শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন
Title :
আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা: ২২ বছরের বিচারিক পরিক্রমা শেষে আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় এনবিআরের দাবি বৈধ: ড. ইউনূসের ‘গ্রামীণ কল্যাণ’কে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের রংপুরে গণপতি পরিবার হত্যা: বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে করা রিটের শুনানি ৮ সপ্তাহ মুলতবি অবসরের পর বিচারপতিদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন ‘সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন’: হাইকোর্ট অর্থঋণ আদালত আইনের ১৮(২) ও ১৮(৩) ধারা কেন অসাংবিধানিক নয়: হাইকোর্টের রুল গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে পুলিশকে কোনো বেআইনি নির্দেশনা দেবে না কমিশন : সিইসি এনআইডিতে ছবির বিকল্প নেই, হাইকোর্টে রুল খারিজ চেকের মামলায় পাওনা শোধ ও সমঝোতা হলে কারাদণ্ড নয়: হাইকোর্ট

পরিশ্রম করে মামলাজটের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হবো: প্রধান বিচারপতি

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৩
  • ৫৪৯ বার পড়া হয়েছে

পরিশ্রম করে মামলাজটের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হবো: প্রধান বিচারপতি
নিউজ ডেস্ক আদালত ১৩ জুলাই, ২০২৩
যদি যুদ্ধ করে এই ভূখণ্ডকে স্বাধীন করতে পারি, তাহলে এই মামলা জটের বিরুদ্ধেও পরিশ্রম করে জয়ী হওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) ঢাকা জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে বিচারপ্রার্থীদের জন্য নির্মিতব্য বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, আমরা সবাই জানি এই রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। রাষ্ট্রের তিনটি অর্গানের মধ্যে একটি হচ্ছে জুডিশিয়ারি। এটি একটি শক্তিশালী অর্গান। আমরা যারা এই বিভাগে আছি বিচারক, আইনজীবী, আইনজীবী সহকারী এবং বিচারিক আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারী, তাদের একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে এ দেশের মানুষের বিচারিক সেবা নিশ্চিত করা।
প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনারা জানেন আমাদের আদালতগুলোতে অনেক মামলা জমে গেছে। এ মামলার জট যেভাবেই হোক ছাড়াতে হবে। অন্যথায় দেখা যাবে, যে বিচারিক সেবা পেতে এই দেশের মানুষের হক রয়েছে, সেখান থেকে তারা বঞ্চিত হবে। আমরা পরিশ্রম করে রক্ত দিয়ে ১৯৭১ সালে এই দেশ স্বাধীন করেছি। সেই ইতিহাস সবাই জানেন। আমরা যদি এভাবে এই ভূখণ্ডকে স্বাধীন করতে পারি, তাহলে কেন এই মামলা জটের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে স্বাধীন হতে পারব না। ইনশাআল্লাহ আমরা জয়ী হব। এই জয়টা আমরা পরিশ্রম করে করতে চাই।
তিনি বলেন, আমি আমাদের বিচারকদের নির্দেশ দিয়েছি আপনারা পরিশ্রম করুন, এখন যত সংখ্যক কেইস ফাইলিং হচ্ছে তার থেকে নিষ্পত্তি যাতে বেশি হয়। ১২০টি কেইস ফাইলিং হলে যদি ১২৫টি নিষ্পত্তি হয় তাহলে ৫/৬ বছরের মধ্যে মামলা জট কমে আসবে। এখন যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে সেখান থেকে বিচারপ্রার্থীদের বের করে আনতে পারব। আদালতের বারান্দায় মাসের পর মাস বছরের পর বছর বিচার পাওয়ার জন্য তাদেরকে আর ঘুরতে হবে না।
প্রধান বিচারপতি বলেন, এই ন্যায়কুঞ্জ তাদের জন্য, যারা এখানে বিচার পেতে আসেন তাদের বিশ্রাম নেওয়ার জন্য। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ কমানোর জন্য ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। আমরা সারাদেশের আদালতগুলোতে এই ধরনের ন্যায়কুঞ্জ স্থাপন করছি।

এর আগে প্রধান বিচারপতিকে স্বাগত জানান ঢাকার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এ এইচ এম হাবিবুর রহমান ভুঁইয়া, মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজাউল করিম চৌধুরী, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাশফিকুল ইসলাম ও ঢাকার বিচার বিভাগীয় অন্যান্য কর্মকর্তারা।
এসময় প্রধান বিচারপতির সফরসঙ্গী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্টার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানী, হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্টার মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান, আপিল বিভাগের রেজিস্টার মো. সাইফুর রহমান, হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্টার (বিচার) এসকে এম তোফায়েল হাসান এবং প্রধান বিচারপতির একান্ত সচিব মো. আরিফুল ইসলাম

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট