রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন
Title :
যমুনার চরে ৬ হাজার মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র: জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা, বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: এমপি মিষ্টির পদত্যাগে কাঁপছে অপরাধ জগৎ কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়াম চালান বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন হচ্ছে ডিজিটাল, কমবে পারিবারিক মামলা ও জালিয়াতি ঘণ্টাপ্রতি শ্রম নয়, দক্ষতার বাজারমূল্যেই বাড়ে সফলতা প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে টিকে থাকতে কারিগরি দক্ষতার বিকল্প নেই বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই সাংবাদিকতা কি ‘মামার বাড়ির মোয়া’? সরকারি চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশন: নিরাপত্তা যাচাই, নাকি রাজনৈতিক পরিচয় অনুসন্ধান? সড়ক-ফুটপাতে হকার বসলেই মালামাল ক্রোক ও মামলা: ডিএসসিসি প্রশাসকের কঠোর হুঁশিয়ারি। রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগ করছেন এমপি মিষ্টি, প্রত্যাহার পুলিশ কর্মকর্তা

সেন্টমার্টিনে থাকা যাবে না পর্যটক, সরাতে হবে স্থানীয়দেরও’

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৪৫ বার পড়া হয়েছে

‘সেন্টমার্টিনে থাকা যাবে না পর্যটক, সরাতে হবে স্থানীয়দেরও’
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ২৯ জানুয়ারি ২০২৪
‘সেন্টমার্টিনে থাকা যাবে না পর্যটক, সরাতে হবে স্থানীয়দেরও’
সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। দক্ষিণাঞ্চলীয় নয়নাভিরাম এই দ্বীপের সৌন্দর্য অবলোকনে পর্যটকদের ভিড় লাগামহীনভাবে বাড়তে থাকায় সেখানকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। নষ্ট হয়ে যাচ্ছে দ্বীপের চারপাশের প্রবাল। এমন সময়ে এসে দ্বীপকে বাঁচাতে চাইলে সেন্টমার্টিনে কোনো পর্যটক রাত্রীযাপন করা যাবে না। হোটেল-মোটেলও থাকতে পারবে না। স্থানীয়দেরও সেন্টমার্টিন থেকে সরাতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. তৌহিদা রশীদ।

গতকাল রোববার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজারস্থ বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট (বোরি) আয়োজিত আন্তর্জাতিক সমুদ্র বিষয়ক গবেষণা সম্মেলনের শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, দ্বীপটিতে প্রতিদিন অনিয়ন্ত্রিত পর্যটকদের যাতায়াত, অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ, পরিবেশ দূষণ, পর্যটকদের অসচেতনতা এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের কারণে সেখানকার ইকো-সিস্টেম অর্থাৎ পরিবেশ ঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙ ও জীব-বৈচিত্র্য ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসিডিটি এবং দূষণ প্রক্রিয়ার ফলে সেন্টমার্টিনের প্রবাল খসে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। পানি যখন স্বচ্ছ এবং পরিমাণ কম থাকে তখন সূর্যের আলো সরাসরি প্রবালে গিয়ে পড়ে। এর ফলে প্রবালের গঠনটা হয়। কিন্তু সেন্টমার্টিনে দেখা যাচ্ছে অতিরিক্ত দূষণ, এসিডিটির পরিমাণ এতো বেশি বেড়ে গেছে প্রবালের গঠন সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া প্রবাল দিন দিন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। প্রবালের মূল উপাদান হচ্ছে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট। পিএইচ কতটুকু হলে প্রবালের স্বাস্থ্য ভালো থাকে এমন একটা বিষয় আছে। যখন পিএইচ কমে যাচ্ছে তখন এসিডিফেকেশন প্রক্রিয়ার দিকে যাচ্ছে। ফলে প্রবালের স্বাস্থ্যটা নষ্ট হয়ে যায় এবং ভেঙে যায়। এটাই সেখানে হচ্ছে।
সেন্টমার্টিনকে বাঁচাতে হলে দুটি পরামর্শ দিয়ে সমুদ্র গবেষণা ইন্সটিটিউটের এই মহাপরিচালক বলেন, সেন্টমার্টিনকে রক্ষা করতে প্রথমত দূষণ একেবারেই বন্ধ করতে হবে। দ্বিতীয়ত দ্বীপটিতে পর্যটকরা যাবে কিন্তু রাত্রীযাপন করতে পারবে না। একদমই থাকা যাবে না। বিরক্ত একেবারেই করা যাবে না। পর্যটকরা যাবে এবং চলে আসবে। সেখানে কোনো হোটেল-মোটেল রাখা যাবে না। যেহেতু সেন্টমার্টিনকে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া (সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা) ঘোষণা করেছে সরকার সেহেতু এখানে থাকা-খাওয়ার কোনো ব্যবস্থা করা যাবে না। এমনকি যারা ওখানে বসবাস করছে স্থানীয় মানুষ সরকারের উচিত তাদেরকেও অন্য জায়গায় স্থানান্তর করা। কারণ সেখানে কোনো মানব বসতির সুযোগ থাকবে না। যেহেতু বিরল একটি দ্বীপ শুধুমাত্র দেশি-বিদেশি পর্যটকরা ঘুরতে যাবে এবং ঘুরে চলে আসবে। এরকম যদি করা যায় তাহলে প্রবাল ধ্বংস বন্ধ হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট