1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
তিন বিচারপতিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেননি প্রধান বিচারপতি - আদালত বার্তা
বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট।  ঢাকার আবাসন সংকটের সমাধান হিসেবে নেওয়া পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প ৩১ বছরেও পুরোপুরি বাসযোগ্য হয়নি। সব দল না থাকলে নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক বলা যায় না’ নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়তে বললো যুক্তরাষ্ট্র নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: বদিউল আলম ইলন মাস্কের স্টারলিংক সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে অচল করে দিলো ইরান ফের বাড়তে পারে শীতের দাপট পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্টে সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ দেশজুড়ে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে।৭৩ বছরের রেকর্ডে আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতি আর কখনো দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।  বাংলাদেশের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানোর পরিকল্পনা নেই জাতিসংঘের।

তিন বিচারপতিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেননি প্রধান বিচারপতি

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

তিন বিচারপতিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেননি প্রধান বিচারপতি
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ২৮ অক্টোবর ২০২৫

হাইকোর্ট বিভাগের ৩ বিচারপতিক প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ শোকজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেননি বলে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিপুলসংখ্যক জামিন দেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের তিন জন বিচারপতিকে শোকজ করে তাদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার মো. মোয়াজ্জেম হোছাইন হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এবং ফোন করে তিন জন বিচারপতি—বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান, বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনকে এই নোটিশ সম্পর্কে অবহিত করেছেন।

বাস্তবে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ উল্লেখিত তিন জন বিচারপতিকে কোনও শোকজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেননি বরং প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কেবলমাত্র মামলাসংক্রান্ত কিছু তথ্য চেয়েছেন যা আদালত ব্যবস্থাপনার অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার একটি নিয়মিত দাফতরিক বিষয়।

সুতরাং উক্ত সংবাদে ব্যবহৃত তথ্যে মূল বিষয়টি বিকৃত ও ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। এছাড়া, উক্ত বিষয়টি সম্পূর্ণ গোপনীয় একটি যোগাযোগ।

এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের প্রতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা হচ্ছে—প্রতিটি গণমাধ্যম আদালত সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের আগে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংবাদ প্রচার করবে যাতে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন থাকে এবং জনগণ বিভ্রান্ত না হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট