রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন
Title :
যমুনার চরে ৬ হাজার মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র: জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা, বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: এমপি মিষ্টির পদত্যাগে কাঁপছে অপরাধ জগৎ কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়াম চালান বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন হচ্ছে ডিজিটাল, কমবে পারিবারিক মামলা ও জালিয়াতি ঘণ্টাপ্রতি শ্রম নয়, দক্ষতার বাজারমূল্যেই বাড়ে সফলতা প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে টিকে থাকতে কারিগরি দক্ষতার বিকল্প নেই বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই সাংবাদিকতা কি ‘মামার বাড়ির মোয়া’? সরকারি চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশন: নিরাপত্তা যাচাই, নাকি রাজনৈতিক পরিচয় অনুসন্ধান? সড়ক-ফুটপাতে হকার বসলেই মালামাল ক্রোক ও মামলা: ডিএসসিসি প্রশাসকের কঠোর হুঁশিয়ারি। রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগ করছেন এমপি মিষ্টি, প্রত্যাহার পুলিশ কর্মকর্তা

দুইশ বছরের পুরনো ছোট সমুদ্রগামী পাল তোলা জাহাজটি পর্তুগীজদের ব্যবহৃত পাল তোলা ছোট্ট জাহাজ।

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫
  • ৩৮৪ বার পড়া হয়েছে

দুইশ বছরের পুরনো ছোট সমুদ্রগামী পাল তোলা জাহাজটি

পর্তুগীজদের ব্যবহৃত পাল তোলা ছোট্ট জাহাজ।

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা ঃঃ৩০ জুন ২০২৫।

সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় সন্ধান পাওয়া দুইশ বছরের পুরনো ছোট সমুদ্রগামী পাল তোলা জাহাজটি ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে।

২০১২ সালে জুনের শেষ সপ্তাহে সৈকতের অব্যাহত ভাঙনে বালু ক্ষয়ের ফলে কুয়াকাটা সৈকতের ঝাউবাগান সংলগ্ন বেলাভূমের নিচে স্থানীয় জেলেরা এই জাহাজটি দেখতে পায়। ধারণা করা হচ্ছে, দুইশ বছরের আগে রাখাইনরা এই ছোট জাহাজে করেই কুয়াকাটায় এসে বসতি গড়েছিল। কালের বিবর্তনে রাখাইনদের নানা স্মৃতি হারিয়ে গেলেও জাহাজটি এ অঞ্চলের ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে।

৭২ ফুট দৈর্ঘ্য ও ২৪ ফুট প্রস্থ এবং ১০ দশমিক ছয় ফুট উঁচু এই জাহাজটি ২০১৩ সালের আগস্ট মাসে তার মূল আদলেই স্থায়ভাবে সংরক্ষণ করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় উদ্ধার করে কুয়াকাটা বৌদ্ধ মন্দির সংলগ্ন বেড়িবাঁধের পাশে একটি টিনশেডর নিচে সংরক্ষণ করা হয়।

ছোট এই জাহাজটি জারুল কাঠের তৈরি। কাঠের পুরত্ব সাড়ে ছয় সেন্টিমিটার। এটি কাঠ, লোহা ও তামার পাত দিয়ে তৈরি। জাহাজটি বালুর নিচ থেকে তোলার কাজে নগরবাড়ি থেকে ১০ জন দক্ষ শ্রমিক ছাড়াও ৪২ জনের একটি শ্রমিকদল কাজ করেছে।

স্থানীয়ভাবে এ জাহাজটিকে ‘সোনার নৌকা’ বলা হয়। কারণ এর বাইরের আবরণ তামার পাতে মোড়ানো ছিল বলে মানুষের মুখে মুখে এই নামটিই ছড়িয়ে যায়।

রাখাইনদের দাবি এ জাহাজটি তারা দুইশ বছর আগে ব্যবহার করেছে। মতান্তরে সাধু সওদাগরদের ধান-চালের সওদার কাজে ব্যবহৃত নৌকা। কেউ কেউ বলে থাকে পর্তুগীজদের ব্যবহৃত পাল তোলা ছোট্ট জাহাজ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট