1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
সুপ্রিম কোর্টের মামলায় ‘নোটিশ জালিয়াতি’ ঠেকাতে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ৬ নির্দেশনা - আদালত বার্তা
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাজী নিয়োগে ৩ সদস্যের প্যানেল থেকে সিদ্ধান্তে গড়িমসি বেআইনি—হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ আবেগ নয়, আইনের পথে: মামলা করার আগে পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্ব বাড়ছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘চীন-বাংলাদেশ ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন’ উদ্বোধন: সমুদ্র গবেষণায় নতুন দিগন্ত বিয়ে করে অপরাধ করেননি নাসির-তামিমা: খালাসের রায়, আপিলের ঘোষণা বাদীপক্ষের। বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় আজ একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে নাসির-তামিমা-রাকিব মামলায় বিচারের রায় আজ। স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ’লীগ নেতাকর্মীরা: তথ্য উপদেষ্টা স্বাধীন বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠার হাইকোর্টের রায় স্থগিত: আপিল শুনানি ১৬ জুন শেখ হাসিনাসহ অনেকেরই আপিলের সময় শেষ, দণ্ডিতদের সামনে এখন কোন পথ? “আইন জানুন, সচেতন থাকুন” — অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে অধিকার রক্ষার আলোয় পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলা আসামি সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

সুপ্রিম কোর্টের মামলায় ‘নোটিশ জালিয়াতি’ ঠেকাতে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ৬ নির্দেশনা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

সুপ্রিম কোর্টের মামলায় ‘নোটিশ জালিয়াতি’ ঠেকাতে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ৬ নির্দেশনা
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ৩ জুন ২০২৬
সুপ্রিম কোর্টের মামলায় ‘নোটিস জালিয়াতি’ রোধে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস ছয়টি নতুন নির্দেশনা দিয়েছে, যা ১৪ জুন থেকে কার্যকর হবে।
মঙ্গলবার (২ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নোটিস জালিয়াতির বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।
মঙ্গলবার অবকাশকালীন এনেক্স ভবনের ১৪ নম্বর কোর্টে বেশ কয়েকটি মামলার মূল আবেদনের টেন্ডার নম্বরের সঙ্গে নোটিসে দেওয়া টেন্ডার নম্বরের ‘গরমিল’ পাওয়া যায়।
অনৈতিক সুবিধা নিতে এ ‘জালিয়াতির’ বিষয়টি ধরা পড়লে আদালত ওই দিনের কার্যতালিকা থেকে ১৬টি আইটেম বাদ দেয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়েছে।
এছাড়া মামলার মূল আবেদনে শনাক্তকারী আইনজীবী এবং নোটিসে স্বাক্ষরকারী আইনজীবীর মধ্যে ভিন্নতাও লক্ষ্য করা গেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
“কতিপয় ব্যক্তির এমন অনৈতিক কাজের কারণে আইনজীবী ও বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতদের বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে।”
নির্দেশনায় বলা হয়, মামলার মূল আবেদনে শনাক্তকারী ও নোটিসে স্বাক্ষরকারী আইনজীবী একই ব্যক্তি হতে হবে। মামলার এফিডেভিট করার সাত দিনের মধ্যে নোটিস জারি করতে হবে এবং জমা দেওয়া নোটিসে টেন্ডার নম্বর অবশ্যই টাইপ করা থাকতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, এফিডেভিট শেষে মূল আবেদনপত্রের (ব্লু কপি) ফটোকপি ও ওকালতনামার উভয় পৃষ্ঠাসহ নোটিস জমা দিতে হবে।
এছাড়া কোনো আদালতে আগে দাখিল করা মামলা নতুন করে অন্য আদালতে তালিকাভুক্ত করতে হলে নতুন নোটিসের সঙ্গে আগের নোটিসের অনুলিপি যুক্ত করার বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়েছে নির্দেশনায়।
নির্দেশনাগুলো আইনজীবীদের জানাতে এর মধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক বরাবর বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট