বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন
Title :
দুজন স্থানীয় সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া তল্লাশি ও জব্দ বেআইনি: হাইকোর্ট সনদ হওয়ার পর, দক্ষতা ও সততাই নতুন আইনজীবীর পেশাগত পরিচয়ের ভিত্তি ধানমন্ডির ফুটপাতে বয়স্ক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে মারধর ভাইরাল ভিডিওর ঘটনায় যুবক আটক পরকালের জীবনে বিশ্বাসে এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ, ৯৮.৮ শতাংশ মানুষের বিশ্বাস মানবতাবিরোধী অপরাধে ১০ বছরের সাজা বাতিল চেয়ে আপিল করলেন হাসানুল হক ইনু চাকরিতে অর্জিত অধিকার ও পদোন্নতির যোগ্যতা নতুন বিধিতে বাতিল করা যাবে না: হাইকোর্ট ৩৫ বছর বয়সের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধের উদ্যোগ: আইনমন্ত্রী ছয় দশকে বদলে গেছে চারপাশ, রয়ে গেছে এরোপ্লেন মসজিদের ঐতিহ্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে ৬৬৬ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায়ের নির্দেশ হাইকোর্টের কারাগারে বন্দি মায়ের সঙ্গে ৩০৩ শিশু: হাইকোর্টে প্রতিবেদন ​শিশুদের নিকটাত্মীয় বা সরকারি শিশু পরিবারে রাখার সুপারিশ

দেশে প্রাকৃতিকভাবে মজুদ খনিজ সম্পদের মূল্য ২ দশমিক ২৬ ট্রিলিয়ন (২ লাখ ২৬ হাজার কোটি) ডলারের বেশি

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই, ২০২৩
  • ৫৫০ বার পড়া হয়েছে

দেশে প্রাকৃতিকভাবে মজুদ খনিজ সম্পদের মূল্য ২ দশমিক ২৬ ট্রিলিয়ন (২ লাখ ২৬ হাজার কোটি) ডলারের বেশি।

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক আদালত বার্তা  :২৫ জুলাই ২০২৩।

বাংলাদেশে মজুদ খনিজ সম্পদের বাজারমূল্য নিরূপণ করেছে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, দেশে প্রাকৃতিকভাবে মজুদ খনিজ সম্পদের মূল্য ২ দশমিক ২৬ ট্রিলিয়ন (২ লাখ ২৬ হাজার কোটি) ডলারের বেশি। বাংলাদেশী মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৪১ দশমিক ৯৭ ট্রিলিয়ন (২ কোটি ৪১ লাখ ৯৭ হাজার ৩০০ কোটি) টাকা। তবে জিএসবির এ হিসাবে দেশে মজুদ প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্যকে ধরা হয়নি। জিএসবির হিসাবের সঙ্গে প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্যকে বিবেচনায় নেয়া হলে দেশে মজুদ খনিজ সম্পদের নিরূপিত মূল্য আরো কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার বাড়বে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

মহা মূল্যবান এ খনিজ সম্পদ উত্তোলনে সরকারি বিনিয়োগ খুবই যৎসামান্য। দেশের অভ্যন্তরে খনিজ সম্পদের প্রকৃত মজুদ, প্রমাণিত মজুদ ও রিজার্ভের বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো পরীক্ষা করা হয়নি বলে জানিয়েছে জিএসবি। সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারকরাও বলছেন, দেশে বিপুল পরিমাণ খনিজ সম্পদ মজুদ থাকলেও এগুলো নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সরকারের তেমন কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি। যে কারণে এ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণও বছরের পর বছর ধরে সামান্যই থেকে গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান ও উত্তোলনে উদ্যোগী হলে তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বড় উৎস হতে পারে। আবার এগুলো দিয়ে চলমান জ্বালানি সংকটের সমাধান এমনকি নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা সম্ভব হতো।

দেশের খনিজ সম্পদের বর্তমান অবস্থা নিয়ে জানতে চাইলে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এবং ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক বদরূল ইমাম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘‌দেশে মজুদ খনিজ সম্পদের মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসই বড় পরিসরে উত্তোলন করা হচ্ছে। এখন এ গ্যাসের প্রমাণিত মজুদ নিঃশেষ হয়ে আসছে। আমরা মনে করি, দেশে আরো গ্যাস আছে এবং তা উত্তোলন করা যাবে। যদিও এ বিষয়ে সরকারের যথাযথ উদ্যোগ ও বিনিয়োগ সন্তোষজনক নয়। কয়লা উত্তোলনের বিষয়ে বড় ধরনের উদ্যোগ নিতে সরকারকে দেখি না। উত্তরবঙ্গে পাঁচটি খনি আছে। এছাড়া জয়পুরহাটে মাটির নিচে বিশাল আকারে চুনাপাথর আছে, এটাও উত্তোলন করা হয় না।’

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট