1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ও জেরাল্ড ফোর্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন কিসিঞ্জার। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলা বিতর্কিত মন্তব্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে তার নামটি - আদালত বার্তা
সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফের বাড়তে পারে শীতের দাপট পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্টে সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ দেশজুড়ে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে।৭৩ বছরের রেকর্ডে আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতি আর কখনো দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।  বাংলাদেশের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানোর পরিকল্পনা নেই জাতিসংঘের। রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয় : রিজওয়ানা সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে মামলাজট কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস প্রধান বিচারপতি অবকাশ শেষে খুলেছে সুপ্রিম কোর্ট, প্রধান বিচারপতির প্রথম কার্যদিবস তিন মূল লক্ষ্যকে সমনে রেখে সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর অভিযান। দেশে প্রথম বিশেষায়িত বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা: অধ্যাদেশ জারি

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ও জেরাল্ড ফোর্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন কিসিঞ্জার। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলা বিতর্কিত মন্তব্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে তার নামটি

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩৬০ বার পড়া হয়েছে

পাক্কা শতায়ুতে মৃত্যুর স্বাদ নিতে হয়েছে সাবেক বহুল আলোচিত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কূটনীতিবিদ হেনরি কিসিঞ্জারকে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ও জেরাল্ড ফোর্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন কিসিঞ্জার। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলা বিতর্কিত মন্তব্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে তার নামটি। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ওয়াশিংটনে দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে এ প্রসঙ্গটি উঠেছিল। জাপানে নিযুক্ত তখনকার সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত অ্যালেক্সিস জনসন বহুল আলোচিত ওই মন্তব্যটি করলে তাতে সম্মতি দিয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার। কিন্তু বক্তব্যটি প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে কিসিঞ্জারের নামে। পূর্ব বাংলায় পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতায় নীরব থাকা, কম্বোডিয়া ও লাওসে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সম্প্রসারণ, চিলি ও আর্জেন্টিনায় সামরিক অভ্যুত্থানে সমর্থন করায় ব্যাপক সমালোচিত তিনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে মার্কিন কূটনীতির প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাকে।

কিসিঞ্জার শেষ কাজটি করে দিয়ে গেছেন পর্দার আড়ালে থেকে চীনের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক পুনরায় জোড়া লাগিয়ে। ১৯৭১ সালে তিনিই চীনের সঙ্গে আমেরিকার কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে পিকিং সফর করেছিলেন অতি গোপনীয়তায়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন যান ও মাও সে তুংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন, সূচনা হয় নতুন কূটনৈতিক তৎপরতার। মৃত্যুর খবরের পর কিসিঞ্জারকে নিয়ে একটি সাইড রিপোর্ট করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রগতিশীল সংবাদ ওয়েবসাইট হাফপোস্ট। এতে উঠে এসেছে ১৯৭১ সালে দায়িত্বপ্রাপ্ত কূটনীতিক আর্চার ব্লাডকে ঢাকা থেকে সরিয়ে নেওয়ার কথা। শিরোনাম করা হয়েছে ‘তুখোড়’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী, না কুখ্যাত ‘যুদ্ধাপরাধী’। মার্কিন কূটনীতিক আর্চার ব্লাড ১৯৭১ সালে ছিলেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল। বাংলাদেশে পাকিস্তানি নৃশংসতার বিবরণ দিয়ে তিনি ওয়াশিংটনে কূটনীতিক বার্তা পাঠিয়েছিলেন। আর্চার ব্লাড কূটনীতিক বার্তায় বলেছিলেন, পাকিস্তান ভিটেমাটি ছাড়া করে, গুলি করে পদ্ধতিগতভাবে বাংলাদেশিদের নির্মূল করছে। এক মাস পর আর্চার ব্লাড ওয়াশিংটনে আরেকটি টেলিগ্রাম পাঠান। এতে পূর্ব পাকিস্তানে সহিংস দমনপীড়নের নিন্দা জানানো বা সহিংস দমনপীড়ন নিয়ন্ত্রণ চেষ্টায় অস্বীকৃতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নৈতিক দেউলিয়াত্ব প্রদর্শনের অভিযোগ আনেন তিনি। টেলিগ্রামে আর্চার ব্লাড বলেন, ‘গণতন্ত্র দমনের বিষয়ে আমাদের সরকার নিন্দা জানাতে ব্যর্থ হয়েছে। আমাদের সরকার নৃশংসতার নিন্দা জানাতে ব্যর্থ হয়েছে।’

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট