মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
Title :
গাজীপুরে ভূমি অফিসে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য: অনিয়ম-অবহেলায় একযোগে বরখাস্ত ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশি সেবা আরও কার্যকর করতে ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনা সিস্টেম পরিচালনা করতে বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়াদের সুবিধার্থে ডিএমপি’র বিশেষ নির্দেশনা ৩০ নভেম্বরের পর অকার্যকর হবে পুরোনো বিআইএন, নতুন নম্বর নেওয়ার নির্দেশ শান্তিরক্ষা মিশনে স্পেশাল প্লাটুন পাঠাতে কমিটি ইসরাইলকে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের পর্যাপ্ত সমরাস্ত্র নেই: মার্কিন জেনারেল আদালত বার্তা বিশেষ প্রতিবেদন  নাইজেরিয়ায় “Barrister” উপাধি নিষিদ্ধ পেশাগত শৃঙ্খলা নাকি আইনগত সংস্কার? স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ ও বিয়েতে বাধা দেওয়া যাবে না: ভারতীয় হাইকোর্ট অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক: বঞ্চিত আইনজীবীদের বিক্ষোভ, স্বচ্ছতার দাবি কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত হচ্ছে মহানগর এক্সপ্রেস মফস্বলে সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন বাড়ছে: জুলাইয়ে ৫০ জন ক্ষতিগ্রস্ত, ৯১% ঘটনা জেলা-উপজেলায়

বিদেশে পাচার হওয়া টাকার পরিমাণ কত, জানা গেল।

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৬৪০ বার পড়া হয়েছে

বিদেশে পাচার হওয়া টাকার পরিমাণ কত, জানা গেল।

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর বিদেশে পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ কত? এমন প্রশ্নের উত্তর মিলছে বৈশ্বিক একটি আর্থিক গবেষণা সংস্থার প্রতিবেদনে। সংস্থাটি বলছে, গড়ে প্রতি বছর ৮০ হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বের ছোট্ট এই দেশ থেকে! যার বড় একটি অংশই পাচার হয়েছে তথাকথিত ‘আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে’। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যে করেই হোক পাচার হওয়া অর্থ ফেরানোই এখন মূল চ্যালেঞ্জ।

গত কয়েক বছর ধরেই ডলার সংকট, ভঙ্গুর অর্থনীতি, মূল্যস্ফিতিসহ নানাবিধা টানাপোড়েনে দেশের অর্থনীতি, যার অন্যতম কারণ অর্থপাচার। বৈশ্বিক বাণিজ্যভিত্তিক কারসাজি, হুণ্ডি, চোরাচালানসহ নানাবিধ পন্থায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাচার করা হয়েছে লক্ষাধিক কোটি টাকা।

ওয়াশিংটনভিত্তিক অর্থিক খাতের গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেগ্রিটির (জিএফআই) তথ্য বলছে, বাংলাদেশ থেকে গড়ে প্রতি বছর ৭৫৩ কোটি ৩৭ লাখ ডলার বা ৮০ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে।

শুধু ব্যক্তি উদ্যোগেই নয়, অর্থ পাচার প্রক্রিয়ায় পরোক্ষভাবে যুক্ত হয়েছে দেশের একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকও। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বলছে, গেল প্রায় দেড় যুগে দেশীয় ১৯টি ব্যাংকে আত্মসাৎ করা মাত্র ২৪টি ঋণ কেলেঙ্কারির মাধ্যমেই প্রায় একশ হাজার কোটিরও বেশি টাকা পাচার হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে বেশ কয়েক বছর আগেই বাংলাদেশ বহু দেশের সঙ্গে একাধিক চুক্তি করে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সেইসব চুক্তি এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ জারি রাখতে পারে বর্তমান সরকার।

সিপিডির সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,

বৈশ্বিক পরিসরের উদ্যোগের পাশাপাশি অর্থ ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে হবে দুর্নীতি দমন কমিশনকেও (দুদক)। প্রয়োজনে টাস্কফোর্স গঠনের মাধ্যমে নিবিড় অনুসন্ধানের তাগিদ দিচ্ছেন আইনজ্ঞরা।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ মাহসিব হোসাইন বলেন,

অতীত অভিজ্ঞতা বলে, অর্থ পাচার যতটা সহজভাবে হয়েছে, সেই অর্থ ফিরিয়ে আনা ততটাই কঠিন থেকে কঠিনতর। তারপর আশার কথা হলো, এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট