বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন
Title :
ক্ষমতা বদলায়, প্রতিষ্ঠান টিকে থাকে:  ব্যক্তি নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানই রাষ্ট্রের রক্ষাকবচ। তথ্য গোপন করে একাধিক রিট: আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির বাদানুবাদ: এজলাস ছাড়লেন আপিল বিভাগের বিচারপতিরা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট বিদেশ ভ্রমণে বৈদেশিক মুদ্রা খরচের সীমা বেড়ে ১৮ হাজার ডলার দেওয়ানি মামলায় আরজি সংশোধন: আইনি সুযোগ, সীমাবদ্ধতা এবং উচ্চ আদালতের নজির ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে ১০ মিনিট কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের অগ্রিম হোটেল বুকিংয়ের পরামর্শ: উপ-হাইকমিশনের বিশেষ নির্দেশনা বিচারকদের আবাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইকমিশনের জরুরি সতর্কবার্তা ‘গ্যারান্টিযুক্ত ভিসা’ ও ‘দ্রুত প্রসেসিং’-এর নামে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ব্যাংক একীভূতকরণ প্রক্রিয়া, হাইকোর্টের রুল জারি

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫৩৬ বার পড়া হয়েছে

আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ব্যাংক একীভূতকরণ প্রক্রিয়া, হাইকোর্টের রুল জারি

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫।

 ব্যাংক একীভূতকরণে ‘ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ-২০২৫’-এ কিছু নির্দিষ্ট বিধান কেন অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে একটি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এই রুলের ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংক একীভূতকরণ প্রক্রিয়ার আইনি ভিত্তি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ল।

বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি এবং বিচারপতি এসকে তাসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ (০৪ সেপ্টেম্বর) একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এই রুল জারি করেন।

 

 

ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের কয়েকজন সাধারণ শেয়ারহোল্ডারের পক্ষ থেকে এই রিট আবেদনটি করা হয়েছিল।

 

আবেদনকারীদের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম এবং ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আরশাদুর রউফ।

 

ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, রিট আবেদনে ‘ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ-২০২৫’-এর ২৮(৬), ২৮(৭) এবং ১৬(এম) ধারাসহ ৩০, ৩১, ৩৩, ৩৪, ৩৬, ৪৮, ৪৯, ৫০ এবং ৫১ ধারাকে কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

রিটে বলা হয়েছে, অধ্যাদেশের এই বিধানগুলো সংবিধানের ২৭, ৩১, ৪০ এবং ৪২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, এবং তাই এর কোনো আইনি কার্যকারিতা নেই। এই রুলের জবাব দিতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষকে চার সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট