1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
বার বার পড়ে যে দাড়াতে জানে জয তারই হয়। - আদালত বার্তা
শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্টে সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ দেশজুড়ে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে।৭৩ বছরের রেকর্ডে আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতি আর কখনো দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।  বাংলাদেশের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানোর পরিকল্পনা নেই জাতিসংঘের। রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয় : রিজওয়ানা সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে মামলাজট কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস প্রধান বিচারপতি অবকাশ শেষে খুলেছে সুপ্রিম কোর্ট, প্রধান বিচারপতির প্রথম কার্যদিবস তিন মূল লক্ষ্যকে সমনে রেখে সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর অভিযান। দেশে প্রথম বিশেষায়িত বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা: অধ্যাদেশ জারি অবকাশকালীন ছুটি শেষে কাল খুলছে সুপ্রিম কোর্টে।

বার বার পড়ে যে দাড়াতে জানে জয তারই হয়।

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫
  • ৩৯১ বার পড়া হয়েছে

বার বার পড়ে গিয়েও যে দাড়াতে জানে জয় তারই হয়।

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক,সম্পাদক, আদালত বার্তাঃ২৮ জুন ২০২৫।

শচীন টেন্ডুলকার, যাকে ক্রিকেট ঈশ্বর বলা হয়, তিনি আউট হয়েছেন যতবার, আপনি হয়তো জীবনে ততবার ব্যাটও ধরেননি। কিন্তু তিনিই হয়েছেন বিশ্ব ক্রিকেটের এক নক্ষত্র—কারণ তিনি হার মানেননি। তাই প্রশ্ন নয়, অনুপ্রেরণা খুঁজুন।

মার্ক জুকারবার্গ যখন প্রেমিকাকে হারালেন, তখন তিনি ভেঙে পড়েননি। বরং সেই কষ্টকে রূপ দিলেন এক বিশাল আবিষ্কারে—ফেসবুক। আজ তিনি শুধু একজন টেক উদ্যোক্তা নন, তিনি বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের একজন। আপনি হলে হয়তো হতাশায় নিজেকে নিঃশেষ করতেন। কিন্তু সফলতার পথ তৈরি হয় এমনই অদ্ভুত ঘটনাগুলো থেকেই।

টমাস আলভা এডিসন, বৈদ্যুতিক বাল্ব আবিষ্কারের আগে ৯৯৯ বার ব্যর্থ হন। কিন্তু তিনি থেমে যাননি। কারণ তিনি জানতেন, একদিন ঠিকই আলো জ্বলবে। যদি এডিসন ব্যর্থতাকে ভয় পেতেন, তাহলে আজ হয়তো পৃথিবী অন্ধকারেই থাকত। অথচ আপনি একটি পরীক্ষায় ফেল করলেই ভাবেন, ‘আমার দ্বারা আর হবে না!’ এটা নয়, নিজেকে জিজ্ঞেস করুন—”আমি আবার চেষ্টা করব তো?”

রাইট ভ্রাতৃদ্বয় আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন সাইকেলের গ্যারেজে বসে। হাজারবার ব্যর্থ হয়েছেন, কিন্তু একবার সফল হতেই বদলে গেছে মানব সভ্যতার গতি। আকাশে উড়ছে বিমান, উড়ছে মানুষের ইচ্ছাশক্তি। কারণ তারা হার মানেননি। আপনি হয়তো এখনও ভালো করে আকাশে পাখির উড়াও দেখা হয়ে ওঠেনি। কিন্তু তাও দোষ পাখির নয়—দোষ আপনার ইচ্ছার অভাবে।

জীবন কোনো সরলরেখা নয়। এখানে উত্থান আছে, পতন আছে। তবে পতনের পরও যারা উঠে দাঁড়ায়, তারাই জয়ী হয়। ছোটবেলায় আপনি হাঁটতে শেখার সময় বহুবার পড়ে গেছেন। কিন্তু দেয়াল ধরে উঠে দাঁড়িয়েছেন, হাঁটতে শিখেছেন। এখন কেন ভয়?

জীবন এমন এক যুদ্ধক্ষেত্র, যেখানে প্রতিনিয়ত আমাদের পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়। কখনও সেই পরীক্ষা আসে ব্যর্থতার ছায়ায়, কখনও হতাশার অন্ধকারে। কিন্তু মনে রাখবেন, ইতিহাসের প্রতিটি সফল মানুষও একসময় ছিলেন অচেনা, উপহাসের পাত্র, কিংবা হার মানা এক সাধারণ মানুষ। পার্থক্য ছিল একটাই—তারা থেমে যাননি।

জীবনের সবচেয়ে বড় সত্য হলো, শুরুটা আপনাকেই করতে হবে। কেউ এসে আপনার হাত ধরে বলবে না, “চলো তুমি পারবে।” আপনাকেই নিজের মনে সেই প্রতিজ্ঞা করতে হবে—”আমি থামব না, যতদিন না জিতি।”

সফলতা কোনো যাদুর গল্প নয়, এটা কঠোর পরিশ্রম আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির ফল। আপনার জন্ম জেতার জন্যই। তাই ব্যর্থতা আসবেই, কিন্তু সেটাই শেষ নয়। নিজেকে বলুন, “হারব না, থামব না, আমিও পারব।” একদিন ঠিকই জিতে যাবেন—কারণ আপনার রক্তে আছে সম্ভাবনা, আর মনে আছে আগুন!

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট