শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
Title :
শেকৃবির গবেষণা মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা প্রতিবাদে ফের আন্দোলনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রেস ক্লাবে মানববন্ধন।  দুজন স্থানীয় সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া তল্লাশি ও জব্দ বেআইনি: হাইকোর্ট সনদ হওয়ার পর, দক্ষতা ও সততাই নতুন আইনজীবীর পেশাগত পরিচয়ের ভিত্তি ধানমন্ডির ফুটপাতে বয়স্ক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে মারধর ভাইরাল ভিডিওর ঘটনায় যুবক আটক পরকালের জীবনে বিশ্বাসে এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ, ৯৮.৮ শতাংশ মানুষের বিশ্বাস মানবতাবিরোধী অপরাধে ১০ বছরের সাজা বাতিল চেয়ে আপিল করলেন হাসানুল হক ইনু চাকরিতে অর্জিত অধিকার ও পদোন্নতির যোগ্যতা নতুন বিধিতে বাতিল করা যাবে না: হাইকোর্ট ৩৫ বছর বয়সের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধের উদ্যোগ: আইনমন্ত্রী ছয় দশকে বদলে গেছে চারপাশ, রয়ে গেছে এরোপ্লেন মসজিদের ঐতিহ্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে ৬৬৬ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায়ের নির্দেশ হাইকোর্টের

তথ্যের উৎস প্রকাশ না করতে সাংবাদিকদের সুরক্ষা দিয়েছে আইন: হাইকোর্ট

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২২
  • ১২৪০ বার পড়া হয়েছে

তথ্যের উৎস (সোর্স) প্রকাশ না করতে সাংবাদিকদের আইনগতভাবেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে এক রায়ে অভিমত দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, ঘটনা, পারিপার্শ্বিকতা ও আইনি দিক পর্যালোচনা করে এটি বলতে দ্বিধা নেই যে সাংবাদিকদের তথ্যের উৎস প্রকাশ না করতে সুরক্ষা দিয়েছে আইন।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ গত ২১ জুন ওই রায় দেন। রোববার (২৩ অক্টোবর) ৫০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করা হয়।

আদালত বলেছেন, দুর্নীতি ও দুর্নীতির চর্চা, মানি লন্ডারিংসহ জনস্বার্থ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ প্রকাশে সাংবিধানিক ও আইনগতভাবে এখতিয়ার রাখেন গণমাধ্যম ও সাংবাদিকেরা।

চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাকস্বাধীনতা-সংক্রান্ত সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ তুলে ধরে রায়ে বলা হয়, এমন স্বাধীনতা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে প্রয়োজন। একজন সাংবাদিকের অনুসন্ধানের মধ্যে গবেষণা, বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ, পর্যবেক্ষণ ও যথাযথ অধ্যবসায় রয়েছে। এসব কারণে সাংবাদিকেরা গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করেন। তাঁরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

রায়ে আরো বলা হয়, আধুনিক বিশ্বে তথ্য জানার অধিকার মতামত প্রকাশের পূর্বশর্তের মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সাংবাদিকেরা আইনের শাসন এবং গণতন্ত্র নিশ্চিতে ‘হেল্পিং হ্যান্ড’ (সহায়তাকারী) হিসেবে কাজ করেন, যা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো হিসেবে স্বীকৃত। গণতন্ত্রের প্রহরী হিসেবে কাজ করতে তাঁদের দক্ষ হতে হবে। সংবাদমাধ্যম সমাজের মানুষকে প্রতিটি বিষয়ে সচেতন করে।

একইসঙ্গে হলুদ সাংবাদিকতা সব সময় অননুমোদিত এবং আদৌ প্রশংসনীয় নয় উল্লেখ করে রায়ে বলা হয়, সমাজের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে সংবাদমাধ্যমের মনোযোগী হওয়া উচিত।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট