1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে গ্রীক স্মৃতিসৌধঃ জানেন এর পিছনে ইতিহাস? - আদালত বার্তা
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিশু রামিসা হত্যা: ফাঁসির ২ আসামির জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করলেন হাইকোর্ট রক্তাক্ত মানুষ, নির্লিপ্ত সমাজ: কমলাপুরের ঘটনা মানবতার সংকটের আরেক নির্মম উদাহরণ ঢাকার ইতিহাসে নতুন দিগন্ত: নাজিমুদ্দিন রোডের খননে মিলল ৬০০ বছরের প্রাচীন দুর্গ, ইঙ্গিত আড়াই হাজার বছরের পুরোনো জনপদের রাজধানীর যানজট নিরসনে বড় উদ্যোগ সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও মহাখালী বাস টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় ইস্যুতে আপিল শুনানি ১ সেপ্টেম্বর ৭ দিনেই বিচারকার্য সম্পন্নবাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলার রায় বুধবার আইনজীবীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতার ঘাটতি কি ন্যায়বিচারের পথে নতুন বাধা? বার কাউন্সিল এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৯২০১ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা শূন্যরেখায় মানুষ: পরিচয়হীনতার নির্মম বাস্তবতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে গ্রীক স্মৃতিসৌধঃ জানেন এর পিছনে ইতিহাস?

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫
  • ৪৪১ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে গ্রীক স্মৃতিসৌধঃ জানেন এর পিছনে ইতিহাস?

বিশেষ প্রতিবেদন,আদালত বার্তাঃ৩১ জুলাই ২০২৫

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে অবস্থিত একটি নিঃশব্দ, অথচ ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্ন হলো গ্রীক সমাধিসৌধ। দেখতে চতুষ্কোণ আকৃতির একটি কুটিরের মতো হলুদ রঙের এই স্থাপনাটি গ্রীকদের স্মরণে নির্মিত একটি সমাধি সৌধ। দেশের ইতিহাসে গ্রীকদের শেষ স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে এই সৌধটির গুরুত্ব অপরিসীম।

এই সমাধিটি নির্মাণ করেছিলেন সেইন্ট টমাস গির্জার যাজক জে এম ম্যাকডোনাল্ড। এটি মূলত নারায়ণগঞ্জে বসবাসকারী ‘ডিমিট্রিয়াস’ নামক এক গ্রীক পরিবারের চার সদস্যের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়। ইতিহাসবিদদের ধারণা, এটি ১৮০০ থেকে ১৮৪০ সালের মধ্যবর্তী কোনো সময়ে নির্মিত।

বাংলাদেশে গ্রীকদের বসবাসের ইতিহাস বেশ পুরোনো। ১৭৭০ থেকে ১৮০০ সালের মধ্যে ঢাকায় প্রায় দুই শতাধিক গ্রীক বসবাস করতেন। তাদের একটি বড় অংশের বসবাস ছিল ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে। সময়ের পরিক্রমায় সেইসব গ্রীক পরিবার ও তাদের বসতি হারিয়ে গেলেও, টিকে আছে এই সমাধিসৌধটি — যেন ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী হয়ে।

টিএসসির সবুজ মাঠের দক্ষিণ কোণায় দাঁড়িয়ে থাকা এই সৌধের বাইরের রূপ যেমন দৃষ্টিনন্দন, তেমনি ভেতরের এপিটাফগুলোও অত্যন্ত শৈল্পিক ও হৃদয়ছোঁয়া। এটি শুধুই একটি সমাধি নয়, বরং উপমহাদেশে গ্রীকদের উপস্থিতির একমাত্র জীবন্ত প্রমাণ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট