বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন
Title :
এআই দিয়ে ভুলেও যে ১১টি কাজ করবেন না প্রযুক্তির সুবিধার পাশাপাশি রয়েছে গুরুতর ঝুঁকি, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে প্রয়োজন মানবিক বিবেচনা ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ প্রশ্ন করা সাংবাদিকের পেশাগত অধিকার: রাজনৈতিক মতাদর্শ ফৌজদারি অপরাধ নয় বাংলাদেশ কি সত্যিই গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হতে পেরেছে?  রাজনৈতিক বিভাজন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও প্রতিহিংসার রাজনীতির অন্তরালে সংকট—উত্তরণের পথ কোনটি? ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.): মহানবীর জীবনাদর্শে শান্তি, মানবতা ও ন্যায়ের আহ্বান ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তি: ন্যায়বিচারের সহায়ক নাকি অতিনির্ভরতার ঝুঁকি? কোচিং সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন না জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যরা যে কারণে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেলেন ১০ আসামি নুসরাত হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ে প্রমাণের গুরুত্ব ও বিচারিক বিচক্ষণতার প্রশ্ন বাংলাদেশ: রাজনৈতিক বিরোধীদের অনির্দিষ্টকালীন বিচার-পূর্ব আটক বন্ধ করুন – হিউম্যান রায়টস ওয়াচ নুসরাত হত্যা মামলায় হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায় ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ডের বদলে ২ জনের ফাঁসি বহাল, ১০ জন খালাস; ৪ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড দ্রুত বিচার নয়, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়াই ন্যায়বিচারের মূল ভিত্তি নতুন করে আলোচনায় বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি।

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ঢালাও মামলা নিয়ে সম্পাদক পরিষদের বিবৃতি

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৪২৪ বার পড়া হয়েছে

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ঢালাও মামলা নিয়ে সম্পাদক পরিষদের বিবৃতি
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃসেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪

ঢালাও অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার ঘটনা এখনও অব্যাহত রয়েছে। সম্পাদক পরিষদ দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চায়, এ ধরনের মামলা প্রচলিত আইনের অপব্যবহারের শামিল। একইসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিশ্রুতিরও লঙ্ঘন বলে জানান তারা।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সম্পাদক পরিষদের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিকরা কোনও অপরাধ করে থাকলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ধারা অনুসরণ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। সম্পাদক পরিষদ আরও জোর দিয়ে বলতে চায়, পেশাদারত্ব বাদ দিয়ে নীতি বিবর্জিত ও লেজুড়বৃত্তির সাংবাদিকতা বর্জনীয়। যেসব সাংবাদিক বিগত সরকারের নানা নিপীড়নমূলক কর্মকাণ্ডে সাংবাদিকতার নামে সমর্থন দিয়েছেন, প্রেস কাউন্সিলে একটি কমিটি গঠন করে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও অনুসন্ধান হতে পারে। সেখানে দোষী সাব্যস্ত হলে প্রেস কাউন্সিল আইনে তাদের সাজা হতে পারে। তাদের অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রে প্রেস কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে প্রচলিত আইনে বিচার চলতে পারে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিগত সরকারের সময়ে ডিএসএ/সিএসএসহ নিবর্তনমূলক বিভিন্ন আইন ও হয়রানিমূলক আটক-গ্রেফতারের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের যে প্রয়াস চালানো হয়েছিল, তা বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে অত্যন্ত নিন্দিত ও সমালোচিত হয়েছিল। আর বর্তমানে সাংবাদিকদের নামে এভাবে ক্রমাগত হত্যা মামলা দেওয়ার প্রবণতাও আন্তর্জাতিক অঙ্গণে অন্তর্বর্তী সরকারের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করছে বলে সম্পাদক পরিষদ মনে করে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট