বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
Title :
দুজন স্থানীয় সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া তল্লাশি ও জব্দ বেআইনি: হাইকোর্ট সনদ হওয়ার পর, দক্ষতা ও সততাই নতুন আইনজীবীর পেশাগত পরিচয়ের ভিত্তি ধানমন্ডির ফুটপাতে বয়স্ক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে মারধর ভাইরাল ভিডিওর ঘটনায় যুবক আটক পরকালের জীবনে বিশ্বাসে এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ, ৯৮.৮ শতাংশ মানুষের বিশ্বাস মানবতাবিরোধী অপরাধে ১০ বছরের সাজা বাতিল চেয়ে আপিল করলেন হাসানুল হক ইনু চাকরিতে অর্জিত অধিকার ও পদোন্নতির যোগ্যতা নতুন বিধিতে বাতিল করা যাবে না: হাইকোর্ট ৩৫ বছর বয়সের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধের উদ্যোগ: আইনমন্ত্রী ছয় দশকে বদলে গেছে চারপাশ, রয়ে গেছে এরোপ্লেন মসজিদের ঐতিহ্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে ৬৬৬ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায়ের নির্দেশ হাইকোর্টের কারাগারে বন্দি মায়ের সঙ্গে ৩০৩ শিশু: হাইকোর্টে প্রতিবেদন ​শিশুদের নিকটাত্মীয় বা সরকারি শিশু পরিবারে রাখার সুপারিশ

ইতিহাসের পাতা হতে নেওয়া অজানা একটি স্মৃতি বিজড়িত ঘটনা হার্ডিঞ্জ ব্রিজ।

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ মে, ২০২৩
  • ৪৯৭ বার পড়া হয়েছে
  • ইতিহাসের পাতা হতে নেওয়া অজানা একটি স্মৃতি বিজড়িত ঘটনা হার্ডিঞ্জ ব্রিজ।

ডেস্ক নিউজ আদালত বার্তা :৪ মে ২০২৩।

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ রেল সেতুটি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশি থেকে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলা পর্যন্ত যুক্তকারী একটি রেলসেতু। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ রেলসেতু হিসেবে পরিচিত।

১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে এই সেতু নির্মাণের সমীক্ষা শুরু হয়। ১৯১০-১১ খ্রিষ্টাব্দে পদ্মার দুই তীরে সেতু রক্ষার বাঁধ নির্মাণ হয়। ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে সেতুটির গাইড ব্যাংক নির্মাণের কাজ শুরু হয়। পাশাপাশি সেতুর গার্ডার নির্মাণের কাজ শুরু হয়। গার্ডার নির্মাণের জন্য কূপ খনন করা হয়। ২৪ হাজার শ্রমিক দীর্ঘ ৫ বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ করেন। তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন লর্ড হার্ডিঞ্জ। তার নামানুসারে সেতুটির নামকরণ করা হয় হার্ডিঞ্জ ব্রীজ। সেতুটির নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল ৩ কোটি ৫১ লক্ষ ৩২ হাজার ১ শত ৬৪ টাকা। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৫ হাজার ৮ শত ফুট। ব্রিজটিতে ১৫টি স্প্যান আছে। ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে মুক্তিযুদ্ধের সময় সেতুটিতে বোমা ফেলা হলে ১২ নম্বর স্প্যানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় পদ্মার ওপারের মানুষের সাথে এপারের মানুষের।

রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, তখন এগিয়ে আসে ভারত সরকার। ১৯৭২ সালে ভারতের সহায়তায় টেম্পোরারি সেতু চালু করা হয়, অন্য এলাকা থেকে একটা স্প্যান এনে । সিঙ্গেল লাইন চালু হয়েছিল । পরে ১৯৭৪ সালে ভারত থেকে নতুন ভাবে একটা স্প্যান এনে ভাল ভাবে ডাবল লাইন সেতু চালু করে হয়।

দুর্লভ এই ছবিটা স্বাধীনতার পর পর টেম্পোরারি ভাবে চালু হওয়ার চিত্র, লোকোমোটিভ হিসেবে ছিল ৬১১৪

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট