রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
Title :
সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন গণঅভ্যুত্থান: আসামি পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা চেয়ে রিট আবেদন পরীক্ষা নাকি অগ্নিপরীক্ষা—এইচএসসি প্রশ্নপত্রে বিতর্ক বরিশালে সংক্ষিপ্ত বিচারে বাড়ছে জনআস্থা: মাত্র ১ মাসে ১৬৭ মামলায় ৪৫৭ অপরাধীর কারাদণ্ড। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পুনরুত্থান: প্রতিবাদের ভাষায় নতুন জাগরণ ইতিহাসের পৃষ্ঠায় অমর নেতৃত্ব: খামেনি–খোমিনীর উত্তরাধিকার ও জনসমর্থনের প্রতিচ্ছবি এআই-নির্ভর ভুয়া ভিডিও ও ফেক নিউজ রুখতে আইন সংশোধনের দাবি— অ্যাটর্নি জেনারেল ঢাকা বিমানবন্দরের লাগেজ হয়রানির অবসান? থার্ড টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে জাপানি কনসোর্টিয়াম চীন–বাংলাদেশ রেল করিডোর প্রস্তাব: সম্ভাবনা, বাস্তবতা ও প্রভাব  ধামরাইয়ের ১২৬ বছরের ঐতিহ্য—বণিক বাড়ি, কাঁসা-পিতলের স্বর্ণযুগের জীবন্ত সাক্ষী

কৃষিখাতে বেড়েছে ব্যাংক ঋণের বরাদ্দ।

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৯ আগস্ট, ২০২৩
  • ৬৫৭ বার পড়া হয়েছে

কৃষিখাতে বেড়েছে ব্যাংক ঋণের বরাদ্দ।

এডভোকেট রাবেয়া হক, বিশেষ প্রতিবেদক আদালত বার্তা :১০ আগষ্ট ২০২৩।

কৃষি উৎপাদন বাড়াতে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চলতি অর্থবছরে কৃষকদের ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে কৃষিঋণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩০ হাজার ৮১১ কোটি টাকা। সে হিসাবে গত অর্থবছরের চেয়ে বরাদ্দ বেড়েছে ১৩ দশমিক ৬০ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর একেএম সাজেদুর রহমান খান রোববার কৃষি-পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

কৃষি ঋণ বিভাগের প‌রিচালক কা‌নিজ ফা‌তেমা ও দেবাশীষ সরকারসহ বি‌ভিন্ন বা‌ণি‌জ্যিক ব্যাং‌কের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা প‌রিচালকরা এ সময় উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

নীতিমালায় বলা হয়, নতুন কৃষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঋণ দিতে হ‌বে। পল্লী অঞ্চলে আয়-উৎসারী কর্মকাণ্ডে ঋণের সর্বোচ্চ সীমা হ‌বে ৫ লাখ টাকা। ছাদ কৃষিতে অর্থায়ন কর‌তে পার‌বে ব্যাংক। অর্থাৎ বা‌ড়ির ছা‌দে বাগান কর‌তেও ঋণ মিলবে। এছাড়া চিংড়ি, কাঁকড়া ও কুচিয়া চাষে ঋণ দিতে পার‌বে ব্যাংকগুলো।

মৎস্য খাতে লক্ষ্যমাত্রার ন্যূনতম ১৩ শতাংশ এবং প্রাণিসম্পদ খাতে লক্ষ্যমাত্রার ন্যূনতম ১৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ কর‌তে হ‌বে।

নীতিমালা অনুযায়ী, মোট লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো ১২ হাজার ৩০ কোটি টাকা, বেসরকারি ব্যাংকগুলো ২১ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা এবং বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ১ হাজার ৪৭ কো‌টি টাকা ঋণ দেবে।

২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যাংকগুলো মোট ৩২ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ করে, যা অর্থবছরের মোট লক্ষ্যমাত্রার ১০৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, গত অর্থবছরে মোট ৩৩ লাখ ৪ হাজার ৮১১ জন কৃষি ও পল্লী ঋণ পেয়েছেন। এর মধ্যে ব্যাংকগুলোর নিজস্ব নেটওয়ার্ক ও এমএফআই লিংকেজের মাধ্যমে ঋণ পে‌য়ে‌ছেন ৩৬ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৫ জন। আর ১২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকার কৃষি ও পল্লী ঋণ পেয়েছেন ১৮ লাখ ৮১ হাজার ৯৩৩ জন নারী।

এছাড়া গত অর্থবছরে ২৭ লাখ ৩৬ হাজার ৮৭ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ২২ হাজার ৪০২ কোটি টাকা এবং চর, হাওরসহ অন্যান্য অনগ্রসর এলাকার ৩ হাজার ৪৪৯ জন কৃষক প্রায় ১৮ কোটি টাকা ঋণ পেয়েছেন।

পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিবেচনা করে ব্যাংকগু‌লোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ করতে হবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

বা‌ণি‌জ্যিক ব্যাংকগু‌লোর লক্ষ্যমাত্রার বাইরে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেড ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) তাদের নিজস্ব অর্থায়নে যথাক্রমে ২৬ কোটি ও ১ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ব্যাংকগু‌লো‌ নিজস্ব নেটওয়ার্ক (শাখা, উপশাখা, এজেন্ট ব্যাংকিং, কন্ট্রাক্ট ফার্মিং, দলবদ্ধ ঋণ বিতরণ) এবং ব্যাংক-এমএফআই লিংকেজ ব্যবহার করতে পারবে।

এক্ষেত্রে ব্যাংকের নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রার ন্যূনতম ৫০ শতাংশ হতে হবে, যা আগে ছিল ৩০ শতাংশ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews