শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
Title :
অবকাশের পর খুলছে সুপ্রিম কোর্ট: কাল আপিল বিভাগের ১ নম্বর কোর্টের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ, থাকছে প্রথাগত সৌজন্য সাক্ষাৎ আগামীকাল ২৫ অক্টোবর ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের অনুষ্ঠানে বিচারপতি-আইনজীবীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার নিজ ফ্ল্যাটে গলা ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত দীর্ঘ অবকাশ শেষে সুপ্রিম কোর্টে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু ২৫ অক্টোবর বিজ্ঞ আইনজীবীদের জন্য শনিবার খোলা থাকবে অ্যাটর্নি-জেনারেলের কার্যালয় পাহাড়ের সৌন্দর্যের আড়ালে নিরাপত্তার নেপথ্য প্রহরা বর্ডার পার হওয়ার আগে অবশ্যই পোর্ট ট্যাক্স ও ভ্রমণ কর সঙ্গে রাখবেন সেনাপ্রধানের সেন্ট মার্টিন সফর ঘিরে প্রশ্ন, গভীর সমুদ্রে যাওয়ার খবরের স্বাধীন যাচাই হয়নি চীনা কোম্পানির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব: তিন দশকের ফাইলবন্দি খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্পে নতুন গতি ফ্রান্সের অস্থিরতা: গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ কোথায় শেষ, নৈরাজ্য কোথায় শুরু? সৌরবিদ্যুৎ সুরক্ষায় কঠোর শাস্তির বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি: চুরি ও নাশকতায় কারাদণ্ড-অর্থদণ্ড

ছাত্র নেতৃত্বের কাছে একজন বিচারপতির পরামর্শ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৭ আগস্ট, ২০২৪
  • ৪৪১ বার পড়া হয়েছে

ছাত্র নেতৃত্বের কাছে একজন বিচারপতির পরামর্শ
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ০৭ আগস্ট ২০২৪
ছাত্র নেতৃত্বের কাছে একজন বিচারপতির পরামর্শ
স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ গড়ে তুলতে এবং সুপ্রিম কোর্টের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে ছাত্র নেতৃত্বের কাছে কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ। মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব পরামর্শ দেন।

বিচারপতি হাসান লিখেছেন, বিচারপ্রার্থী মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট দলীয় রাজনীতির যাঁতাকলে পড়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। বর্তমানে কোনো দলীয় সরকার নেই। তাই নতুন বাংলাদেশের কারিগর, সন্তানতুল্য ছাত্রছাত্রীদের জন্য দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারক হিসেবে কথাগুলো বলা আমার নৈতিক দায়িত্ব মনে করছি।

নিম্নে বর্ণিত কাজগুলো বাস্তবায়িত না হলে সুপ্রিম কোর্ট সবসময় বিতর্কিতই থেকে যাবে এবং তোমাদের স্বপ্নের দেশ গঠনে বড় বাধা হয়ে থাকবে বলে মনে করি।

কাজগুলো হলো—

১) বিচারপতি নিয়োগে দল-নিরপেক্ষ আইন প্রণয়ন করা।

২) হাইকোর্ট বিভাগের বেঞ্চ গঠনে প্রধান বিচারপতির একচ্ছত্র ক্ষমতায় চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের ব্যবস্থা রাখা।

৩) হাইকোর্ট বিভাগের জিএ কমিটি এবং জাজেজ কমিটি গঠনে প্রধান বিচারপতির একচ্ছত্র ক্ষমতায় লাগাম টানা।

৪) হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকদের জ্যেষ্ঠতার ব্যত্যয় ঘটিয়ে আপিল বিভাগে নিয়োগ সাংবিধানিকভাবে বন্ধ করা।

৫) একইভাবে আপিল বিভাগের বিচারকদের জ্যেষ্ঠতার ব্যত্যয় ঘটিয়ে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ সাংবিধানিকভাবে বন্ধ করা।

৬) বিচারকদের দুর্নীতি ও পক্ষপাতমূলক আচরণ বন্ধে বিচারক এবং সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক সাংবিধানিক পদ্ধতি প্রণয়ন করা।

ফেসবুক পোস্টে ছাত্রদের উদ্দেশে বিচারপতি হাসান আরও লিখেছেন, মনে রাখবা, বিচারপতিরা আসমান থেকে নেমে আসে না। তোমাদের অগ্রজদেরই কেউ কেউ বিচারপতি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট