বিশেষ প্রতিবেদক, ঢাকা:১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ও ছেলে কি পড়ে
একটি রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি এস. এম. কুদ্দুস জামান এবং বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের ডিভিশন বেঞ্চ এক যুগান্তকারী রায় প্রদান করেছেন। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, প্রতিটি পরোয়ানা ইস্যুকারী আদালতের অনলাইন সিস্টেম বা সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে নিশ্চিত না হয়ে কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না।
প্রেক্ষাপট ও রিট আবেদন
সম্প্রতি ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানায় সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও আটকের একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। একটি রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টি আমলে নিয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এই নির্দেশ দেন। ভুয়া পরোয়ানার মাধ্যমে হয়রানি রোধে এই রায়কে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
আদালতের যুক্তি ও রায়
আদালত তার রায়ে স্পষ্ট করেছেন যে, পরোয়ানা পেলেই যাচাই-বাছাই ছাড়া তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না। নাগরিকের স্বাধীনতা ও আইনি অধিকার রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক দায়িত্ব হলো পরোয়ানার সত্যতা যাচাই করা। আদেশে বলা হয়েছে, গ্রেফতারের আগে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট পরোয়ানা ইস্যুকারী আদালতের অনলাইন ভেরিফিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করতে হবে। যদি অনলাইন সিস্টেম না থাকে, তবে ইস্যুকারী আদালতের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে পরোয়ানার সত্যতা নিশ্চিত হতে হবে।
পরবর্তী পদক্ষেপ ও প্রতিক্রিয়া
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, হাইকোর্টের এই আদেশের ফলে জালিয়াতি করে ভুয়া ওয়ারেন্ট জারির প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। এই নির্দেশনার যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য দেশের সকল আদালতের ওয়ারেন্ট ব্যবস্থাপনা দ্রুত অনলাইন ভেরিফিকেশন সিস্টেমের আওতায় আনার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।