সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
Title :
বৈধ ভিসা থাকলেই প্রবেশের অধিকার নিশ্চিত নয়: দিল্লি হাইকোর্ট রিমান্ড শেষে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন নামের বিভ্রাটে ১০ মাস ধরে কারাগারে নির্দোষ আলমাছ: পরিচয় নিশ্চিতে হাইকোর্টের তদন্তের নির্দেশ যমুনার চরে ৬ হাজার মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র: জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা, বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: এমপি মিষ্টির পদত্যাগে কাঁপছে অপরাধ জগৎ কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়াম চালান বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন হচ্ছে ডিজিটাল, কমবে পারিবারিক মামলা ও জালিয়াতি ঘণ্টাপ্রতি শ্রম নয়, দক্ষতার বাজারমূল্যেই বাড়ে সফলতা প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে টিকে থাকতে কারিগরি দক্ষতার বিকল্প নেই বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই সাংবাদিকতা কি ‘মামার বাড়ির মোয়া’?

আজও টিকে আছে পরিবারের যেসব ধরন

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৬৫৬ বার পড়া হয়েছে

আজও টিকে আছে পরিবারের যেসব ধরন
বিশেষ প্রতিবেদন,আদালত বার্তাঃ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।

পরিবার শব্দটি শুধু বাবা, মা ও সন্তানদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। মানুষ আরও অনেকভাবে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। রক্তের সম্পর্ক ছাড়া বোঝাপড়ার শর্তেও অনেকের সঙ্গে থাকা যায়। তবে পরিবারগুলো বিভিন্ন সামাজিক নিয়ম ও পরিকল্পনার মধ্য দিয়েই আসে। এসব পরিবার শুরুতে যেমন ছিল, আজ তেমন নেই। সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রয়োজনে পরিবারের ধরণে এসেছে নানা পরিবর্তন। বর্তমানে যেসব সমাজ দেখা যায়, সেগুলোকে মোটামুখি ছয়টি ধরনে ভাগ করা যায়।

১. ক্ষুদ্র পরিবার

ক্ষুদ্র পরিবারের উদ্ভব হয়েছে অনেক আগেই। বর্তমানে আমরা যেসব পরিবার দেখি, সেগুলোর অধিকাংশই ক্ষুদ্র পরিবার। এই পরিবার সাধারণত মা-বাবা এবং সন্তান নিয়ে গঠিত হয়ে থাকে। এই পরিবারের শিশুরা ‘বায়োলজিক্যাল’ কিংবা দত্তক হতে পারে। আর মা-বাবা ভিন্ন কিংবা সমলিঙ্গের হতে পারেন। এই পরিবারের ভিত্তি হলো, মা-বাবা একই বাড়িতে থেকে একসঙ্গে সন্তান লালন-পালন করেন। আর ক্ষুদ্র পরিবার সারা বিশ্বে সামাজিক নিয়মে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ পরিবারই ক্ষুদ্র পরিবার।

২. একক মা কিংবা একক বাবা পরিবার

এ ধরনের পরিবার এক বা একাধিক সন্তানের সঙ্গে একজন অভিভাবক নিয়ে গঠিত। এসব পরিবারের অভিভাবকরা স্বামী বা সঙ্গীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পরেও নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী একা থাকতে পারেন। একক অভিভাবকসম্পন্ন পরিবারগুলোকে আগে অবজ্ঞা করা হতো। কিন্তু এখন এটিও একটি স্বীকৃত পরিবার।

৩. বড় পরিবার

এ ধরনের পরিবারে তুলনামূলক বয়স্ক ব্যক্তিরাও থাকেন। এরা মূলত বিয়ে কিংবা রক্তের সম্পর্কের ভিত্তিতে এ ধরণের পরিবারের সদস্য হয়ে থাকেন। পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের পরিবার কমতে শুরু করে।

৪. নিঃসন্তান পরিবার

একটি নিঃসন্তান পরিবার শিশু ছাড়া মা-বাবাকে নিয়ে গঠিত হয়ে থাকে। অধিকাংশ সমাজ এই পরিবারকে সম্পূর্ণ পরিবার হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। তারা আশা করে, তাদের শেষ পর্যন্ত সন্তান হবে। যাই হোক, কিছু দম্পতি আছেন, যারা সন্তান ছাড়া বাঁচতে পছন্দ করেন।

৫. সৎ মা-বাবার পরিবার

এটি মিশ্র পরিবার হিসেবেও পরিচিত। তারা অন্যান্য ক্ষুদ্র পরিবারের দুটি অর্ধেক অংশ নিয়ে গঠিত, যা একটিতে মিশে যায়। পূর্ববর্তী পরিবারের দুজন ব্যক্তি মিলে একটি পরিবার তৈরি করেন। বিবাহবিচ্ছেদের ক্রমবর্ধমান হারের কারণে কয়েক বছর ধরে এসব পরিবার একটি স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেশির ভাগ মিশ্র পরিবারে মা-বাবা থাকেন শিশুদের ‘সহঅভিভাবক’ হিসেবে।

৬. দাদা-দাদির পরিবার

এ ধরনের পরিবারে দাদা-দাদি কিংবা নানা-নানিরা মা-বাবার ভূমিকা পালন করে থাকেন। এই পরিবারের সন্তানদের জীবনে সাধারণত বাবা-মা থাকেন না। ফলে তারা দাদা-দাদির কাছেই বড় হন। মা-বাবার মৃত্যু, বিচ্ছেদ, মাদকাসক্তি, অসুস্থতা, কারাবাস, সন্তানদের ছেড়ে চলে যাওয়া ইত্যাদি কারণে এ ধরনের পরিবারের সৃষ্টি হয়

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট