শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
Title :
মফস্বলে সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন বাড়ছে: জুলাইয়ে ৫০ জন ক্ষতিগ্রস্ত, ৯১% ঘটনা জেলা-উপজেলায় কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনায় পর্যটকের মৃত্যু, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রশ্ন জুলাইয়ের চেতনা মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিকতা: তথ্যমন্ত্রী গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি ও অনিয়ম: বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় আস্থার সংকট জুলাই আন্দোলনের হত্যা মামলা: পিবিআইয়ের অভিযোগপত্রে শেখ হাসিনাসহ ৫০ জন অভিযুক্ত, ৪৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি বাংলাদেশিদের জন্য দ্রুত ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার তাগিদ জুলাইয়ে বেড়েছে ধর্ষণ ও আত্মহত্যা সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার অর্থ কী? নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ১ আগস্ট ২০২৬ পাঁচ রুটে মনোরেল পরিকল্পনা: সমীক্ষার দায়িত্বে বুয়েট, ২০২৯ সালের মধ্যে দুই রুট চালুর লক্ষ্য আইনের রক্ষকরাই এখন ঝুঁকিতে: পুলিশ সদস্যদের ওপর ধারাবাহিক হামলায় উদ্বেগ বাড়ছে

তামিম বাহিনীর বিদায় ফাইনালে শান্ত আর রিয়াদের দল

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০
  • ১১৭৫ বার পড়া হয়েছে

পারলো না তামিম ইকবালের একাদশ। শেষ পর্যন্ত নাজমুল হোসেন শান্ত আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দলই পৌঁছে গেলো ফাইনালে।

বৃষ্টির কারলে ডিএল মেথডে তামিম বাহিনীর টার্গেট ছিল ১৬১; কিন্তু ৪১ ওভারে ওই টার্গেটও ছুঁ’তে পারেনি তামিম একাদশ। ১৫৬ (৪০.৪ ওভারে) রানেই থেমে গেছে তারা।

৭ রানে জিতে রাউন্ড রবিন লিগের চার (ডাবল লেগের) ম্যাচের তিনটিতে জিতে সবার ওপরে থেকে ফাইনালো উঠলো শান্তর দল। অন্যদিকে সমান খেলায় ২ জয়ে রিয়াদ বাহিনীরও ফাইনাল নিশ্চিত হলো। একমাত্র জয় নিয়ে বিদায় নিল তামিম একাদশ।

প্রতিপক্ষ শান্ত বাহিনী অলআউট হয়েছে ১৬৫ রানে। তবে বৃষ্টি আইন ডিএল মেথডে তামিম বাহিনীর টার্গেট দাঁড়ায় ৪১ ওভারে ১৬৪ রান।

৪১ ওভারে ওই লক্ষ্য মানে ওভার পিছু ৪ রানেরও কম। এই হিসাব-নিকাশ সামনে রেখে যেমন ব্যাটিং দরকার ছিল, তা পারেননি তামিম বাহিনীর ব্যাটসমানরা। অধিনায়ক তামিম প্রাণপন চেষ্টা করেছেন দলকে জেতাতে। কিন্তু পারেননি।

শুরুটাই ভাল হয়নি। ১০ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙ্গার পর তরুণ মাহিদুল ইসলাম অংকনকে নিয়ে ভালই এগুচ্ছিলেন তামিম। আগের তিন ম্যাচে (২+৩৩+৯) রান পাননি। আজ তামিম চেষ্টা করেছেন দল জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে।

কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ৮৫ বলে ৫৭ রানে তামিমকে ফিরিয়ে দিয়েছেন আবু জায়েদ রাহী। অফ স্ট্যাম্পের অনেক বাইরের বল মারতে গিয়ে কট বিহাইন্ড হয়েছেন তামিম।

কিন্তু অংকন (৪৫ বলে ২২) আর ইয়াসির আলী রাব্বি (৩৪ বলে ৬) বেশি স্লো ব্যাটিং করায় ওভার পিছু রানের গতি বেড়ে যায়। শেষ দিকে মিঠুন (৩২ বলে ২৯) আর সাইফউদ্দীন (৯ বলে ১০) প্রাণপন চেষ্টা করেও আর পারেননি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট