আওয়ামী লীগের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে সত্যতা মেলেনি: স্পিকার
আদালত বার্তা ডেস্কঃ১১ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিশ্ব আন্তঃসংসদীয় ইউনিয়নে (আইপিইউ) করা অভিযোগের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে তানজানিয়ায় আইপিইউর কনভেনশন শেষে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
স্পিকার বলেন, গত এপ্রিলে ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত আইপিইউর ১৫২তম অ্যাসেম্বলিতে আওয়ামী লীগের নেতারা বাংলাদেশে তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উত্থাপন করেন। ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইপিইউর সদস্যদের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসে পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যালোচনা করে।
তার দাবি, তদন্ত শেষে আওয়ামী লীগের উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি এবং এ-সংক্রান্ত কালো তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
স্পিকার আরও বলেন, আইপিইউর প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের মানুষের দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বিষয়গুলো সম্পর্কে অবহিত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরার ফলে দেশ সম্পর্কে পূর্বে তৈরি কিছু ধারণার পরিবর্তন হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের নেতৃত্বে বাংলাদেশ
স্পিকার জানান, আইপিইউর এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের (এপিজি) সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ নির্বাচিত হয়েছে। আগামী এক বছর তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ অক্টোবর তিনি ভুটানের স্পিকার টেম্পা দর্জির কাছ থেকে এপিজির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন।
একই দিনে আইপিইউর ১৫৩তম অ্যাসেম্বলিতে এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের পক্ষ থেকে নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী।
স্পিকার বলেন, আন্তর্জাতিক সংসদীয় অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব জোরদার করতে এ দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক
৫ থেকে ৯ অক্টোবর তানজানিয়ায় অনুষ্ঠিত আইপিইউ কনভেনশনে বাংলাদেশ থেকে ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।
স্পিকারের ভাষ্য অনুযায়ী, কনভেনশনের বিভিন্ন পর্যায়ে অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, বাহরাইন, ভুটান, কানাডা ও তুরস্কের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গেও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, এসব বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।
আইপিইউর এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপে বর্তমানে ৩৭টি দেশ সদস্য রয়েছে। বাংলাদেশের এ গ্রুপের নেতৃত্ব গ্রহণ আন্তর্জাতিক সংসদীয় কূটনীতিতে দেশের অবস্থান আরও দৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চাইলে এটিকে আমি আরও তীক্ষ্ণ অনলাইন নিউজ ভার্সন, সম্পাদকীয়ধর্মী বিশ্লেষণ, অথবা ১৬:৯ ব্যানারের জন্য সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও উপশিরোনামসহ তৈরি করে দিতে পারি।