বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন
Title :
ক্রসফায়ার’ বন্ধ, অপরাধ দমনে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ডিটেনশনের প্রস্তাব পুলিশের বঙ্গবন্ধুর “অসমাপ্ত আত্মজীবনী”: এক অনন্য ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক দলিলের বিচার-বিশ্লেষণ বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক সংকট ও নৈতিক দ্বন্দ্ব: একটি বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদন বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন হয়রানি: বৈধ যাত্রীদের বাধা দেওয়ায় হাইকোর্টের কড়া রুল ও নির্দেশনা রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞা ছাড়াই ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রিতে বাধা: আইনি প্রক্রিয়া লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রকাশকদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি: সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি জাসদ কার্যালয় থেকে আটক ২৭ জনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর খালাস পাওয়ার পরও ৮ বছর কারাগারে: ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হাইকোর্টের রুল অনুমোদনহীন ২২ অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে লেনদেনে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কতা বণ্টন মামলায় পৃথক স্বত্ব ঘোষণার মামলা ছাড়াই স্বত্বের প্রশ্ন নির্ধারণ করা যায়: হাইকোর্ট

বিনিয়োগ ছাড়াই নগদের কাছ থেকে ১৪ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়েছে সরকার’

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ মে, ২০২৪
  • ৫১০ বার পড়া হয়েছে

‘বিনিয়োগ ছাড়াই নগদের কাছ থেকে
১৪ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়েছে সরকার’

ইন্টারনেটের সর্বনিম্ন গতি ২০ এমবিপিএস,
নীতিমালা আসছে: প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ১৮ মে ২০২৪।
চলতি বছর নতুন ব্রডব্যান্ড নীতিমালা ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেছেন, আইসিটি উপদেষ্টার নির্দেশনায় আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

যেখানে অন্ততপক্ষে ২০ এমবিপিএসেক আমরা সর্বনিম্ন ব্রডব্যান্ড হিসেবে ঘোষণা করব। যাতে এর নিচে কেউ ব্রডব্যান্ড সংযোগ দিতে না পারে। আমরা যাতে দেশের প্রতিটি নাগরিককে সুলভ মূলে উচ্চগতির ইন্টারনেট দিতে পারি, এটা আমাদের লক্ষ্য।

কোনো ধরনের বিনিয়োগ ছাড়াই মোবাইল ব্যাংকিং সেবা নগদ–এর কাছ থেকে ১৪ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব পেয়েছে সরকার। এর মধ্যে শুধু চলতি অর্থবছরেই পাওয়া গেছে সাড়ে ৫ কোটি টাকা।

শুক্রবার (১৭ মে) রাজধানীর ওসামনী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল ‘ডিজিটাল উদ্ভাবন, টেকসই উন্নয়ন’।

অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, আধুনিক ও ভবিষ্যতমুখী প্রযুক্তিগুলো যেভাবে আমাদের জীবনকে সহজ করছে, একইভাবে আমাদের ব্যক্তি, পরিবার, জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে অনেক ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। এআই প্রযুক্তি একদিকে যেমন সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিচ্ছে, অপরদিকে আসল-নকল চেনাটা দুষ্কর হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশনায় আইনমন্ত্রীর নেতৃত্ব এআই আইন তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছি৷ যাতে এআই এর সম্ভাবনা আমাদের তরুণ উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তারা ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করতে পারে। তবে এটার যে ঝুঁকি সেটি মাথায় রেখে আমরা কিছু দিক নির্দেশনা দিতে পারি।

এ সময় তিনি আরও দুটি আইন করার কথা জানিয়ে বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নতুন টেলিকম আইন প্রণয়ন করব। এছাড়া আমরা আমাদের নাগরিকদের জন্য ব্যক্তিগত ডাটা নিরাপত্তা আইন করতে যাচ্ছি। যাতে নাগরিকদের তথ্য সুরক্ষা ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা হয়।

বাংলাদেশে মেধার ঘাটতি নেই উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, দরকার একটু সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার। সেই সুযোগ তৈরি করে দিতে চেয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ উপহার দিয়েছিলেন। যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে বিজ্ঞানমনষ্ক প্রজন্মের নেতৃত্বে সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করতে চেয়েছিলেন। ওনার দূরদর্শিতা দিয়ে উনি বুঝতে পেরেছিলেন, আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে হবে, সোনার বাংলা গড়তে হলে। প্রতিটি মানুষকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করে, সোনার মানুষে পরিণত করতে পারলেই আমরা সোনার বাংলা গড়ে তুলতে পারব।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এসেছিলেন বলেই, আমরা আজকে একটি গণতান্ত্রিক, মধ্যম আয়ের প্রযুক্তি নির্ভর মর্যাদাশীল ডিজিটাল বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিতে পারছি। বঙ্গবন্ধু কন্যা যদি ফিরে না আসতেন, তাহলে আজকে আমরা হয়তো একটি দরিদ্র, সন্ত্রাসকবলিত ব্যর্থ রাষ্ট্রের অসম্মানজনক নাগরিক হিসেবই হয়তো আমাদের পরিচয় দিতে হতো।

বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় সরকার প্রধান খালেদা জিয়ার একটি ভুল সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশ ২০ বছর পিছিয়ে গেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ১৯৯২ সালে আমরা বিনামূল্যে সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। কিন্তু খালেদা জিয়ার ভুল সিদ্ধান্তের কারণে আমরা যুক্ত হতে পারিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে আমরা এখন দুইটি সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত এবং আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে আমরা তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হতে যাচ্ছি। বাংলাদেশ এখন টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে জলে, স্থলে, অন্তরিক্ষে সর্বত্র বিরাজ করছে। আমরা আমাদের দ্বিতীয় নিজস্ব স্যাটেলাইট চলতি মেয়াদে উৎক্ষেপণ করতে পারব বলে আশা করছি।

চলতি অর্থবছরে নগদের কাছ থেকে ডাক বিভাগ প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা পেয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, কোনো প্রকার বিনিয়োগ না করে আমরা শুধু ইনফাস্ট্রাকচার ও পলিসি সাপোর্ট দিয়ে আমরা আয়ের পথ তৈরি করতে পেরেছে। নগদের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত সর্বমোট আমরা ১৪ কোটি টাকার বেশি পেয়েছি।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ. কে. এম ম. আমিরুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্যে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইডিজিই প্রকল্পের পলিসি অ্যাডভাইজার অ্যান্ড কম্পোনেন্ট লিডার মো. আব্দুল বারী।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ। বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. শাহজাহান মাহমুদ।

অনুষ্ঠানে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে নতুন স্মারক ডাকটিকেট, উদ্বোধনী খাম ও সিলমোহর অবমুক্ত করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। পাশাপাশি বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরষ্কার বিতরণ করেন তিনি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট