1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
কেন HSC শেষে বিদেশে উচ্চশিক্ষা শুরু করা উচিত?  - আদালত বার্তা
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৪:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আইনজীবীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতার ঘাটতি কি ন্যায়বিচারের পথে নতুন বাধা? বার কাউন্সিল এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৯২০১ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা শূন্যরেখায় মানুষ: পরিচয়হীনতার নির্মম বাস্তবতা ছিনতাইয়ের আতঙ্কে রাজধানী: বাড়ছে অপরাধ, ঝুঁকিতে নগরজীবন সিভিল জজ নিয়োগে ৫ বছরের ওকালতির অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করার দাবি জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনে রাজশাহী বারের আবেদন কাজী নিয়োগে ৩ সদস্যের প্যানেল থেকে সিদ্ধান্তে গড়িমসি বেআইনি—হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ আবেগ নয়, আইনের পথে: মামলা করার আগে পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্ব বাড়ছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘চীন-বাংলাদেশ ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন’ উদ্বোধন: সমুদ্র গবেষণায় নতুন দিগন্ত বিয়ে করে অপরাধ করেননি নাসির-তামিমা: খালাসের রায়, আপিলের ঘোষণা বাদীপক্ষের।

কেন HSC শেষে বিদেশে উচ্চশিক্ষা শুরু করা উচিত? 

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫
  • ৫১২ বার পড়া হয়েছে

কেন HSC শেষে বিদেশে উচ্চশিক্ষা শুরু করা উচিত? 

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ৫ জুন ২০২৫

কেন HSC শেষে বিদেশে উচ্চশিক্ষা শুরু করাই হতে পারে সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত?

অনেকেই দ্বিধায় থাকেন—HSC শেষ করে সরাসরি বিদেশে পড়তে যাবেন, না কি দেশে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে মাস্টার্সের জন্য আবেদন করবেন। বাস্তব অভিজ্ঞতা বলছে, ব্যাচেলর পর্যায়ে বিদেশে পড়তে গেলে সেটেলমেন্ট ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারে বড় সুবিধা পাওয়া যায়।

কেন আন্ডারগ্র্যাজুয়েটে বিদেশে যাওয়া বেশি উপকারী?
১. স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি
উন্নত দেশগুলোতে ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জন করলে সেখানে চাকরি পাওয়া এবং পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তুলনামূলকভাবে সহজ হয়। মাস্টার্সের তুলনায় ব্যাচেলরের পর স্থায়ী ভিসা পাওয়া সহজতর।

২. অল্প বয়সে নাগরিকত্বের পথে এগিয়ে যাওয়া
তরুণ বয়সে বিদেশে গেলে সেখানে বেশি সময় থাকার সুযোগ হয়, ফলে নাগরিকত্ব পাওয়ার পথও সহজ হয়। বয়স কম থাকলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করাও সহজ হয়।

৩. কম স্ট্রাগলে বেশি অগ্রগতি
তরুণ বয়সে পরিবারের চাপ কম থাকে, ফলে একাডেমিক ও পেশাগত জীবনে মনোযোগ দেওয়া সহজ হয়। সেই সঙ্গে নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটাও সহজ হয়ে ওঠে।

৪. মানসম্পন্ন শিক্ষা ও ক্যারিয়ার নিশ্চিতকরণ
আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া মানেই উন্নত শিক্ষা ও ভবিষ্যতে ভালো চাকরির নিশ্চয়তা। অনেক সময় শিক্ষাকালীনই ইন্ডাস্ট্রি এক্সপেরিয়েন্স অর্জনের সুযোগ পাওয়া যায়, যা পরবর্তী ক্যারিয়ারে সহায়ক।

৫. পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার সামর্থ্য তৈরি
১৮ বা ১৯ বছর বয়সে বিদেশে পড়তে গেলে ২৫-২৬ এর মধ্যেই স্থায়ী চাকরি পাওয়ার সুযোগ থাকে, ফলে খুব অল্প বয়সেই পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করার সুযোগ তৈরি হয়।

৬. তুলনামূলক কম GPA বা IELTS স্কোরেও সুযোগ
কিছু দেশে HSC-এর পর কম GPA ও IELTS স্কোরেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও ভিসার সুযোগ মেলে, যেখানে মাস্টার্সের ক্ষেত্রে এই শর্তগুলো আরও কঠিন হয়।

৭. ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সহজ
তরুণ বয়সে নতুন ভাষা শেখা ও সংস্কৃতি গ্রহণ সহজ হয়। বয়স বাড়লে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কমে যায়।

৮. সাইন্স ও টেক বিষয়গুলোর জন্য বেশি সুবিধা
ব্যাচেলর পর্যায়ে সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল ও টেকনোলজি বিষয়ে উন্নত দেশে ভর্তি পাওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ, যা ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারে বিশাল ভূমিকা রাখতে পারে।

সিদ্ধান্ত আপনার!!!

HSC শেষে বিদেশে পড়তে গেলে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা, ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ এবং উন্নত জীবনযাত্রার পূর্ণ সুবিধা নিতে পারে। তাই যারা ভবিষ্যতে বিশ্বমঞ্চে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান, তাদের জন্য আন্ডারগ্র্যাজুয়েটেই বিদেশে যাত্রা শুরু করাই হতে পারে সবচেয়ে বুদ্ধিমান সিদ্ধান্ত।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট