সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন
Title :
কারাগারে বন্দি মায়ের সঙ্গে ৩০৩ শিশু: হাইকোর্টে প্রতিবেদন ​শিশুদের নিকটাত্মীয় বা সরকারি শিশু পরিবারে রাখার সুপারিশ প্রমাণ ছাড়া শুধু পলাতক থাকলেই সাজা নয়: হাইকোর্ট সন্ত্রাসবিরোধী ও সাইবার আইনের মামলায় সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে সত্যতা মেলেনি: স্পিকার আইনজীবীদের আটক নিয়ে উত্তাল সুপ্রিম কোর্ট চত্বর, প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপে মিলল মুক্তি অসাম্প্রদায়িকতা ও মুক্তচিন্তার সংকোচন: রাষ্ট্র, সমাজ ও সংস্কৃতির গভীর সংকট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপ, জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ মানবপাচার দমনে অগ্রগতির স্বীকৃতি, তবু টিয়ার-২ তালিকায় বাংলাদেশ জান্নাতুল তাজমীনের মৃত্যু কি আমাদের বিবেককে জাগাবে? ১৩ সেনা হত্যা: সাবেক মার্কিন মেজর নিদালের মৃত্যুদণ্ড ফায়ারিং স্কোয়াডে, করা হবে সরাসরি সম্প্রচার

ভূমিকম্পের ভয়াবহ ঝুঁকিতে রয়েছে ঢাকা।

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০২৩
  • ৫২৮ বার পড়া হয়েছে

ভূমিকম্পের ভয়াবহ ঝুঁকিতে রয়েছে ঢাকা।

ডেস্ক নিউজ আদালত বার্তা :১৫ মার্চ  ২০২৩।

ভূমিকম্পের ভয়াবহ ঝুঁকিতে রয়েছে ঢাকা। টাঙ্গাইলের মধুপুরে মাটির নিচে যে চ্যুতিরেখা বা ফল্টলাইন রয়েছে, সেখানে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলে ঢাকায় ৮ লাখ ৬৫ হাজার ভবন ধসে পড়বে। দিনের বেলায় এ ভূমিকম্প হলে মারা যাবেন ২ লাখ ১০ হাজার মানুষ, আহত হবেন ২ লাখ ২৯ হাজার।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) এক সমীক্ষায় এই ঝুঁকির বিষয়টি উঠে এসেছে। সংস্থাটি বলছে, মধুপুর চ্যুতিরেখায় ওই মাত্রার ভূমিকম্পে আর্থিক ক্ষতি হবে ২৫ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ লাখ ৬২ হাজার কোটি টাকার সমান। ভূমিকম্পের পর ভবন মেরামত ও পুনর্নির্মাণে সরকারকে ব্যয় করতে হবে প্রায় ৪৪ বিলিয়ন ডলার (৪ লাখ ৬২ হাজার কোটি টাকা)।
রাজউক এ সমীক্ষা করেছে আরবান রেজিলিয়েন্স প্রকল্পের রাজউক অংশের আওতায়। এ প্রকল্পের ব্যয় ৫৩৬ কোটি টাকা। এতে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
আজ বুধবার (১৫ মার্চ) সচিবালয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সভায় সমীক্ষা প্রতিবেদনটি তুলে ধরা হবে। সভায় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও দুর্যোগবিশেষজ্ঞরা উপস্থিত থাকবেন।
জানতে চাইলে প্রকল্পটির পরিচালক আবদুল লতিফ হেলালী বলেন, ভূমিকম্পের ভয়াবহতা নিয়ে বড় আকারে এ ধরনের সমীক্ষা এবারই প্রথম করা হয়েছে। ২০১৮ থেকে ২০২২—এই চার বছর ধরে সমীক্ষাটি করা হয়।
রাজউকের কর্মকর্তারা বলছেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থান দুটি বিপজ্জনক চ্যুতিরেখার ওপরে। একটি ঢাকা মহানগরের সবচেয়ে কাছে টাঙ্গাইলের মধুপুর চ্যুতিরেখা, অন্যটি সিলেট অঞ্চলের ডাউকি চ্যুতিরেখা। ঢাকা মহানগরের ১ হাজার ৫২৮ বর্গকিলোমিটার এলাকা আওতায় নিয়ে সমীক্ষাটি করা হয়।
সমীক্ষা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সিলেটের ডাউকি চ্যুতিরেখায় ৭ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হলে ঢাকার কমপক্ষে ৪০ হাজার ৯৩৫টি ভবন ধসে পড়বে। দিনের বেলায় ভূমিকম্পটি হলে ১৬ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটবে। আহত হবেন ২৮ হাজার মানুষ। এই মাত্রার ভূমিকম্পে আর্থিক ক্ষতি হবে ৫ বিলিয়ন ডলার, যা সাড়ে ৫২ হাজার কোটি টাকার সমান। ভূমিকম্পের পর ভবন মেরামত ও পুনর্নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার (সাড়ে ৭৩ হাজার কোটি টাকা)।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনে ভূমিকম্প হলে মানুষের মৃত্যু বেশি হবে। কারণ, এই সময় বাণিজ্যিক ভবন ও কারখানায় মানুষ বেশি থাকেন। আর ঢাকায় ভবনগুলোর ধসে পড়ার ঝুঁকির কারণ, অনেক ভবন জলাভূমি ভরাট করে নরম মাটিতে তৈরি করা হয়েছে। আবার নির্মাণের ক্ষেত্রেও ভূমিকম্পসহনীয় করা হয়নি। অনেক ভবনই অবৈধভাবে নির্মিত।
তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তে গত ৬ ফেব্রুয়ারি ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। স্থানীয় সময় ভোর সোয়া চারটায় ওই ভূমিকম্পে প্রাণহানি ৫৫ হাজার ছাড়িয়েছে। জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনডিপির তথ্যমতে, ওই ভূমিকম্পে ২ লাখ ২০ হাজার ভবন ধসে পড়ে। আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয় ১০০ বিলিয়ন (১০ লাখ কোটি টাকার বেশি) ডলারের বেশি। সূত্র: প্রথম আলো

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট