বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
Title :
আইন সাংবাদিকতায় পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ইনুর রায়ে কী বার্তা? ফাঁসি হলো না কেন—আইন, রাজনীতি ও বিচারিক যুক্তির বিশ্লেষণ খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি: মূল টাকা পরিশোধেই মিলবে দায়মুক্তির সুযোগ বাংলা কিউআর লেনদেনে নতুন নীতিমালা: এমডিআর সর্বনিম্ন ১% নির্ধারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নতুন সাময়িক কার্ড ইস্যু বন্ধের নির্দেশ আদালত ‘ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি’—বিচারব্যবস্থা নিয়ে সাদ্দাম হোসেনের তীব্র সমালোচনা রহস্যময় ‘সাদা পতাকা’: নিরাপত্তা শঙ্কা ও অশান্তির ইঙ্গিত মুক্তিযুদ্ধ ও ‘জুলাই যুদ্ধ’ তুলনা নিয়ে বিতর্ক: আক্তার হোসেনের বক্তব্যে নিন্দার ঝড় পাকিস্তানপন্থিদের মন্ত্রী-এমপি করেছে বিএনপি, ক্ষমা চাইব কেন: গোলাম পরওয়ার অন্যায় বিচার ও ইতিহাসের পুনর্মূল্যায়ন: হাসানুল হক ইনুর বক্তব্যের প্রেক্ষিত বিশ্লেষণ

তীব্র তাপপ্রবাহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৩২৫ বার পড়া হয়েছে

তীব্র তাপপ্রবাহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ২৮ এপ্রিল ২০২৪।

কোনো জেলায় তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির উপরে গেলে সংশ্লিষ্ট এলাকার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হবে। রোববার (২৮ এপ্রিল) ঢাকা মহিলা পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, কোথাও বেশি গরম আছে মানেই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে হবে; এটার কোনো মানে নেই। কিছু হলেই প্রথমেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে হবে, এ ধারনা রাখা চলবে না। আমাদের নতুন কারিকুলাম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক; তাই শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে আসা জরুরি। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে অনলাইন ক্লাস করা যেতে পারে। মন্ত্রণালয়ের এতে কোনো সমস্যা নেই।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শনিবার স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ক্ষতি পুষিয়ে গেলে, পরে আবারও মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। কোনো জেলায় তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির উপরে গেলে, বন্ধ হবে সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এদিকে তীব্র তাপপ্রবাহ আর হিট অ্যালার্টের মধ্যেই আজ খুলেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। গরমে নাভিশ্বাস শিক্ষার্থীদের। তাই স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কমেছে শ্রেণীকক্ষে উপস্থিতি‌র হার। অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ বোধ করায় শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে বাসায় ফিরে এসেছেন।

এদিকে তীব্র তাপপ্রবাহ চলাকালীন স্কুল খোলায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে অভিভাবকদের মধ্যে। অনেকেই খুশি। তারা জানান, বাসাতেও ফ্যানের নিচে থাকতে হয়, স্কুলেও ফ্যানের নিচে বসেই ক্লাস করবে। সবার বাসায় তো এসি নেই যে, তাদের বাসায় থাকলে তাপপ্রবাহ ভোগ করতে হবে না। বাচ্চাদের শরীরে যেন পানির ঘাটতি না হয়, সে কারণে এক বোতলে স্যালাইন পানি, আরেক বোতলে লেবুর পানি দেয়া আছে। তবে বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে যেন বিদ্যুৎ থাকে সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাচ্ছি। বিদ্যুৎ না থাকলে শিক্ষার্থীদের অনেক কষ্ট হয়ে যাবে।

অপরদিকে স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা বা অনলাইনে ক্লাস নেয়ার দাবি জানিয়েছেন অনেক অভিভাবক। তারা বলেন, এই গরমে বড়রা টিকতে পারে না। সেখানে বাচ্চারা কীভাবে ক্লাস করে ভাবতে কষ্ট লাগে। এই গরমের মধ্যে বাচ্চা অনেক ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। বাসায় যাওয়ার পর তার কী অবস্থা হয় সেটা পর্যবেক্ষণ করে স্কুলে আগামীকাল আনবো কিনা সিদ্ধান্ত নিবো।

তারা আরও বলেন, আমি মনে করি করোনাভাইরাসের সময় অনলাইনে ক্লাস হয়েছে, এখনও গরমের মধ্যে একই নিয়মে ক্লাস হতে পারে। তারপর পরিস্থিতি যখন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে তখন আবার সরাসরি ক্লাস হতে পারে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews