মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন
Title :
কর ফাঁকি ধরতে এনবিআরের এআই প্রযুক্তি: কড়া নজরে বিলাসবহুল গাড়ির মালিকরা কক্সবাজার থেকে মিয়ানমার হয়ে সরাসরি চীন: বাংলাদেশের সামনে ভূ-অর্থনীতির নতুন দিগন্ত বৈধ ভিসা থাকলেই প্রবেশের অধিকার নিশ্চিত নয়: দিল্লি হাইকোর্ট রিমান্ড শেষে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন নামের বিভ্রাটে ১০ মাস ধরে কারাগারে নির্দোষ আলমাছ: পরিচয় নিশ্চিতে হাইকোর্টের তদন্তের নির্দেশ যমুনার চরে ৬ হাজার মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র: জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা, বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: এমপি মিষ্টির পদত্যাগে কাঁপছে অপরাধ জগৎ কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়াম চালান বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন হচ্ছে ডিজিটাল, কমবে পারিবারিক মামলা ও জালিয়াতি ঘণ্টাপ্রতি শ্রম নয়, দক্ষতার বাজারমূল্যেই বাড়ে সফলতা প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে টিকে থাকতে কারিগরি দক্ষতার বিকল্প নেই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে গ্রীক স্মৃতিসৌধঃ জানেন এর পিছনে ইতিহাস?

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫
  • ৬২৯ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে গ্রীক স্মৃতিসৌধঃ জানেন এর পিছনে ইতিহাস?

বিশেষ প্রতিবেদন,আদালত বার্তাঃ৩১ জুলাই ২০২৫

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে অবস্থিত একটি নিঃশব্দ, অথচ ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্ন হলো গ্রীক সমাধিসৌধ। দেখতে চতুষ্কোণ আকৃতির একটি কুটিরের মতো হলুদ রঙের এই স্থাপনাটি গ্রীকদের স্মরণে নির্মিত একটি সমাধি সৌধ। দেশের ইতিহাসে গ্রীকদের শেষ স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে এই সৌধটির গুরুত্ব অপরিসীম।

এই সমাধিটি নির্মাণ করেছিলেন সেইন্ট টমাস গির্জার যাজক জে এম ম্যাকডোনাল্ড। এটি মূলত নারায়ণগঞ্জে বসবাসকারী ‘ডিমিট্রিয়াস’ নামক এক গ্রীক পরিবারের চার সদস্যের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়। ইতিহাসবিদদের ধারণা, এটি ১৮০০ থেকে ১৮৪০ সালের মধ্যবর্তী কোনো সময়ে নির্মিত।

বাংলাদেশে গ্রীকদের বসবাসের ইতিহাস বেশ পুরোনো। ১৭৭০ থেকে ১৮০০ সালের মধ্যে ঢাকায় প্রায় দুই শতাধিক গ্রীক বসবাস করতেন। তাদের একটি বড় অংশের বসবাস ছিল ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে। সময়ের পরিক্রমায় সেইসব গ্রীক পরিবার ও তাদের বসতি হারিয়ে গেলেও, টিকে আছে এই সমাধিসৌধটি — যেন ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী হয়ে।

টিএসসির সবুজ মাঠের দক্ষিণ কোণায় দাঁড়িয়ে থাকা এই সৌধের বাইরের রূপ যেমন দৃষ্টিনন্দন, তেমনি ভেতরের এপিটাফগুলোও অত্যন্ত শৈল্পিক ও হৃদয়ছোঁয়া। এটি শুধুই একটি সমাধি নয়, বরং উপমহাদেশে গ্রীকদের উপস্থিতির একমাত্র জীবন্ত প্রমাণ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট