শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
Title :
এনবিআরের দাবি বৈধ: ড. ইউনূসের ‘গ্রামীণ কল্যাণ’কে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের রংপুরে গণপতি পরিবার হত্যা: বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে করা রিটের শুনানি ৮ সপ্তাহ মুলতবি অবসরের পর বিচারপতিদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন ‘সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন’: হাইকোর্ট অর্থঋণ আদালত আইনের ১৮(২) ও ১৮(৩) ধারা কেন অসাংবিধানিক নয়: হাইকোর্টের রুল গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে পুলিশকে কোনো বেআইনি নির্দেশনা দেবে না কমিশন : সিইসি এনআইডিতে ছবির বিকল্প নেই, হাইকোর্টে রুল খারিজ চেকের মামলায় পাওনা শোধ ও সমঝোতা হলে কারাদণ্ড নয়: হাইকোর্ট রংপুর আইনজীবী সমিতিতে ভোটাধিকার ও ‘কালাকানুন’ বাতিলের দাবিতে দিনভর উত্তেজনা: সন্ধ্যায় সমঝোতা

বিচারকের খাস কামরায় পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

বিচারকের খাস কামরায় পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক, আদালত বার্তা | ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর বিচারকের খাস কামরায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধর ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা রেলওয়ে থানার এসআই মোহাম্মদ আলী।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৯ আগস্ট ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে ব্যাগ তল্লাশি নিয়ে সাকিব আল হাসান নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের বিরোধ হয়। পরে তাকে থানায় নেওয়া হলে তিনি নিজেকে আদালত-১০-এর কর্মচারী হিসেবে পরিচয় দেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিচারকের সঙ্গে কথা বলে তখন নিষ্পত্তি করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ওই ব্যক্তি হুমকি দেন বলে দাবি করেন এসআই মোহাম্মদ আলী। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
এরপর বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য মঙ্গলবার আদালত-১০-এর বিচারক শাহিদুল ইসলামের খাস কামরায় যান এসআই মোহাম্মদ আলী। তাঁর অভিযোগ, সঙ্গে থাকা অন্যদের বাইরে রেখে তাকে একা কক্ষে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। সেখানে বিচারকের কর্মচারীসহ কয়েকজন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে দরজা বন্ধ করে একজন তাকে পেছন থেকে মারধর করেন।
এসআই মোহাম্মদ আলী দাবি করেন, ঘটনার সময় একজন ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন। পরে তাকে ওই ব্যক্তির সঙ্গে হাত মেলাতেও বাধ্য করা হয়। ঘটনার পর তিনি মিটফোর্ড হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন বলে জানান।
ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন এসআই মোহাম্মদ আলী। পুলিশ কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি জানিয়েছেন বলে দাবি তাঁর।
তবে মারধরের অভিযোগের স্বাধীন ও চূড়ান্ত প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। কথিত ভিডিও, সিসিটিভি ফুটেজ ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট বিচারকের বক্তব্যও অভিযোগের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে খাস কামরার সিসিটিভি ফুটেজ, কথিত ভিডিও, জিডি, চিকিৎসা নথি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো পক্ষকে দায়ী করে চূড়ান্ত মন্তব্য না করার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট