1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
আজও টিকে আছে পরিবারের যেসব ধরন - আদালত বার্তা
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজনীতি কি ক্রমেই জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে? ঢাকার জনঘনত্ব কমাতে এখনই দরকার সমন্বিত বিকেন্দ্রীকরণ কৌশল। একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট ক্ষতিপূরণ নয়, অধিকার প্রতিষ্ঠাই মুখ্য: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর প্রাসঙ্গিকতা মিথ্যা মামলা গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভুয়া দাবি, জীবিত মানুষকেও দেখানো হয় মৃত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ের ঘটনার অন্তত ১৪টি ভুয়া মামলার সন্ধান পেয়েছে পিবিআই সিটি করপোরেশন: সংবিধানসম্মত পরিচালনা নিয়ে প্রশ্ন দেড় বছরে ১৫ বিচারপতির বিদায়, অন্যদের জন্য ‘সতর্কবার্তা সেলিনা হায়াৎ আইভীকে হাইকোর্টের দেওয়া জা’মিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। শাহবাগে এক নারীর একক প্রতিবাদ: “ঢাকা বাঁচাতে হকার উচ্ছেদ জরুরি”—বিতর্কের কেন্দ্রে নতুন প্রশ্ন আইন অঙ্গনে টিকে থাকার লড়াই: একজন দক্ষ আইনজীবীর করণীয়

আজও টিকে আছে পরিবারের যেসব ধরন

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৪৬৪ বার পড়া হয়েছে

আজও টিকে আছে পরিবারের যেসব ধরন
বিশেষ প্রতিবেদন,আদালত বার্তাঃ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।

পরিবার শব্দটি শুধু বাবা, মা ও সন্তানদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। মানুষ আরও অনেকভাবে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। রক্তের সম্পর্ক ছাড়া বোঝাপড়ার শর্তেও অনেকের সঙ্গে থাকা যায়। তবে পরিবারগুলো বিভিন্ন সামাজিক নিয়ম ও পরিকল্পনার মধ্য দিয়েই আসে। এসব পরিবার শুরুতে যেমন ছিল, আজ তেমন নেই। সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রয়োজনে পরিবারের ধরণে এসেছে নানা পরিবর্তন। বর্তমানে যেসব সমাজ দেখা যায়, সেগুলোকে মোটামুখি ছয়টি ধরনে ভাগ করা যায়।

১. ক্ষুদ্র পরিবার

ক্ষুদ্র পরিবারের উদ্ভব হয়েছে অনেক আগেই। বর্তমানে আমরা যেসব পরিবার দেখি, সেগুলোর অধিকাংশই ক্ষুদ্র পরিবার। এই পরিবার সাধারণত মা-বাবা এবং সন্তান নিয়ে গঠিত হয়ে থাকে। এই পরিবারের শিশুরা ‘বায়োলজিক্যাল’ কিংবা দত্তক হতে পারে। আর মা-বাবা ভিন্ন কিংবা সমলিঙ্গের হতে পারেন। এই পরিবারের ভিত্তি হলো, মা-বাবা একই বাড়িতে থেকে একসঙ্গে সন্তান লালন-পালন করেন। আর ক্ষুদ্র পরিবার সারা বিশ্বে সামাজিক নিয়মে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ পরিবারই ক্ষুদ্র পরিবার।

২. একক মা কিংবা একক বাবা পরিবার

এ ধরনের পরিবার এক বা একাধিক সন্তানের সঙ্গে একজন অভিভাবক নিয়ে গঠিত। এসব পরিবারের অভিভাবকরা স্বামী বা সঙ্গীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পরেও নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী একা থাকতে পারেন। একক অভিভাবকসম্পন্ন পরিবারগুলোকে আগে অবজ্ঞা করা হতো। কিন্তু এখন এটিও একটি স্বীকৃত পরিবার।

৩. বড় পরিবার

এ ধরনের পরিবারে তুলনামূলক বয়স্ক ব্যক্তিরাও থাকেন। এরা মূলত বিয়ে কিংবা রক্তের সম্পর্কের ভিত্তিতে এ ধরণের পরিবারের সদস্য হয়ে থাকেন। পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের পরিবার কমতে শুরু করে।

৪. নিঃসন্তান পরিবার

একটি নিঃসন্তান পরিবার শিশু ছাড়া মা-বাবাকে নিয়ে গঠিত হয়ে থাকে। অধিকাংশ সমাজ এই পরিবারকে সম্পূর্ণ পরিবার হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। তারা আশা করে, তাদের শেষ পর্যন্ত সন্তান হবে। যাই হোক, কিছু দম্পতি আছেন, যারা সন্তান ছাড়া বাঁচতে পছন্দ করেন।

৫. সৎ মা-বাবার পরিবার

এটি মিশ্র পরিবার হিসেবেও পরিচিত। তারা অন্যান্য ক্ষুদ্র পরিবারের দুটি অর্ধেক অংশ নিয়ে গঠিত, যা একটিতে মিশে যায়। পূর্ববর্তী পরিবারের দুজন ব্যক্তি মিলে একটি পরিবার তৈরি করেন। বিবাহবিচ্ছেদের ক্রমবর্ধমান হারের কারণে কয়েক বছর ধরে এসব পরিবার একটি স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেশির ভাগ মিশ্র পরিবারে মা-বাবা থাকেন শিশুদের ‘সহঅভিভাবক’ হিসেবে।

৬. দাদা-দাদির পরিবার

এ ধরনের পরিবারে দাদা-দাদি কিংবা নানা-নানিরা মা-বাবার ভূমিকা পালন করে থাকেন। এই পরিবারের সন্তানদের জীবনে সাধারণত বাবা-মা থাকেন না। ফলে তারা দাদা-দাদির কাছেই বড় হন। মা-বাবার মৃত্যু, বিচ্ছেদ, মাদকাসক্তি, অসুস্থতা, কারাবাস, সন্তানদের ছেড়ে চলে যাওয়া ইত্যাদি কারণে এ ধরনের পরিবারের সৃষ্টি হয়

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট