বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
Title :
আদালতে আইনজীবীর পোশাক: ঐতিহ্য, প্রতীক ও পেশাগত মর্যাদার প্রতিফলন বাংলাদেশের প্রথম নারী পাইলট রোকসানা: স্বপ্ন, সংগ্রাম ও এক মর্মান্তিক ইতিহাস প্রফেসর কাবেরী গায়েনকে ঘিরে বিতর্ক,অভিযোগ, প্রতিক্রিয়া ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপট ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার বক্তব্য ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করলেন জয়সওয়াল বিদ্বেষমূলক কথা ছাড়া শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আইনি বাধা নেই: চিফ প্রসিকিউটর গাজীপুরে ভূমি অফিসে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য: অনিয়ম-অবহেলায় একযোগে বরখাস্ত ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশি সেবা আরও কার্যকর করতে ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনা সিস্টেম পরিচালনা করতে বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়াদের সুবিধার্থে ডিএমপি’র বিশেষ নির্দেশনা ৩০ নভেম্বরের পর অকার্যকর হবে পুরোনো বিআইএন, নতুন নম্বর নেওয়ার নির্দেশ শান্তিরক্ষা মিশনে স্পেশাল প্লাটুন পাঠাতে কমিটি ইসরাইলকে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের পর্যাপ্ত সমরাস্ত্র নেই: মার্কিন জেনারেল

আজও টিকে আছে পরিবারের যেসব ধরন

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৫৭২ বার পড়া হয়েছে

আজও টিকে আছে পরিবারের যেসব ধরন
বিশেষ প্রতিবেদন,আদালত বার্তাঃ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।

পরিবার শব্দটি শুধু বাবা, মা ও সন্তানদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। মানুষ আরও অনেকভাবে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। রক্তের সম্পর্ক ছাড়া বোঝাপড়ার শর্তেও অনেকের সঙ্গে থাকা যায়। তবে পরিবারগুলো বিভিন্ন সামাজিক নিয়ম ও পরিকল্পনার মধ্য দিয়েই আসে। এসব পরিবার শুরুতে যেমন ছিল, আজ তেমন নেই। সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রয়োজনে পরিবারের ধরণে এসেছে নানা পরিবর্তন। বর্তমানে যেসব সমাজ দেখা যায়, সেগুলোকে মোটামুখি ছয়টি ধরনে ভাগ করা যায়।

১. ক্ষুদ্র পরিবার

ক্ষুদ্র পরিবারের উদ্ভব হয়েছে অনেক আগেই। বর্তমানে আমরা যেসব পরিবার দেখি, সেগুলোর অধিকাংশই ক্ষুদ্র পরিবার। এই পরিবার সাধারণত মা-বাবা এবং সন্তান নিয়ে গঠিত হয়ে থাকে। এই পরিবারের শিশুরা ‘বায়োলজিক্যাল’ কিংবা দত্তক হতে পারে। আর মা-বাবা ভিন্ন কিংবা সমলিঙ্গের হতে পারেন। এই পরিবারের ভিত্তি হলো, মা-বাবা একই বাড়িতে থেকে একসঙ্গে সন্তান লালন-পালন করেন। আর ক্ষুদ্র পরিবার সারা বিশ্বে সামাজিক নিয়মে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ পরিবারই ক্ষুদ্র পরিবার।

২. একক মা কিংবা একক বাবা পরিবার

এ ধরনের পরিবার এক বা একাধিক সন্তানের সঙ্গে একজন অভিভাবক নিয়ে গঠিত। এসব পরিবারের অভিভাবকরা স্বামী বা সঙ্গীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পরেও নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী একা থাকতে পারেন। একক অভিভাবকসম্পন্ন পরিবারগুলোকে আগে অবজ্ঞা করা হতো। কিন্তু এখন এটিও একটি স্বীকৃত পরিবার।

৩. বড় পরিবার

এ ধরনের পরিবারে তুলনামূলক বয়স্ক ব্যক্তিরাও থাকেন। এরা মূলত বিয়ে কিংবা রক্তের সম্পর্কের ভিত্তিতে এ ধরণের পরিবারের সদস্য হয়ে থাকেন। পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের পরিবার কমতে শুরু করে।

৪. নিঃসন্তান পরিবার

একটি নিঃসন্তান পরিবার শিশু ছাড়া মা-বাবাকে নিয়ে গঠিত হয়ে থাকে। অধিকাংশ সমাজ এই পরিবারকে সম্পূর্ণ পরিবার হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। তারা আশা করে, তাদের শেষ পর্যন্ত সন্তান হবে। যাই হোক, কিছু দম্পতি আছেন, যারা সন্তান ছাড়া বাঁচতে পছন্দ করেন।

৫. সৎ মা-বাবার পরিবার

এটি মিশ্র পরিবার হিসেবেও পরিচিত। তারা অন্যান্য ক্ষুদ্র পরিবারের দুটি অর্ধেক অংশ নিয়ে গঠিত, যা একটিতে মিশে যায়। পূর্ববর্তী পরিবারের দুজন ব্যক্তি মিলে একটি পরিবার তৈরি করেন। বিবাহবিচ্ছেদের ক্রমবর্ধমান হারের কারণে কয়েক বছর ধরে এসব পরিবার একটি স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেশির ভাগ মিশ্র পরিবারে মা-বাবা থাকেন শিশুদের ‘সহঅভিভাবক’ হিসেবে।

৬. দাদা-দাদির পরিবার

এ ধরনের পরিবারে দাদা-দাদি কিংবা নানা-নানিরা মা-বাবার ভূমিকা পালন করে থাকেন। এই পরিবারের সন্তানদের জীবনে সাধারণত বাবা-মা থাকেন না। ফলে তারা দাদা-দাদির কাছেই বড় হন। মা-বাবার মৃত্যু, বিচ্ছেদ, মাদকাসক্তি, অসুস্থতা, কারাবাস, সন্তানদের ছেড়ে চলে যাওয়া ইত্যাদি কারণে এ ধরনের পরিবারের সৃষ্টি হয়

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট