রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৩ অপরাহ্ন
Title :
কিছু হলেই আওয়ামী লীগকে পেটাতে হবে, এই জুলুম বন্ধ করেন ভাই: ফাহাম সরকারি প্রকল্পে রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে ঠিকাদারদের তথ্য চেয়েছে এনবিআর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান: দেশপ্রেম, নেতৃত্ব ও মানুষের প্রতি অঙ্গীকার। ধানমন্ডি ৩২-এ ‘রাজনৈতিক সন্দেহে’ সাধারণ মানুষকে মারধরের অভিযোগ, আয়াসকে গ্রেপ্তারের দাবি দল -মত নয়, পুলিশের একমাত্র পরিচয় জনগণের সেবক—আইজিপি ভাইয়ের সম্পত্তিতে বোনের উত্তরাধিকার দাবি গ্রহণযোগ্য নয় : হাইকোর্ট আত্মবিশ্বাস ও আত্মপ্রত্যয়: ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের সাফল্য এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মূল শক্তি বাংলাদেশে সেল গঠনের চেষ্টা করছে আল-কায়েদা ভারত উপমহাদেশ শাখা: জাতিসংঘের মনিটরিং টিম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও বাচ্চু রাজাকারের বিচার: পারভেজ হাসেমের মতামত। জুলাই-জুনের বদলে এপ্রিল-মার্চে অর্থবছর পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে সরকার।

তীব্র তাপপ্রবাহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৩৬৬ বার পড়া হয়েছে

তীব্র তাপপ্রবাহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ২৮ এপ্রিল ২০২৪।

কোনো জেলায় তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির উপরে গেলে সংশ্লিষ্ট এলাকার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হবে। রোববার (২৮ এপ্রিল) ঢাকা মহিলা পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, কোথাও বেশি গরম আছে মানেই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে হবে; এটার কোনো মানে নেই। কিছু হলেই প্রথমেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে হবে, এ ধারনা রাখা চলবে না। আমাদের নতুন কারিকুলাম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক; তাই শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে আসা জরুরি। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে অনলাইন ক্লাস করা যেতে পারে। মন্ত্রণালয়ের এতে কোনো সমস্যা নেই।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শনিবার স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ক্ষতি পুষিয়ে গেলে, পরে আবারও মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। কোনো জেলায় তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির উপরে গেলে, বন্ধ হবে সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এদিকে তীব্র তাপপ্রবাহ আর হিট অ্যালার্টের মধ্যেই আজ খুলেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। গরমে নাভিশ্বাস শিক্ষার্থীদের। তাই স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কমেছে শ্রেণীকক্ষে উপস্থিতি‌র হার। অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ বোধ করায় শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে বাসায় ফিরে এসেছেন।

এদিকে তীব্র তাপপ্রবাহ চলাকালীন স্কুল খোলায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে অভিভাবকদের মধ্যে। অনেকেই খুশি। তারা জানান, বাসাতেও ফ্যানের নিচে থাকতে হয়, স্কুলেও ফ্যানের নিচে বসেই ক্লাস করবে। সবার বাসায় তো এসি নেই যে, তাদের বাসায় থাকলে তাপপ্রবাহ ভোগ করতে হবে না। বাচ্চাদের শরীরে যেন পানির ঘাটতি না হয়, সে কারণে এক বোতলে স্যালাইন পানি, আরেক বোতলে লেবুর পানি দেয়া আছে। তবে বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে যেন বিদ্যুৎ থাকে সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাচ্ছি। বিদ্যুৎ না থাকলে শিক্ষার্থীদের অনেক কষ্ট হয়ে যাবে।

অপরদিকে স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা বা অনলাইনে ক্লাস নেয়ার দাবি জানিয়েছেন অনেক অভিভাবক। তারা বলেন, এই গরমে বড়রা টিকতে পারে না। সেখানে বাচ্চারা কীভাবে ক্লাস করে ভাবতে কষ্ট লাগে। এই গরমের মধ্যে বাচ্চা অনেক ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। বাসায় যাওয়ার পর তার কী অবস্থা হয় সেটা পর্যবেক্ষণ করে স্কুলে আগামীকাল আনবো কিনা সিদ্ধান্ত নিবো।

তারা আরও বলেন, আমি মনে করি করোনাভাইরাসের সময় অনলাইনে ক্লাস হয়েছে, এখনও গরমের মধ্যে একই নিয়মে ক্লাস হতে পারে। তারপর পরিস্থিতি যখন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে তখন আবার সরাসরি ক্লাস হতে পারে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট