1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট প্রদান: কারাগারে দারুল ইহসানের পরিচালক - আদালত বার্তা
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বসায় সেহরি না বাহিরে করতে চান? যেতে পারেন ঢাকার এই ১২ জায়গায় নিষিদ্ধ বা স্থগিত ঘোষিত সংগঠনের এমন নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা, যারা জামিনে বেরিয়ে সংগঠনকে পুনর্গঠিত বা মাঠপর্যায়ে সক্রিয় করতে সক্ষম—তাদের জামিনের পরপরই অন্য মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখাতে হবে এজলাসে ভাঙচুর, বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আটক। পদত্যাগ করলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার.। আজ প্রপোজ ডে, প্রিয়জনকে মনের কথা জানানোর দিন। সোমবার ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নির্বাচনে যান চলাচল নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করে প্রজ্ঞাপন দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টানা ৫ দিনের ছুটি ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থায় পরিবর্তন রমজানে অফিস সময় নির্ধারণ।

টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট প্রদান: কারাগারে দারুল ইহসানের পরিচালক

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১০ মে, ২০২৩
  • ৩২২ বার পড়া হয়েছে

টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট প্রদান: কারাগারে দারুল ইহসানের পরিচালক
ডেস্ক রিপোর্ট

টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট প্রদানের অভিযোগে লালবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার প্রকৌশলী (ডিপ্লোমা) ইয়াসিন আলী ও দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটির পরিচালক বুলবুল আহমেদ বিপুকে দুই দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৯ মে) দুই দিনের রিমান্ড শেষে তাদেরকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদেরকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক হুমায়ন কবির। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলামের আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতের লালবাগ থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক শওকত হোসেন বিষয়টি জানিয়েছেন।

এর আগে গত ৬ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শান্ত ইসলাম মল্লিকের আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দুই আসামি প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে জাল-জালিয়াতি করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের সার্টিফিকেট, দাপ্তরিক কাজের জন্য তৈরি সার্টিফিকেট প্রস্তুত করে আসছে। এরপর সাধারণ মানুষকে অরিজিনাল সার্টিফিকেটের কথা বলে অর্থের বিনিময়ে জাল সার্টিফিকেট সরবরাহ করে আসছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তারা। পড়ালেখা না জানা ব্যক্তিদের নিকট থেকে অর্থের বিনিময়ে প্রস্তুতকৃত ফরম ব্যবহার করে তারা নিজেরাই জাল সার্টিফিকেট প্রদান করতেন। এর মাধ্যমে তারা টাকা আত্মসাৎ করে আসছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট