রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন
Title :
সংবিধান সংশোধন কমিটির নবম বৈঠক: ‘জুলাই সনদ’ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় জোর ধর্মীয় পরিচয় নয়, অপরাধের বিচারই হোক—ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির প্রশ্ন  অবকাশের পর খুলছে সুপ্রিম কোর্ট: কাল আপিল বিভাগের ১ নম্বর কোর্টের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ, থাকছে প্রথাগত সৌজন্য সাক্ষাৎ আগামীকাল ২৫ অক্টোবর ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের অনুষ্ঠানে বিচারপতি-আইনজীবীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার নিজ ফ্ল্যাটে গলা ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত দীর্ঘ অবকাশ শেষে সুপ্রিম কোর্টে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু ২৫ অক্টোবর বিজ্ঞ আইনজীবীদের জন্য শনিবার খোলা থাকবে অ্যাটর্নি-জেনারেলের কার্যালয় পাহাড়ের সৌন্দর্যের আড়ালে নিরাপত্তার নেপথ্য প্রহরা বর্ডার পার হওয়ার আগে অবশ্যই পোর্ট ট্যাক্স ও ভ্রমণ কর সঙ্গে রাখবেন সেনাপ্রধানের সেন্ট মার্টিন সফর ঘিরে প্রশ্ন, গভীর সমুদ্রে যাওয়ার খবরের স্বাধীন যাচাই হয়নি চীনা কোম্পানির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব: তিন দশকের ফাইলবন্দি খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্পে নতুন গতি

ধানমন্ডিতে চিকিৎসক ধীপ্রার মৃত্যু: কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

ধানমন্ডিতে চিকিৎসক ধীপ্রার মৃত্যু: কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ
নিউজ ডেস্ক,আদালত বার্তাঃ ১০ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর ধানমন্ডিতে চিকিৎসক ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে নতুন মোড় নিয়েছে। মামলার তদন্ত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ধীপ্রার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে পুনরায় ময়নাতদন্তের অনুমতি দিয়েছেন।
গত ৪ জুন ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রা মারা যান। প্রাথমিকভাবে তাঁর মৃত্যুর কারণ ‘কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট’ হিসেবে প্রচার করা হলেও, বিষয়টি নিয়ে শুরু থেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেন তাঁর স্বজন, বন্ধু ও সহপাঠীরা—যাদের অধিকাংশই চিকিৎসক। তাঁদের অভিযোগ, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ আড়াল করা হয়েছে এবং কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের ব্যাখ্যায় গুরুতর অসঙ্গতি রয়েছে।
স্বজনদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের ফলে ধীপ্রা চরম সংকটাপন্ন অবস্থায় পৌঁছেছিলেন। একপর্যায়ে তিনি বিভিন্ন ওষুধ সেবনের মাধ্যমে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ করা হয়। আরও অভিযোগ রয়েছে, মৃত্যুর আগে টানা তিন দিন তাকে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা হয় এবং পর্যাপ্ত খাবার থেকেও বঞ্চিত করা হয়।
ধীপ্রার ঘনিষ্ঠজনরা জানান, মৃত্যুর দুইদিন আগে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের নানা নির্যাতনের ঘটনা তুলে ধরে একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন তিনি, যা বর্তমানে তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এ ঘটনায় গত ১৬ জুন ২০২৬ তারিখে দণ্ডবিধির ৩০৪(ক), ১৯৩, ১৯৭, ২০১, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় অবহেলাজনিত মৃত্যু, নির্যাতন এবং ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের মাধ্যমে আলামত গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ধীপ্রার স্বামী ডা. রহমত রশিদ সিয়াম, শ্বশুর বারডেম হাসপাতালের কার্ডিয়াক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ, শাশুড়ি সিদ্দিকা সুলতানা এবং ডা. আব্দুর রশীদের জামাতা ও স্যাটায়ার ওয়েবসাইট ‘ইয়ার্কি’র সম্পাদক সিমু নাসেরসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, মরদেহ উত্তোলন করে পুনরায় ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হবে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এই মামলার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এদিকে, চিকিৎসক সমাজসহ বিভিন্ন মহলে এ ঘটনায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট