ঢাকাসহ সারাদেশে অভিযানে নামছে পুলিশের নতুন ‘স্পেশাল’ ইউনিট
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ আগস্ট ২৯, ২০২৬
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে পুলিশের একটি নতুন ‘স্পেশাল’ ইউনিট গঠন করা হয়েছে। এই নবগঠিত বিশেষ ইউনিটটি খুব শিগগিরই দেশব্যাপী সমন্বিত অভিযানে নামতে যাচ্ছে।
শনিবার রাজধানীর রাজারবাগে অবস্থিত বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
অস্ত্র উদ্ধার অভিযানকে আরও বেগবান করতে তথ্য প্রদানকারীদের জন্য সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থ পুরস্কারের ঘোষণা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সাথে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাতে না পারলে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেন তিনি।
পুরস্কারের বিবরণ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কোনো পিস্তল, রিভলবার বা শটগান উদ্ধারে তথ্য দিয়ে সহায়তা করলে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। পাশাপাশি লুণ্ঠিত টিয়ারগ্যাস শেল, সাউন্ড গ্রেনেড বা অন্যান্য ভারী অস্ত্র উদ্ধারের সঠিক খবর দিলে ক্ষেত্রবিশেষে ১০ হাজার, ১৫ হাজার ও ২০ হাজার টাকা করে পুরস্কৃত করা হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও উল্লেখ করেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নতি এবং পুলিশ বাহিনীকে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী জনবান্ধব সংস্থায় রূপান্তর করতে নিয়মিত কৌশলগত পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যেই গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ ইউনিটটি অস্ত্র উদ্ধারে মূল ভূমিকা পালন করবে।
তথ্য প্রদানকারীদের সুরক্ষার বিষয়ে নিশ্চিত করে তিনি জানান, তথ্যদাতাদের পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে। এর পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব অস্ত্রের বাতিল হওয়া লাইসেন্স সমর্পণ করা হয়নি, সেগুলোকে অবৈধ হিসেবে গণ্য করে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং সেগুলো উদ্ধারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
দেশজুড়ে মাদক, চোরাচালান ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে বিশেষ নির্দেশনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে কোনো কর্মকর্তা কাঙ্ক্ষিত সাফল্য দেখাতে ব্যর্থ হলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হ
বে।