বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
Title :
প্রফেসর কাবেরী গায়েনকে ঘিরে বিতর্ক,অভিযোগ, প্রতিক্রিয়া ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপট ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার বক্তব্য ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করলেন জয়সওয়াল বিদ্বেষমূলক কথা ছাড়া শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আইনি বাধা নেই: চিফ প্রসিকিউটর গাজীপুরে ভূমি অফিসে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য: অনিয়ম-অবহেলায় একযোগে বরখাস্ত ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশি সেবা আরও কার্যকর করতে ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনা সিস্টেম পরিচালনা করতে বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়াদের সুবিধার্থে ডিএমপি’র বিশেষ নির্দেশনা ৩০ নভেম্বরের পর অকার্যকর হবে পুরোনো বিআইএন, নতুন নম্বর নেওয়ার নির্দেশ শান্তিরক্ষা মিশনে স্পেশাল প্লাটুন পাঠাতে কমিটি ইসরাইলকে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের পর্যাপ্ত সমরাস্ত্র নেই: মার্কিন জেনারেল আদালত বার্তা বিশেষ প্রতিবেদন  নাইজেরিয়ায় “Barrister” উপাধি নিষিদ্ধ পেশাগত শৃঙ্খলা নাকি আইনগত সংস্কার? স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ ও বিয়েতে বাধা দেওয়া যাবে না: ভারতীয় হাইকোর্ট

পুলিশ কর্মকর্তাদের ৭ জরুরি নির্দেশনা নিউজ

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৬৬ বার পড়া হয়েছে

পুলিশ কর্মকর্তাদের ৭ জরুরি নির্দেশনা নিউজ

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ২৪ জুলাই ২০২৫

পদোন্নতি ও বদলির মতো ব্যক্তিগত স্বার্থে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সরাসরি তদবিরে জড়িয়ে পড়া পুলিশ সদস্যদের আচরণে ক্ষুব্ধ সরকার। এ ধরনের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনতে সম্প্রতি সাত দফা নির্দেশনা দিয়েছে জননিরাপত্তা বিভাগ।

 

পুলিশ বাহিনীর কিছু সদস্য অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থল ত্যাগ করে সচিবালয়ে প্রবেশ করছেন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সরাসরি তদবিরে লিপ্ত হচ্ছেন—এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরকার বিষয়টি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে নিতে পদক্ষেপ নিয়েছে। জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে সোমবার (২১ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সাতটি জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত কিছু সদস্য অফিস চলার সময়ে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়েই কর্মস্থল ছেড়ে মন্ত্রণালয়ে সশরীরে হাজির হয়ে বিভিন্ন ধরনের তদবির করছেন, যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।” এতে আরও উল্লেখ করা হয়, এই ধরনের তদবিরের ফলে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বিব্রত হচ্ছেন এবং সরকারের স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

সরকারি নিয়মবিধি উপেক্ষা করে পুলিশ অধিদপ্তর থেকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে সরাসরি চিঠিপত্র পাঠানোর অভিযোগও পাওয়া গেছে। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি, অনেক চিঠি অসম্পূর্ণ ও তথ্যভিত্তিক প্রস্তাব ছাড়া পাঠানো হচ্ছে, যা সঠিকভাবে বিবেচনার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, পুলিশের কিছু সদস্য শুধুমাত্র নিজেদের পদোন্নতি ও পদায়নের জন্য নয়, বরং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুতেও অননুমোদিত যোগাযোগ করে যাচ্ছেন। মন্ত্রণালয়ের না জানিয়ে অন্যান্য বিভাগে পাঠানো এসব চিঠি প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।

এ প্রেক্ষিতে পুলিশ সদস্যদের জন্য সাতটি নির্দেশনাগুলো হলো—১. নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কর্মস্থল ত্যাগ করা যাবে না। ২. পদোন্নতি ও অন্য কোনো বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে অপ্রয়োজনীয় তদবির থেকে বিরত থাকতে হবে। ৩. যথাসময়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রস্তাব পাঠাতে হবে। ৪. বহিঃ বাংলাদেশ ছুটির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে পাঠাতে হবে। ৫. চিকিৎসাজনিত বহিঃ বাংলাদেশ ছুটির জন্য বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ডের প্রত্যয়নপত্র ও চিকিৎসা প্রতিবেদন যাচাই করে পাঠাতে হবে। ৬. আন্ত মন্ত্রণালয় যোগাযোগের ক্ষেত্রে ‘রুলস অব বিজনেস’ মানতে হবে। ৭. প্রত্যেক কর্মকর্তাকে নিজ নিজ জেমস আইডিতে প্রবেশ করে হালনাগাদ রাখতে হবে

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট