বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
Title :
দুজন স্থানীয় সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া তল্লাশি ও জব্দ বেআইনি: হাইকোর্ট সনদ হওয়ার পর, দক্ষতা ও সততাই নতুন আইনজীবীর পেশাগত পরিচয়ের ভিত্তি ধানমন্ডির ফুটপাতে বয়স্ক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে মারধর ভাইরাল ভিডিওর ঘটনায় যুবক আটক পরকালের জীবনে বিশ্বাসে এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ, ৯৮.৮ শতাংশ মানুষের বিশ্বাস মানবতাবিরোধী অপরাধে ১০ বছরের সাজা বাতিল চেয়ে আপিল করলেন হাসানুল হক ইনু চাকরিতে অর্জিত অধিকার ও পদোন্নতির যোগ্যতা নতুন বিধিতে বাতিল করা যাবে না: হাইকোর্ট ৩৫ বছর বয়সের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধের উদ্যোগ: আইনমন্ত্রী ছয় দশকে বদলে গেছে চারপাশ, রয়ে গেছে এরোপ্লেন মসজিদের ঐতিহ্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে ৬৬৬ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায়ের নির্দেশ হাইকোর্টের কারাগারে বন্দি মায়ের সঙ্গে ৩০৩ শিশু: হাইকোর্টে প্রতিবেদন ​শিশুদের নিকটাত্মীয় বা সরকারি শিশু পরিবারে রাখার সুপারিশ

ফের আলুর কেজি ৫০ টাকা

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ১২৫৪ বার পড়া হয়েছে
ফাইল ছবি

আলুর বাজারের অস্থিরতা কাটাতে দুই দফা মূল্য নির্ধারণ করে দেয় সরকার। খুচরায় প্রথমে ৩০ টাকা নির্ধারণ করলেও ব্যবসায়ীদের আপত্তি থাকায় পরে তা ৫ টাকা বাড়িয়ে ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত খুচরা বাজারে সে দামের প্রতিফলন দেখা যায়নি।

পাইকারি বাজারে বেঁধে দেওয়া দাম না মানায় বাজার মনিটরিং জোরদারের কারণে ব্যবসায়ীরা এখন তা মেনে নিলেও বাধ সেধেছেন খুচরা বিক্রেতারা। আর নিত্যপণ্যের বাজার স্বাভাবিক রাখতে সরকারকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ বিশিষ্টজনদের।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ও পাইকারি বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

এদিন মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি বাজার, কমলাপুর, ফকিরাপুল, খিলগাঁও, মালিবাগ, মালিবাগ রেলগেট বাজার, রামপুরা, মগবাজার ও কারওয়ান বাজারের খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলু ৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। তুলনামূলক ছোট, কাটা আলু এবং বড় আলু একত্রে বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা কেজিতে।

এসব বাজারের বিক্রেতারা বলছেন, ‘পাইকারি বাজারে আলুর দাম অনেক বেশি। প্রতি বস্তায় ৫ কেজি আলু নষ্ট (কাটা ও পঁচা) হয়, পরিবহণ ভাড়া, লেবার খরচ রয়েছে। এক্ষেত্রে দাম কমানো না হলে আমরা কম মূল্যে আলু দিতে পারবো না। ’

এ বিষয়ে মগবাজার বাজারের খুচরা বিক্রেতা হানিফ বলেন, ‘পাইকারি বাজারে আলুর দাম কমানো হয় না। সেখানে কমালে আমাদের এখানেও কমে আসবে। আমরাতো এখন বেশি আলু কিনতে পারি না, যদি বিক্রি না হয়। আবার বেশি দাম বলায় জরিমানাও গুনতে হয়। ’

কারওয়ান বাজারের খুচরা বিক্রেতা মতিয়ার বলেন, ‘পাইকারি বাজারে দাম সব সময়ই বাড়তি থাকে। তবে মিডিয়ার গাড়ি কিংবা বাজার মনিটরিং হলেই পাইকারি বিক্রেতাদের চার্টে দামের পরিবর্তন করা হয়। ’

বিক্রমপুর বাণিজ্যলয় ও আড়তদার ব্যবসায়ী হানিফ বলেন, ‘আমাদের মূল সমস্যা তৈরি করছে হিমাগার। সেখান থেকে ন্যায্য মূল্যে আলু ছাড়া হয় না। আমার আড়তে ৩৫ টাকায় আলু এসেছে, এখন আমি কত টাকায় বিক্রি করবো বলেন? এরপরও লোকসান দিয়ে ৩০ থেকে ৩২ টাকার মধ্যে আলু ছেড়ে দেই, বিক্রি করতে হবে তাই। ’

নিত্যপণ্যের লাগামহীন দাম বিষয়ে দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান ও কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশনের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ‘নিত্যপণ্যের লাগামহীন দাম নিয়ন্ত্রণে আসুক, এটা সব ভোক্তা চায়। তবে দাম কেনো কমছে না এটা সবাই জেনেছেন। এ বিষয়ে সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে তবেই দাম কমবে আলু, পেঁয়াজসহ অন্য পণ্যের। ’

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট