ডিবি কর্মকর্তা নাজমুলসহ ৪ জনকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ।
নিউজ ডেস্ক, আদালত বার্তাঃ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায়, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এর সাবেক সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. নাজমুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) তদন্ত প্রতিবেদন আদালত আমলে নিয়েছে। আদালত তাদেরকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার, ১৫ জুলাই, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম শুনানির শেষে এ আদেশ দেন। আদালত আগামী ১৯ আগস্ট, মামলার আসামিদের হাজির হতে বলেছে।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন ধানমণ্ডি থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সাইদুর রহমান হাবিব এবং মোকাররম হোসেন জিমি।
আদালত সূত্রে জানা গেছে যে, এদিনের শুনানিতে মামলার বাদী মজুমদার আরিফুর রহমান উপস্থিত ছিলেন এবং তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নেওয়া হয়।
বাদীপক্ষের আইনজীবী আফজাল হোসেন মৃধা পরে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
এর আগে, ২০২৪ সালে ভুক্তভোগীর ভাই মজুমদার আরিফুর রহমান আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত সিআইডিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা প্রদান করে।
তদন্ত শেষে সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ গত ২১ মে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন।
সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, হুমকি ও অপরাধে সহায়তার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা গেছে, ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে এএসআর কম্পিউটারাইজড সোয়েটার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মালিক আতিকুর রহমান এবং সাইদুর রহমান হাবিবের মধ্যে বিরোধ
সৃষ্টি হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, ওই বিরোধের কারণে আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় এবং পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকালে তার কাছ থেকে চাপ প্রয়োগ করে চেকে স্বাক্ষর নেওয়া এবং সমঝোতার নামে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগের সত্যতা সিআইডি উল্লেখ করেছে।
তদন্তে মো. নাজমুল হক, মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সাইদুর রহমান হাবিব ও মোকাররম হোসেন জিমির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৫০৬ ও ১০৯ ধারায় অপরাধের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।