1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
মুফতি কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীমের কারাদণ্ড - আদালত বার্তা
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজনীতি কি ক্রমেই জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে? ঢাকার জনঘনত্ব কমাতে এখনই দরকার সমন্বিত বিকেন্দ্রীকরণ কৌশল। একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট ক্ষতিপূরণ নয়, অধিকার প্রতিষ্ঠাই মুখ্য: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর প্রাসঙ্গিকতা মিথ্যা মামলা গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভুয়া দাবি, জীবিত মানুষকেও দেখানো হয় মৃত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ের ঘটনার অন্তত ১৪টি ভুয়া মামলার সন্ধান পেয়েছে পিবিআই সিটি করপোরেশন: সংবিধানসম্মত পরিচালনা নিয়ে প্রশ্ন দেড় বছরে ১৫ বিচারপতির বিদায়, অন্যদের জন্য ‘সতর্কবার্তা সেলিনা হায়াৎ আইভীকে হাইকোর্টের দেওয়া জা’মিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। শাহবাগে এক নারীর একক প্রতিবাদ: “ঢাকা বাঁচাতে হকার উচ্ছেদ জরুরি”—বিতর্কের কেন্দ্রে নতুন প্রশ্ন আইন অঙ্গনে টিকে থাকার লড়াই: একজন দক্ষ আইনজীবীর করণীয়

মুফতি কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীমের কারাদণ্ড

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৩৮০ বার পড়া হয়েছে

 

মুফতি কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীমের কারাদণ্ড

  1. অনলাইন ডেস্ক নিউজ আদালত বার্তাঃ১৭ জানুয়ারি ২০২৩।
    মুফতি কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীমকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে বিভিন্ন ‘আপত্তিকর বক্তব্য’ দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় ট্রাইব্যুনালে দোষ স্বীকার করায় তাকে দণ্ড দেওয়া হয়।

সোমবার (১৬ জানুয়ারি) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম জুলফিকার হায়াতের আদালতে তিনি দোষ স্বীকার করেন। অভিযোগ গঠনে দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করায় গ্রেপ্তারের পর থেকে এ পর্যন্ত তার কারাগার ভোগকে সাজা হিসেবে প্রদান করেন আদালত।

সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নজরুল ইসলাম শামীম বলেন, অভিযোগ গঠনের শুনানিতে মুফতি কাজী ইব্রাহীম আদালতে দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এরপর আদালত তার গ্রেপ্তারের পর থেকে এ পর্যন্ত যত দিন কারাভোগ করেছেন, তা সাজা হিসেবে আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি কাজী ইব্রাহীম তার বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিল ও খুতবার সময় মিথ্যা উসকানিমূলক ও ভীতিপ্রদর্শক সংবলিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ করেন। প্রচারিত ভিডিও সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদকালে তিনি এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

এ ছাড়া জিজ্ঞাসাবাদে উসকানিমূলক ভিডিওগুলোতে প্রচারিত বক্তব্য তার নিজের বলে স্বীকার করেন। তিনি ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, আক্রমণাত্মক ও ভীতি প্রদর্শনমূলক বিভিন্ন ভিডিও প্রচার ও প্রকাশ করে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ২৫/৩১/৩৫ ধারায় অপরাধ করেছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট