শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
Title :
গণঅভ্যুত্থান: আসামি পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা চেয়ে রিট আবেদন পরীক্ষা নাকি অগ্নিপরীক্ষা—এইচএসসি প্রশ্নপত্রে বিতর্ক বরিশালে সংক্ষিপ্ত বিচারে বাড়ছে জনআস্থা: মাত্র ১ মাসে ১৬৭ মামলায় ৪৫৭ অপরাধীর কারাদণ্ড। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পুনরুত্থান: প্রতিবাদের ভাষায় নতুন জাগরণ ইতিহাসের পৃষ্ঠায় অমর নেতৃত্ব: খামেনি–খোমিনীর উত্তরাধিকার ও জনসমর্থনের প্রতিচ্ছবি এআই-নির্ভর ভুয়া ভিডিও ও ফেক নিউজ রুখতে আইন সংশোধনের দাবি— অ্যাটর্নি জেনারেল ঢাকা বিমানবন্দরের লাগেজ হয়রানির অবসান? থার্ড টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে জাপানি কনসোর্টিয়াম চীন–বাংলাদেশ রেল করিডোর প্রস্তাব: সম্ভাবনা, বাস্তবতা ও প্রভাব  ধামরাইয়ের ১২৬ বছরের ঐতিহ্য—বণিক বাড়ি, কাঁসা-পিতলের স্বর্ণযুগের জীবন্ত সাক্ষী আইন সাংবাদিকতায় পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

লালমনিরহাটে কোরআন শরীফ অবমাননার অভিযোগ, এক জনকে পিটিয়ে হত্যা

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৩০৯ বার পড়া হয়েছে
বিক্ষুব্ধ জনগণ

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম এলাকায় কোরআন শরীফ অবমাননার অভিযোগে এক জনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বিক্ষুব্ধ জনগণ।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে পাটগ্রামের বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে কোরআন শরীফ অবমাননা করার অভিযোগে এক জনকে পিটিয়ে হত্যা করে গায়ে পেট্রোল ও লাকড়ি দিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছেন বিক্ষুদ্ধ জনতা।

জানা যায়, উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় বাজার মসজিদে অজ্ঞাত দুই ব্যক্তি প্রবেশ করে আসরের নামাজ আদায় করে। নামাজ শেষে উপস্থিত মুসল্লী ও ইমামকে গোয়েন্দা সংস্থার পরিচয় দিয়ে মসজিদের ভেতরে থাকা অস্ত্র বের করতে বলেন। একপর্যায়ে তারা নিজেরাই মসজিদে অস্ত্র খুঁজতে থাকেন।

এ সময় র‍্যাকে রক্ষিত কোরআন শরীফ নিচে পড়লে তারা কোরআন শরীফের উপর পা রেখেই অস্ত্র খুঁজতে থাকেন। এ দৃশ্য দেখে মসজিদে থাকা মুসল্লী উত্তেজিত হয়। পরে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও কয়েক জন মুসল্লী উত্তেজিত মুসল্লীদের হাত থেকে ব্যক্তিদ্বয়কে উদ্ধার করে বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের ভেতরে নিয়ে যান।

এদিকে কোরআন শরীফে পা রাখার খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত মুসল্লীরা বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদ ঘেরাও করেন। এ সময় বিজিবি ও পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে উত্তেজিত মুসল্লীকে শান্ত করার চেষ্টা করে।

পরবর্তীতে মুসল্লীদের আরোও একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল এসে ইউনিয়ন পরিষদের দরজা ভেঙ্গে দুই ব্যক্তির মধ্যে এক ব্যক্তিকে পেয়ে উত্তেজিত মুসল্লিরা গণপিটুনী দিয়ে হত্যা করেন। অতঃপর লাশ টেনে-হেঁচড়ে পরিষদের বাহিরে এনে পেট্রোল ও লাকড়ী দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আরও অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি গিয়ে অপর ব্যক্তিকে উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর মোবাইল ফোনে জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ, বিজিবির পাশাপাশি র‍্যাব মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews