সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
Title :
বিকাশ-নগদ-রকেটের অতিরিক্ত চার্জ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষায় পৃথক আইন প্রণয়নের প্রশ্নেও নির্দেশনা চাওয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২৭ সংস্কৃতিকর্মী ও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল রবীন্দ্র সরোবরে নাচ-গানে শুরু ‘বর্ষা মঙ্গল উৎসব ১৪৩৩’: নতুন প্রজন্মে সংস্কৃতির বার্তা বাথরুমে সরকারি ওষুধের স্তূপ স্বাস্থ্যব্যবস্থার চরম অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাগেরহাটে ছুরিকাঘাতে আইনজীবী নিহত দেশ গঠনে সাংবাদিকদের এগিয়ে আসতে হবে : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল দেশে চলমান গ্যাস সংকটে ভোগান্তি ক্ষতিগ্রস্ত এলএনজি টার্মিনাল মেরামতে যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞ দল আসছে। বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় সুপ্রিম কোর্ট, আইনজীবী সম্প্রদায়ের জরুরি সংস্কারের প্রয়োজন কক্সবাজারের পর্যটন নিয়ে সরকারের মহাপরিকল্পনা মেট্রো রেখে মনোরেলে মনোযোগ

আজও টিকে আছে পরিবারের যেসব ধরন

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৫৬০ বার পড়া হয়েছে

আজও টিকে আছে পরিবারের যেসব ধরন
বিশেষ প্রতিবেদন,আদালত বার্তাঃ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।

পরিবার শব্দটি শুধু বাবা, মা ও সন্তানদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। মানুষ আরও অনেকভাবে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। রক্তের সম্পর্ক ছাড়া বোঝাপড়ার শর্তেও অনেকের সঙ্গে থাকা যায়। তবে পরিবারগুলো বিভিন্ন সামাজিক নিয়ম ও পরিকল্পনার মধ্য দিয়েই আসে। এসব পরিবার শুরুতে যেমন ছিল, আজ তেমন নেই। সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রয়োজনে পরিবারের ধরণে এসেছে নানা পরিবর্তন। বর্তমানে যেসব সমাজ দেখা যায়, সেগুলোকে মোটামুখি ছয়টি ধরনে ভাগ করা যায়।

১. ক্ষুদ্র পরিবার

ক্ষুদ্র পরিবারের উদ্ভব হয়েছে অনেক আগেই। বর্তমানে আমরা যেসব পরিবার দেখি, সেগুলোর অধিকাংশই ক্ষুদ্র পরিবার। এই পরিবার সাধারণত মা-বাবা এবং সন্তান নিয়ে গঠিত হয়ে থাকে। এই পরিবারের শিশুরা ‘বায়োলজিক্যাল’ কিংবা দত্তক হতে পারে। আর মা-বাবা ভিন্ন কিংবা সমলিঙ্গের হতে পারেন। এই পরিবারের ভিত্তি হলো, মা-বাবা একই বাড়িতে থেকে একসঙ্গে সন্তান লালন-পালন করেন। আর ক্ষুদ্র পরিবার সারা বিশ্বে সামাজিক নিয়মে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ পরিবারই ক্ষুদ্র পরিবার।

২. একক মা কিংবা একক বাবা পরিবার

এ ধরনের পরিবার এক বা একাধিক সন্তানের সঙ্গে একজন অভিভাবক নিয়ে গঠিত। এসব পরিবারের অভিভাবকরা স্বামী বা সঙ্গীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পরেও নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী একা থাকতে পারেন। একক অভিভাবকসম্পন্ন পরিবারগুলোকে আগে অবজ্ঞা করা হতো। কিন্তু এখন এটিও একটি স্বীকৃত পরিবার।

৩. বড় পরিবার

এ ধরনের পরিবারে তুলনামূলক বয়স্ক ব্যক্তিরাও থাকেন। এরা মূলত বিয়ে কিংবা রক্তের সম্পর্কের ভিত্তিতে এ ধরণের পরিবারের সদস্য হয়ে থাকেন। পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের পরিবার কমতে শুরু করে।

৪. নিঃসন্তান পরিবার

একটি নিঃসন্তান পরিবার শিশু ছাড়া মা-বাবাকে নিয়ে গঠিত হয়ে থাকে। অধিকাংশ সমাজ এই পরিবারকে সম্পূর্ণ পরিবার হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। তারা আশা করে, তাদের শেষ পর্যন্ত সন্তান হবে। যাই হোক, কিছু দম্পতি আছেন, যারা সন্তান ছাড়া বাঁচতে পছন্দ করেন।

৫. সৎ মা-বাবার পরিবার

এটি মিশ্র পরিবার হিসেবেও পরিচিত। তারা অন্যান্য ক্ষুদ্র পরিবারের দুটি অর্ধেক অংশ নিয়ে গঠিত, যা একটিতে মিশে যায়। পূর্ববর্তী পরিবারের দুজন ব্যক্তি মিলে একটি পরিবার তৈরি করেন। বিবাহবিচ্ছেদের ক্রমবর্ধমান হারের কারণে কয়েক বছর ধরে এসব পরিবার একটি স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেশির ভাগ মিশ্র পরিবারে মা-বাবা থাকেন শিশুদের ‘সহঅভিভাবক’ হিসেবে।

৬. দাদা-দাদির পরিবার

এ ধরনের পরিবারে দাদা-দাদি কিংবা নানা-নানিরা মা-বাবার ভূমিকা পালন করে থাকেন। এই পরিবারের সন্তানদের জীবনে সাধারণত বাবা-মা থাকেন না। ফলে তারা দাদা-দাদির কাছেই বড় হন। মা-বাবার মৃত্যু, বিচ্ছেদ, মাদকাসক্তি, অসুস্থতা, কারাবাস, সন্তানদের ছেড়ে চলে যাওয়া ইত্যাদি কারণে এ ধরনের পরিবারের সৃষ্টি হয়

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট