রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
Title :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হৃদয়ে সম্প্রীতির আলোকবর্তিকা: গুরুদুয়ারা নানকশাহী বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা সংস্কারে আরও তহবিল দিচ্ছে সুইডেন ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আইনি লড়াইয়ে এস আলম, ব্রিটিশ উকিলদের এক মাসের বিলই প্রায় ৫ কোটি টাকা বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন ফৌজদারি মামলার তদন্ত কার্যক্রমে গতি আনতে নির্দেশনা জোরদার সপ্তাহে একবারের ইনসুলিন চালু ভারতে, কমবে খরচ ও ইনজেকশনের ঝামেলা সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা করতে চায় সরকার দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৪৬ লাখ ছাড়িয়েছে: সংবিধানের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে বাড়ছে চাপ ধানমন্ডিতে চিকিৎসক ধীপ্রার মৃত্যু: কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ নিজেদের প্রণীত আইনেই মানবতাবিরোধী অভিযোগে বিচারের মুখে আ.লীগ: নিষিদ্ধ ঘোষণার আইনি পথ কতটা বাস্তবসম্মত?

তামিম বাহিনীর বিদায় ফাইনালে শান্ত আর রিয়াদের দল

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০
  • ১১৪৪ বার পড়া হয়েছে

পারলো না তামিম ইকবালের একাদশ। শেষ পর্যন্ত নাজমুল হোসেন শান্ত আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দলই পৌঁছে গেলো ফাইনালে।

বৃষ্টির কারলে ডিএল মেথডে তামিম বাহিনীর টার্গেট ছিল ১৬১; কিন্তু ৪১ ওভারে ওই টার্গেটও ছুঁ’তে পারেনি তামিম একাদশ। ১৫৬ (৪০.৪ ওভারে) রানেই থেমে গেছে তারা।

৭ রানে জিতে রাউন্ড রবিন লিগের চার (ডাবল লেগের) ম্যাচের তিনটিতে জিতে সবার ওপরে থেকে ফাইনালো উঠলো শান্তর দল। অন্যদিকে সমান খেলায় ২ জয়ে রিয়াদ বাহিনীরও ফাইনাল নিশ্চিত হলো। একমাত্র জয় নিয়ে বিদায় নিল তামিম একাদশ।

প্রতিপক্ষ শান্ত বাহিনী অলআউট হয়েছে ১৬৫ রানে। তবে বৃষ্টি আইন ডিএল মেথডে তামিম বাহিনীর টার্গেট দাঁড়ায় ৪১ ওভারে ১৬৪ রান।

৪১ ওভারে ওই লক্ষ্য মানে ওভার পিছু ৪ রানেরও কম। এই হিসাব-নিকাশ সামনে রেখে যেমন ব্যাটিং দরকার ছিল, তা পারেননি তামিম বাহিনীর ব্যাটসমানরা। অধিনায়ক তামিম প্রাণপন চেষ্টা করেছেন দলকে জেতাতে। কিন্তু পারেননি।

শুরুটাই ভাল হয়নি। ১০ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙ্গার পর তরুণ মাহিদুল ইসলাম অংকনকে নিয়ে ভালই এগুচ্ছিলেন তামিম। আগের তিন ম্যাচে (২+৩৩+৯) রান পাননি। আজ তামিম চেষ্টা করেছেন দল জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে।

কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ৮৫ বলে ৫৭ রানে তামিমকে ফিরিয়ে দিয়েছেন আবু জায়েদ রাহী। অফ স্ট্যাম্পের অনেক বাইরের বল মারতে গিয়ে কট বিহাইন্ড হয়েছেন তামিম।

কিন্তু অংকন (৪৫ বলে ২২) আর ইয়াসির আলী রাব্বি (৩৪ বলে ৬) বেশি স্লো ব্যাটিং করায় ওভার পিছু রানের গতি বেড়ে যায়। শেষ দিকে মিঠুন (৩২ বলে ২৯) আর সাইফউদ্দীন (৯ বলে ১০) প্রাণপন চেষ্টা করেও আর পারেননি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews