রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
Title :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হৃদয়ে সম্প্রীতির আলোকবর্তিকা: গুরুদুয়ারা নানকশাহী বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা সংস্কারে আরও তহবিল দিচ্ছে সুইডেন ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আইনি লড়াইয়ে এস আলম, ব্রিটিশ উকিলদের এক মাসের বিলই প্রায় ৫ কোটি টাকা বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন ফৌজদারি মামলার তদন্ত কার্যক্রমে গতি আনতে নির্দেশনা জোরদার সপ্তাহে একবারের ইনসুলিন চালু ভারতে, কমবে খরচ ও ইনজেকশনের ঝামেলা সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা করতে চায় সরকার দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৪৬ লাখ ছাড়িয়েছে: সংবিধানের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে বাড়ছে চাপ ধানমন্ডিতে চিকিৎসক ধীপ্রার মৃত্যু: কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ নিজেদের প্রণীত আইনেই মানবতাবিরোধী অভিযোগে বিচারের মুখে আ.লীগ: নিষিদ্ধ ঘোষণার আইনি পথ কতটা বাস্তবসম্মত?

এক হাতে ক্ষমতা থাকলে সব কাজ করা সম্ভব না: প্রধান বিচারপতি

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৩
  • ৩৭৫ বার পড়া হয়েছে

এক হাতে ক্ষমতা থাকলে সব কাজ করা সম্ভব না: প্রধান বিচারপতি
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা ঃ ৩০ আগস্ট ২০২৩
এক হাতে ক্ষমতা থাকলে সব কাজ করা সম্ভব না: প্রধান বিচারপতি ফাইল ছবি
প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, ‘ক্ষমতা যদি কারো একার হাতে পুঞ্জীভূত থাকে, কেন্দ্রীভূত থাকে তাহলে কোনোভাবেই তার পক্ষে সব কাজ করা সম্ভব না।’

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্ট মেডিয়েশন সেন্টার ও কোর্ট প্রযুক্তি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি হওয়ার পরপরই আমি যেটা ভাবি সেটা হচ্ছে, ক্ষমতা যদি কারো একার হাতে পুঞ্জীভূত থাকে-কেন্দ্রীভূত থাকে তাহলে কোনোভাবেই তার পক্ষে সব কাজ করা সম্ভব না। যদি না, তার সঙ্গে কিছু সমমনা লোক কাজ না করে। সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই আমি প্রধান বিচারপতি হওয়ার পর দেশের ৮টা বিভাগের জন্য ৮ জন বিচারপতিকে দিয়ে মনিটরিং কমিটি গঠন করি। পরবর্তীতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সে বিচারপতিরা ‘উল্কার’ মত বিভিন্ন জেলায় ঘুরে বেড়িয়েছেন। এছাড়া ভার্চুয়ালি বিভিন্ন জেলার বিচারকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা শুনেছেন এবং সমাধানের চেষ্টা করেছেন। ফলে বিভিন্ন জেলার মামলা নিষ্পত্তির হার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হারে বেড়েছে।’

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি আইনমন্ত্রী আনিসুল হক তার বক্তব্যের একপর্যায়ে বলেন, ‘দুঃখের বিষয় হলো, আজকে একটা সংস্কৃতি ভয়াবহভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর সেটা হচ্ছে বিচারাধীন মামলার ব্যাপারে বক্তব্য দেওয়া এবং মামলার বিষয়বস্তু (মেরিট) বিবেচনা ছাড়াই মন্তব্য করা। আমাদের মনে রাখতে হবে যে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে বিচার বিভাগ স্বাধীন। এই স্বাধীনতাকে কার্যকর করার জন্য আমরা চেষ্টা করেছি। কিন্তু কিছু কিছু ব্যক্তি আছেন যারা তাদের মধ্যে কাউকে বিচার করতে গেলেই স্টেটমেন্ট দেওয়া শুরু করেন। এটা বিচার বিভাগকে অপমান করার সামিল।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (জেলা ও দায়রা জজ) এস কে এম তোফায়েল হাসান ও সুপ্রিম কোর্টের লিগ্যাল এইড অফিসার (অতিরিক্ত জেলা জজ) ফারাহ্ মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান আরও বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও হাইকোর্টের বিচারপতি নাঈমা হায়দার, অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মমতাজ উদ্দিন ফকির ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানী। এছাড়া অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্ট ও আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews