শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ন
Title :
এনবিআরের দাবি বৈধ: ড. ইউনূসের ‘গ্রামীণ কল্যাণ’কে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের রংপুরে গণপতি পরিবার হত্যা: বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে করা রিটের শুনানি ৮ সপ্তাহ মুলতবি অবসরের পর বিচারপতিদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন ‘সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন’: হাইকোর্ট অর্থঋণ আদালত আইনের ১৮(২) ও ১৮(৩) ধারা কেন অসাংবিধানিক নয়: হাইকোর্টের রুল গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে পুলিশকে কোনো বেআইনি নির্দেশনা দেবে না কমিশন : সিইসি এনআইডিতে ছবির বিকল্প নেই, হাইকোর্টে রুল খারিজ চেকের মামলায় পাওনা শোধ ও সমঝোতা হলে কারাদণ্ড নয়: হাইকোর্ট রংপুর আইনজীবী সমিতিতে ভোটাধিকার ও ‘কালাকানুন’ বাতিলের দাবিতে দিনভর উত্তেজনা: সন্ধ্যায় সমঝোতা

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিলের রিট খারিজ করলেন হাইকোর্ট

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিলের রিট খারিজ করলেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক, আদালত বার্তা,ঢাকা, ৩১ আগস্ট ২০২৬

​দণ্ডবিধির ১২৪(ক) ধারা বা রাষ্ট্রদ্রোহ আইনকে সংবিধানবিরোধী ও বাতিলযোগ্য ঘোষণা চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

​আদালতে রিট আবেদনটির পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। রিট খারিজ হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে তারা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করবেন।

​এর আগে দণ্ডবিধির ১২৪(ক) ধারা বা রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন তিনি।

​বিতর্কিত এই আইনে বলা হয়েছে— কোনো ব্যক্তি যদি লিখিত বা উচ্চারিত কথা, উক্তি, চিহ্নাদি বা দৃশ্যমান কোনো প্রতীকের সহায়তায় অথবা অন্য কোনোভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে বৈধভাবে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে, অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে ওই ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এর সাথে অর্থদণ্ডও যোগ করা যাবে।

​রিট আবেদনে বলা হয়েছিল, এই রাষ্ট্রদ্রোহ আইনের মাধ্যমে নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারের বিরুদ্ধে মতপ্রকাশের অধিকার প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে।

​রিটে আরও উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্রদ্রোহিতার এই আইনটি মূলত ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলের একটি আইন। সে সময়কার স্বাধীনতা আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে এটি প্রণীত হয়েছিল, যা বর্তমান স্বাধীন দেশের একটি গণতান্ত্রিক সংবিধানের সঙ্গে পুরোপুরি অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট