছর পলাতক জীবনের পর ধরা পড়়়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হত্যায় দণ্ডিত আসামি সাবেক মেজর মো. মোজাফফর হোসেন

চাকরিতে মূল সার্টিফিকেট জমা রাখার বৈধতা কতটুকু চ্যালেঞ্জ করে রিট

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৭৮৪ বার পড়া হয়েছে

চাকরিতে মূল সার্টিফিকেট জমা রাখার বৈধতা কতটুকু চ্যালেঞ্জ করে রিট
এডডোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক, আদালত বার্তাঃ ৫ ডিসেম্বর ২০২২।
 চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সনদ জমা রাখা অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে।

শাহেন শাহ নামের এক ব্যক্তির পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সেলিম মিয়া গত ২৯ নভেম্বর হাইকোর্টে এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

রোববার (৪ ডিসেম্বর) বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটি শুনানির জন্য কার্যতালিকার ১১৯ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) রিটকারীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সেলিম মিয়া এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মূল সার্টিফিকেট জমা রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ‘প্রোগ্রেস’ এর কাছে আবেদনকারীর আটকে থাকা সনদপত্র ফেরতের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

রিট আবেদনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের নির্বাহী সহ-সভাপতি ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘প্রোগ্রেস’ এর নির্বাহী পরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালে শাহেন শাহ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘প্রোগ্রেস’ এর ক্রেডিট অফিসার হিসেবে নিয়োগ পান। নিয়োগের সময় এনজিওটি তার কাছ থেকে এসএসসি, এইচএসসির মূল সনদ ও খালি চেক জমা রাখেন। চার বছর কাজ করার পর ২০২১ সালে তিনি চাকরিচ্যুত হন।

চাকরি হারানোর পর প্রতিষ্ঠানটি থেকে তিনি কোনো বেনিফিট পাননি। উপরন্তু অর্থ তসরুপের মিথ্যা অভিযোগ তুলে প্রায় দেড় বছর ধরে তার এসএসসি, এইচএসসির মূল সনদ ও জমা দেওয়া ব্ল্যাংক চেক ফেরত দেওয়া হচ্ছে না। তাই এসব সনদ ফেরত পেতে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews