শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
Title :
শুনানিতে অসংলগ্ন কথা ও অস্বাভাবিক আচরণ: আইনজীবীর ‘ডোপ টেস্টের’ নির্দেশ আদালতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা লঙ্ঘন করে বিচারকের ফেসবুক পোস্ট: সমালোচনা ও বিতর্ক আসামির কাঠগড়ায় আইনজীবী আবুল বাশার: নিজের মামলায় নিজেই লড়লেন, জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠালেন ম্যাজিস্ট্রেট। আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাইবে দুদক, সম্পদের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে চিঠি আসামিদের অনুপস্থিতিতে বিচার ও তড়িঘড়ি রায়: ট্রাইব্যুনালের আদেশে সাংবাদিক ফ্রন্টের গভীর উদ্বেগ মির্জা আব্বাসের সময়োপযোগী সতর্কবার্তা: ‘আমলারা সবাই চোর’—এমন কাণ্ডজ্ঞানহীন বক্তব্য কেন? আদালত অবমাননা’: সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীকে ট্রাইব্যুনালে তলব শৈশবের আয়নায় মানুষ অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও গুজব ছড়ানো পেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ সরকারি অফিসে যত্রতত্র পতাকার ব্যবহার: তদন্তে হাইকোর্টের ৩ সদস্যের কমিটি

শুনানিতে অসংলগ্ন কথা ও অস্বাভাবিক আচরণ: আইনজীবীর ‘ডোপ টেস্টের’ নির্দেশ আদালতের

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

শুনানিতে অসংলগ্ন কথা ও অস্বাভাবিক আচরণ: আইনজীবীর ‘ডোপ টেস্টের’ নির্দেশ আদালতের

নিজস্ব প্রতিবেদক | আদালত বার্তা

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​চট্টগ্রামে আদালতে জামিন শুনানির সময় অসংলগ্ন কথা বলা ও অস্বাভাবিক আচরণের অভিযোগে শাহেদুল হক নামের এক আইনজীবীর ডোপ টেস্টের (মাদক পরীক্ষা) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তফা এ নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার বিষয়টি আদালতপাড়ায় জানাজানি হলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

​আদালত সূত্রে জানা গেছে, বুধবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হালিশহর থানার একটি নালিশি মামলার আসামি এমরান চৌধুরীর জামিন আবেদনের শুনানি ছিল। আসামির আইনজীবী হিসেবে শাহেদুল হকের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও, নজিরবিহীনভাবে শুনানি শুরু করেন স্বয়ং বাদীপক্ষের আইনজীবী শ্যামলী চৌধুরী।

​এ সময় আদালত জানতে চান, বাদীপক্ষের আইনজীবী আসামির জামিনের শুনানি করতে পারেন কি না। জবাবে শ্যামলী চৌধুরী আদালতকে জানান, আসামির আইনজীবী শাহেদুল হক আদালতে আসতে চাইছেন না। তাই তিনি নিজেই জামিনের শুনানি করতে চান। একই সঙ্গে আসামির জামিন মঞ্জুরে তাঁর কোনো আপত্তি নেই বলেও জানান তিনি।

​তবে আদালত জানান, জামিন শুনানিতে আসামির আইনজীবীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। এরপর আদালতের নির্দেশে বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে আইনজীবী শাহেদুল হক এজলাসে প্রবেশ করেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শুনানির সময় তিনি রীতিমতো অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় ছিলেন। আদালতে তিনি অসংলগ্নভাবে বলেন, ‘আসামি ভুল করেছে, আর ভুল করবে না। আদালতের নিকট জামিন চাই।’

​আদেশে বিচারক আরও উল্লেখ করেন, বাদীপক্ষ আসামির জামিনে অনাপত্তি দিয়েছে—এটি স্বাভাবিকভাবে উপস্থাপন করার কথা। কিন্তু শুনানির সময় আইনজীবী শাহেদুল হকের কথা জড়িয়ে যাচ্ছিল এবং তাঁর পোশাক-পরিচ্ছদও স্বাভাবিক ছিল না। এ অবস্থায় তিনি মদ্যপান করে এসেছেন বলে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়। এ কারণে তাঁকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডোপ টেস্ট করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

​এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মঈনুদ্দীন বলেন, “আদালত এক আইনজীবীর ডোপ টেস্টের নির্দেশ দিয়েছেন বলে আমরা শুনেছি। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো আদেশ বা প্রতিবেদন আমরা পাইনি।”

​আদালতকক্ষে আইনজীবীর এমন অস্বাভাবিক আচরণ এবং বিচারকের ডোপ টেস্টের এই নির্দেশ চট্টগ্রামের আইনজীবী ও সচেতন মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট