1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
১৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও দু’টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক-২০২৩ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা - আদালত বার্তা
রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্টে সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ দেশজুড়ে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে।৭৩ বছরের রেকর্ডে আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতি আর কখনো দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।  বাংলাদেশের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানোর পরিকল্পনা নেই জাতিসংঘের। রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয় : রিজওয়ানা সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে মামলাজট কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস প্রধান বিচারপতি অবকাশ শেষে খুলেছে সুপ্রিম কোর্ট, প্রধান বিচারপতির প্রথম কার্যদিবস তিন মূল লক্ষ্যকে সমনে রেখে সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর অভিযান। দেশে প্রথম বিশেষায়িত বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা: অধ্যাদেশ জারি অবকাশকালীন ছুটি শেষে কাল খুলছে সুপ্রিম কোর্টে।

১৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও দু’টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক-২০২৩ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৬৫৪ বার পড়া হয়েছে

১৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও দু’টি প্রতিষ্ঠানকে
একুশে পদক-২০২৩ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ডেস্ক নিউজ আদালত বার্তা:২০  ফেব্রুয়ারি  ২০২৩।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ১৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও দু’টি প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক-২০২৩’ প্রদান করেছেন।

তিনি আজ সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘একুশে পদক’ প্রদান করেন।
এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি সরকার নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ‘একুশে পদক-২০২৩’ এর জন্য ১৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং দু’টি সংস্থার নাম ঘোষণা করে।

এ বছর ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে ৩ জন, মুক্তিযুদ্ধে ১ জন, শিল্পকলায় ৮ জন (অভিনয়, সঙ্গীত, আবৃত্তি, চারু ও চিত্রকলা), রাজনীতিতে ২ জন, শিক্ষায় ১ জন ও একটি প্রতিষ্ঠান, সমাজ সেবায় ১ জন ও একটি প্রতিষ্ঠান এবং সাংবাদিকতা, গবেষণা এবং ভাষা ও সাহিত্যে ১ জন করে পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে খালেদা মঞ্জুর-ই খুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম শামসুল হক (মরণোত্তর) এবং হাজী মোহাম্মদ মজিবুর রহমান।

শিল্পকলা বিভাগে অভিনয় ক্যাটাগরিতে মাসুদ আলী খান ও শিমুল ইউসুফ এবং সংগীত বিভাগে মনোরঞ্জন ঘোষাল, গাজী আবদুল হাকিম ও ফজল-এ-খোদা (মরণোত্তর),আবৃত্তি বিভাগে জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, শিল্পকলায় নওয়াজিশ আলী খান এবং চিত্রকলা বিভাগে কনক চাপা চাকমা পুরস্কার পেয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ বিভাগে মমতাজ উদ্দিন (মরণোত্তর), সাংবাদিকতায় মো. শাহ আলমগীর (মরণোত্তর), গবেষণায় ড. মো. আব্দুল মজিদ, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর), সমাজসেবায় মো. সাইদুল হক, অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম (মরণোত্তর), রাজনীতিতে আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর) এবং ভাষা ও সাহিত্যে ড. মনিরুজ্জামান পুরস্কার পেয়েছেন। শিক্ষা ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এবং সমাজসেবায় বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এ পুরস্কার লাভ করেছে।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ‘একুশে পদক’ প্রবর্তন করা হয়। পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেক বিজয়ীকে স্বর্ণপদক, সম্মাননা সনদ ও নগদ অর্থ দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। গত বছর ২০২২ সালে ২৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে মর্যাদাপূর্ণ একুশে পদক দেওয়া হয়। ২০২২ পর্যন্ত ৫৪৩ জন ব্যক্তি ও ৪টি প্রতিষ্ঠানকে এ পদক প্রদান করা হয়েছে।
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুরস্কার প্রাপ্তদের দেওয়া টাকার পরিমাণ কয়েকগুণ বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ২০২০ সালে তা বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করা হয়েছে।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন পদক বিতরণ পর্বটি সঞ্চালনা ও পদক বিজয়ীদের সাইটেশন পাঠ করেন। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর স্বাগত বক্তৃতা করেন।
মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, উর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, বিদেশি আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ এবং কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিল্পীসহ দেশ বরেণ্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বুদ্ধিজীবিগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট