সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের দীর্ঘ কারাবাস:আইনের অপব্যবহার নিয়ে আইনজীবীদের উদ্বেগ।
প্রতিবেদকের নাম:
-
প্রকাশিত:
বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
-
২
বার পড়া হয়েছে

- সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের দীর্ঘ কারাবাস:আইনের অপব্যবহার নিয়ে আইনজীবীদের উদ্বেগ।
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ৬ এপ্রিল ২০২৬
সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের দীর্ঘকালীন কারাবাস এবং তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের একদল আইনজীবী ও সচেতন নাগরিক। প্রায় ২৮০ দিন ধরে তিনি কারাগারে বন্দি রয়েছেন, যাকে ‘আইনের অপব্যবহার’ এবং ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ হিসেবে অভিহিত করছেন অনেকে।
৮০ বছর বয়সে দীর্ঘ কারাবাস সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের বয়স বর্তমানে ৮০ বছর। অভিযোগ উঠেছে যে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ২৮০ দিন ধরে তিনি বিনা বিচারে কারাগারে রয়েছেন বলে দাবি করেছেন তাঁর অনুসারী ও সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। একজন বয়োবৃদ্ধ ও দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সাবেক প্রধান বিচারপতির এমন দীর্ঘকালীন বন্দিত্ব নিয়ে আইনি মহলে নানা বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। আইনের অপব্যবহার ও ভবিষ্যতের আশঙ্কা এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে একজন আইনজীবী ও সচেতন নাগরিক হিসেবে অনেকেই বলছেন, আইনের এমন অপব্যবহার বিচার বিভাগের জন্য এক ভয়ংকর নজির হয়ে থাকবে। তাঁদের মতে, আজ যেভাবে একজন সাবেক প্রধান বিচারপতিকে হেনস্তা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে হয়তো বর্তমানের বিচারকদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।
আন্দোলনরত আইনজীবীদের ভাষায়, “আজ আপনারা যা শেখাবেন, ভবিষ্যতে হয়তো তাই ফেরত পাবেন। আইনের শাসন যখন প্রতিহিংসার হাতিয়ারে পরিণত হয়, তখন কেউই নিরাপদ থাকে না। সাধারণ মানুষের মধ্যেও এখন এমন ধারণা জন্মাচ্ছে যে, এই ধারা চলতে থাকলে বিচার বিভাগের মর্যাদা ধূলিসাৎ হয়ে যাবে।” আইনজীবীদের দাবি সচেতন নাগরিক সমাজ ও আইনজীবীরা অনতিবিলম্বে সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের মুক্তি দাবি করেছেন। তাঁরা মনে করেন, তাঁর বয়স এবং শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে মানবিক ও আইনি উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই তাঁকে মুক্তি দেওয়া উচিত। তারা আরও বলেন, বিচার বিভাগকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখা এবং আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম বড় দায়িত্ব হওয়া উচিত। উপসংহার এ বি এম খায়রুল হকের কারাবাসকে কেন্দ্র করে দেশের বিচারিক অঙ্গনে যে অস্থিরতা ও শঙ্কা তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা সতর্ক করেছেন যে, প্রতিহিংসার এই সংস্কৃতি দীর্ঘস্থায়ী হলে তা রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
আরো সংবাদ পড়ুন