শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ন
Title :
সরকারি চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশন: নিরাপত্তা যাচাই, নাকি রাজনৈতিক পরিচয় অনুসন্ধান? সড়ক-ফুটপাতে হকার বসলেই মালামাল ক্রোক ও মামলা: ডিএসসিসি প্রশাসকের কঠোর হুঁশিয়ারি। রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগ করছেন এমপি মিষ্টি, প্রত্যাহার পুলিশ কর্মকর্তা অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর মতো কোনো অভিযানের পরিকল্পনা নেই সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রসফায়ার’ বন্ধ, অপরাধ দমনে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ডিটেনশনের প্রস্তাব পুলিশের বঙ্গবন্ধুর “অসমাপ্ত আত্মজীবনী”: এক অনন্য ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক দলিলের বিচার-বিশ্লেষণ বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক সংকট ও নৈতিক দ্বন্দ্ব: একটি বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদন বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন হয়রানি: বৈধ যাত্রীদের বাধা দেওয়ায় হাইকোর্টের কড়া রুল ও নির্দেশনা রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞা ছাড়াই ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রিতে বাধা: আইনি প্রক্রিয়া লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রকাশকদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি: সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি

ডিজিটাল পদ্ধতিতে অনলাইন কেস ট্র্যাকিং সিস্টেমের উদ্বোধন

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৫ মার্চ, ২০২৩
  • ৫৩১ বার পড়া হয়েছে

ডিজিটাল পদ্ধতিতে অনলাইন কেস ট্র্যাকিং সিস্টেমের উদ্বোধন
ডেস্ক রিপোর্ট, আদালত বার্তা:৫ফেব্রুয়ারি২০২৩
ডিজিটাল পদ্ধতিতে দ্রুততম সময়ে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে মামলার সেবা প্রদানে উদ্বোধন হলো অনলাইন কেস ট্র্যাকিং সিস্টেম।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ সব সরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে তাদের মামলা পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা করে থাকে।

অনেক ক্ষেত্রে সরকারি অফিসগুলো তাদের মামলার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে অবগত থাকে না। এই কেস ট্র্যাকিং সিস্টেমের মাধ্যমে তারা সহজেই মামলার হালনাগাদ তথ্য জানতে পারবেন। এতে দ্রুততম সময়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিসসমূহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে।

রোববার (৫ মার্চ) ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আইন ও বিচার বিভাগ উদ্ভাবিত অনলাইন কেস ট্র্যাকিং সিস্টেম ‘সলট্র্যাক’ soltrack.gov.bd উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

আইন ও বিচার বিভাগের উপ-সচিব (অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ) একেএম কামাল উদ্দিন কেস ট্র্যাকিং সিস্টেম উদ্ভাবন করেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার ঘোষণার সঙ্গে ৪টি ভিত্তি নির্ধারণ করে দিয়েছেন, স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট এবং স্মার্ট সোসাইটি।

প্রত্যেকটি কম্পোনেন্ট একটি অপরটির সঙ্গে সম্পর্কিত। মূলত প্রযুক্তিনির্ভর নির্মল ও স্বচ্ছ তথা নাগরিক হয়রানিবিহীন একটি রাষ্ট্র বিনির্মাণ এবং ভোগান্তি ছাড়া প্রত্যেক নাগরিক অধিকার নিশ্চিতের মাধ্যমেই একটি স্মার্ট রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব। সব সেক্টরে প্রযুক্তি নির্ভর সেবা প্রদানের পদক্ষেপ হিসেবে স্মার্ট জুডিসিয়ারি প্রতিষ্ঠাও সরকারের একটি অগ্রগণ্য কাজ। সে লক্ষ্যেই ‘ই-জুডিসিয়ারি’ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সাওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট