রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন
Title :
আইন পেশায় আসার আগে ভাবুন: শুধু সনদ নয়, দক্ষতাই নির্ধারণ করবে ভবিষ্যৎ রাজধানীর লালবাগে ভাড়া বাসা থেকে আইনজীবীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা: ২২ বছরের বিচারিক পরিক্রমা শেষে আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় এনবিআরের দাবি বৈধ: ড. ইউনূসের ‘গ্রামীণ কল্যাণ’কে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের রংপুরে গণপতি পরিবার হত্যা: বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে করা রিটের শুনানি ৮ সপ্তাহ মুলতবি অবসরের পর বিচারপতিদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন ‘সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন’: হাইকোর্ট অর্থঋণ আদালত আইনের ১৮(২) ও ১৮(৩) ধারা কেন অসাংবিধানিক নয়: হাইকোর্টের রুল গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে পুলিশকে কোনো বেআইনি নির্দেশনা দেবে না কমিশন : সিইসি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে এড.মোঃ কামরুল ইসলামের পক্ষে ঢাকা-২ আসনের নৌকার প্রচারণায় কামরুল-শাহীন এক মঞ্চে।

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৫২৭ বার পড়া হয়েছে

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে এড.মোঃ কামরুল ইসলামের পক্ষে ঢাকা-২ আসনের নৌকার প্রচারণায় কামরুল-শাহীন এক মঞ্চে।

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩। 

দীর্ঘদিনের ভেদাভেদ ভুলে ঢাকা-২ আসনের এমপি এড: কামরুল ইসলাম ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ দলের বৃহত্তর স্বার্থে এক মঞ্চে মিলিত হয়ে নিজেদের দ্বন্দ্ব মিটিয়ে ফেলেছেন। আজ শনিবার বিকেলে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে নৌকার সমর্থনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় দুই নেতা এক মঞ্চে উপবিষ্ট হয়ে নিজেদের দীর্ঘ দিনের দ্বন্দ্ব নিরসনের কথা জানিয়ে নৌকার পক্ষে কাজ করার ঘোঘনা দেন। এদিকে, দুই নেতার দ্বন্দ্বের কারনে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও ছিলেন দুই ভাগে বিভক্ত। অবশেষে তারা দলের বৃহত্তর স্বার্থে নিজেদের ভেদাভেদ ভুলে এক হয়ে যাওয়ায় নেতাকর্মীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে। জানা যায়, ২০১৮ সালের নির্বাচনে ঢাকা ২ আসনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন কামরুল ইসলাম ও শাহীন আহমেদ। কিন্তু আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান কামরুল ইসলাম। তিনি টানা ৩ বার এমপি নির্বাচিত হন। নির্বাচনের পরে দুই নেতার মাঝে বিরোধ দেখা দেখা দেয়। দুই মেরুতে অবস্থান নেন তারা। নেতাকর্মীরাও দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন কামরুল ইসলাম ও শাহীন আহমেদ। কিন্তু শেষমেষ এবারও নৌকা পান কামরুল ইসলাম। নৌকার মনোনয়ন না পেয়ে শাহীন আহমেদ ঢাকা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তবে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেননি। দ্বন্দ্ব ভুলে এক মঞ্চে মিলিত হওয়ার বিষয়ে শাহীন আহমেদ বলেন, আপনারা আমাকে সমর্থন করেছেন। আমি নৌকাকে সমর্থন করি। আমি শেখ হাসিনাকে সমর্থন করি। আমি আওয়ামী লীগ কে সমর্থন করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে নৌকার পক্ষে কাজ করতে বলেছেন। আমার কর্মী সমর্থক সবাইকে ঢাকা-২ আসনে নৌকার পক্ষে কাজ করার আহবান জানাচ্ছি। কামরুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ বড় একটি গনতান্ত্রিক দল। এখানে গ্রুপিং আছে, প্রতিযোগিতা আছে। কিন্তু দিন শেষে আমরা সবাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী, আমাদের সবার নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ও নৌকার লোক। আমরা এক হয়ে নৌকার জন্য কাজ করবো।এই নির্বাচন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং একটি নির্বাচন বিশ্ববাসী চেয়ে আছে আমাদের দিকে এই নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে এই কাজটি করতে হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট