শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
Title :
অবকাশের পর খুলছে সুপ্রিম কোর্ট: কাল আপিল বিভাগের ১ নম্বর কোর্টের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ, থাকছে প্রথাগত সৌজন্য সাক্ষাৎ আগামীকাল ২৫ অক্টোবর ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের অনুষ্ঠানে বিচারপতি-আইনজীবীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার নিজ ফ্ল্যাটে গলা ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত দীর্ঘ অবকাশ শেষে সুপ্রিম কোর্টে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু ২৫ অক্টোবর বিজ্ঞ আইনজীবীদের জন্য শনিবার খোলা থাকবে অ্যাটর্নি-জেনারেলের কার্যালয় পাহাড়ের সৌন্দর্যের আড়ালে নিরাপত্তার নেপথ্য প্রহরা বর্ডার পার হওয়ার আগে অবশ্যই পোর্ট ট্যাক্স ও ভ্রমণ কর সঙ্গে রাখবেন সেনাপ্রধানের সেন্ট মার্টিন সফর ঘিরে প্রশ্ন, গভীর সমুদ্রে যাওয়ার খবরের স্বাধীন যাচাই হয়নি চীনা কোম্পানির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব: তিন দশকের ফাইলবন্দি খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্পে নতুন গতি ফ্রান্সের অস্থিরতা: গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ কোথায় শেষ, নৈরাজ্য কোথায় শুরু? সৌরবিদ্যুৎ সুরক্ষায় কঠোর শাস্তির বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি: চুরি ও নাশকতায় কারাদণ্ড-অর্থদণ্ড

অপরাধী যেখানেই লুকিয়ে থাকুক আদালত ধরতে সক্ষম : আপিল বিভাগ।

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪
  • ৪৪১ বার পড়া হয়েছে

অপরাধী যেখানেই লুকিয়ে থাকুক আদালত ধরতে সক্ষম : আপিল বিভাগ।
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ২৬ জুন ২০২৪
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বলেছেন, অপরাধীরা যেখানেই লুকিয়ে থাকুক, তাদের ধরতে আদালত যথেষ্ট সক্ষম। এটি ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে, অপরাধীরা যেখানেই লুকিয়ে থাকুক না কেন, অন্যায়কারীদের ধরতে আদালতের হাত যথেষ্ট দীর্ঘ।

আদালত অবমাননার দায়ে কুমিল্লার সাবেক চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোহেল রানাকে অব্যাহতির পূর্ণাঙ্গ রায়ে আপিল বিভাগ এ পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন।

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ ঘোষিত এ রায় মঙ্গলবার (২৫ জুন) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

আপিল বিভাগ বিচারক সোহেল রানাকে কঠোরভাবে ভর্ৎসনা করেছেন এবং ভবিষ্যতে তিনি যেন আদালত অবমাননার পুনরাবৃত্তি না করেন সে বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে তাকে ক্ষমা করে দেন।

আদালত বলেছেন, আমাদের প্রত্যাশা যে, এই ঘটনাটি সব বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য একটি পাঠ হিসেবে কাজ করবে। বিচার বিভাগের মর্যাদা ও কর্তৃত্বকে সর্বদা সম্মান ও সমুন্নত রাখতে হবে।

পর্যবেক্ষণে তাকে অব্যাহতি দেয়ার কারণ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, যেহেতু এটি সোহেল রানার প্রথম অপরাধ এবং তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে সুপ্রিম কোর্টের কোন আদেশ অমান্য করে তিনি কোন কাজ করবেন না। তবে তার আচরণের বিষয়ে তাকে গুরুতরভাবে নিন্দা ও সতর্ক করেছি।

এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি আদালত অবমাননার দায়ে কুমিল্লার সাবেক চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত) মো. সোহেল রানার সাজার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে দেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে তাকে সাজা থেকে অব্যাহতি দেন সর্বোচ্চ আদালত।

তার আগে গত ৬ ডিসেম্বর আদালত অবমাননার দায়ে মো. সোহেল রানার সাজার রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি শেষ হয়। তার আগের দিন আপিল বিভাগে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন সোহেল রানা। ক্ষমার আবেদনে তিনি বলেন, আমাকে ক্ষমা করে সাজা থেকে অব্যাহতি দিয়ে একজন ভালো বিচারক হওয়ার সুযোগ দিন।

বিচারকের আদালত অবমাননার প্রেক্ষাপট
মামলার নথি থেকে জানা যায়, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনে মামুন চৌধুরী ও রিয়া আক্তার দম্পতির বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ২৭ মার্চ কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা হয়। মামলার কার্যক্রমের বৈধতা নিয়ে মামুন-রিয়া দম্পতির করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর হাইকোর্ট রুল দেন। একইসঙ্গে মামলার কার্যক্রম চার মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট।

২০১৯ সালের ৬ মার্চ রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। এ স্থগিতাদেশ সত্ত্বেও কুমিল্লার তৎকালীন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা গত ১০ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট মামলায় অভিযোগ গঠন করেন।

উচ্চ আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে মামলার কার্যক্রম চালানো এবং অভিযোগ গঠন করায় বিচারক সোহেল রানার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে অভিযোগ করেন আসামি মামুন চৌধুরী।

গত ১৪ আগস্ট হাইকোর্ট এক আদেশে বিচারক সোহেল রানাকে তলব করেন। উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করার বিষয়ে অবস্থান ব্যাখ্যা করতে ২১ আগস্ট তাকে হাইকোর্টে হাজির হতে বলা হয়। ধার্য তারিখে তিনি হাইকোর্টে হাজির হন। পরবর্তী সময়ে জবাব দাখিল করেন। তবে জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় গত ২৮ আগস্ট সোহেল রানার প্রতি আদালত অবমাননার স্বপ্রণোদিত রুল দেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি ৯ অক্টোবর তাকে হাইকোর্টে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট