বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন
Title :
বিচারপতি আশফাকুল ইসলামের বিদায়ী ভাষণে বলেন — “বিচারকের পদ থেকে অবসর নেওয়া যায়, কিন্তু ন্যায়বিচারের আদর্শ থেকে নয়।” শর্টকাটের প্রজন্ম নাকি সংগ্রামের ভবিষ্যৎ? বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ মাসে গড়ে দুই মামলা নিস্পত্তির লক্ষ্য নির্ধারণ কর মামলায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে ঝুঁকছে এনবিআর দেনমোহর আদায়ের নীতিমালা তৈরি করতে হাইকোর্টের রুল চট্টগ্রামে দাফনের মাটিটুকুও গিলে খেয়েছে বন্যা পানিতে ভাসছে অবুঝ শিশু থেকে গবাদিপশু নারী মরদেহের পোস্টমর্টেমে নারী ডোম নিয়োগ চেয়ে হাইকোর্টে রিট ত্রাণ বিতরণে বিশৃঙ্খলা: বাস্তবতার স্বীকারোক্তি, নাকি প্রশাসনিক ব্যর্থতার গ্রহণযোগ্যতা? বিক্ষোভে উত্তাল নেপাল, তোপের মুখে বালেন্দ্র শাহ UD Case মানেই হত্যা নয়: অপমৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে আইনের প্রাথমিক অনুসন্ধান প্রক্রিয়া গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির নেতৃত্বে সুব্রত-তারিক

আসুন এই বর্ষা মৌসুমে ফলজ, বনজ, ঔষধি তিনটি বৃক্ষ রোপণ করে পরিবেশ রক্ষা করি।

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২০ মে, ২০২৩
  • ৩৯২ বার পড়া হয়েছে

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক আদালত বার্তা :২০ মে ২০২৩।

শস্য-শ্যামলা সুজলা সফলা আমাদের   এই বাংলাদেশ। ষড়ঋতুর এই দেশে কোন ফসল রোপন করা হলে যত্ন না নিলে ও প্রাকৃতিক ভাবে বেড়ে উঠে আমাদের এই দেশে গাছপালা। বর্তমানে বাংলাদেশে মানুষ  অনুভব করতে পারছে প্রকৃতিগতভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবের ফলে প্রচণ্ড দাবদাহে ফলে জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে আর এর থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে প্রকৃতির প্রতি নজর দিতে হবে রোপণ করতে হবে গাছপালা গড়ে তুলতে হবে সবুজায়ন। আর এই  গাছপালাই পারে একমাত্র আমাদেরকে রক্ষা করতে প্রচন্ড দাবদাহ হতে। বাংলাদেশের বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ  মাসকে মধুমাস বলা হয়। এই দুই মাসে প্রচুর ফল ফলাদি পাওয়া যায়। আর এই ফল-ফলাদির বীজ আমরা পেয়ে থাকি এই মাসগুলোতে। কমবেশি বাংলাদেশের সকল মানুষই ফল-ফলাদি খেয়ে থাকেন তারমধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হিসাবে

আপনার যারা আম, লিচু, কাঠাল, জাম মৌসুমি ফল খাবেন, খাবার পর তার বীজ/আঠি/বিচি/দানা/seeds গুলোকে ফেলে দেবেন না। সেগুলো ভালো করে পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে একটি কাগজে মুড়ে রেখে দিন। যদি কখনও কোথাও গাড়িতে করে দূরে ঘুরতে যান তবে সেই বীজগুলো অবশ্যই রাস্তার ধারের অনুর্বর ফাঁকা জমিতে একে একে ছিটিয়ে দিন।
আসছে বর্ষার মৌসুমে সেই বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নিবে। যদি এদের মধ্যে একটা গাছও বেচেঁ থাকে তবে সেটাই হবে এই পৃথিবীকে আপনার দেওয়া সবচেয়ে বড় উপহার। ফলের গাছ শুধু পরিবেশকে অক্সিজেন দিয়ে সতেজ রাখে না, ফল খাবার লোভে অনেক পাখি আসে গাছে গাছে।
যার ফলে পরিবেশের হারিয়ে যাওয়া ভারসাম্য রক্ষা হয়।
তাছাড়া ও এই গাছ হতে যাঁরা ফল খাবে বা ব্যাবহার করবে আপনার জন্য থাকবে নেকি ও সওয়াব।
বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ সচেতন মূলক ভাবে যদি এমনিভাবে এই বর্ষা মৌসুমে গাছের বীজ রোপন করেন তাহলে এই বীজ থেকে গাছ হবে আর গাছ থেকে পাব আমরা জীবন রক্ষাকারী অক্সিজেন। পাব গাছ থেকে কাট। তার সাথে পাবো প্রাকৃতিক ভারসাম্য। তাই সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে এই বৃক্ষরোপণ অভিযান।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews